BDpress

মৌলভি জহিরের পুরো পরিবার ইয়াবা ব্যবসায়ী: র‌্যাব

নিজস্ব প্রতিবেদক

অ+ অ-
মৌলভি জহিরের পুরো পরিবার ইয়াবা ব্যবসায়ী: র‌্যাব
জহির আহাম্মেদ ওরফে মৌলভি জহির (৬০)। দেখতে মৌলভির মতো মনে হলেও মূলত তিনি ইয়াবা ব্যবসায়ী। তাও আবার নিজে নয়, রীতিমত পুরো পরিবারকে এই ব্যবসায় জড়িত করেছেন।

বুধবার ও বৃহস্পতিবার সকালে রাজধানীর এলিফ্যান্ট রোডে দুটি বাসায়  র‌্যাব-২  অভিযান চালিয়ে ইয়াবা ব্যবসায়ী মৌলভি জহির তার পরিবারের সদস্যদের আটক করে।

অভিযানে র‌্যাব দুই লাখ সাত হাজার পিস ইয়াবা এবং নগদ ১৬ লাখ টাকা উদ্ধার করেছে।  এসময় মৌলভী জহিরসহ ছয়জনকে আটক করে র‌্যাব।

বাকি আটককৃতরা হলেন- ফয়সাল আহাম্মেদ (৩১), মিরাজ উদ্দিন নিশান (২১), তৌফিকুল ইসলাম ওরফে সানি (২১), সঞ্জয় চন্দ্র হালদার (২০) ও মমিনুল আলম ওরফে মোমিন (৩০)।

বৃহস্পতিবার দুপুরে রাজধানীর কারওয়ান বাজারে র‌্যাবের মিডিয়া সেন্টারে এক সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানান র‌্যাবের গণমাধ্যম শাখার পরিচালক মুফতি মাহমুদ খান।

মুফতি বলেন, জহির আহাম্মেদ ওরফে মৌলভি জহির ইয়াবা ব্যবসায়ের মূল হোতা। তিনি এবং তার বড় ছেলে জহিরুল ইসলাম বাবু, স্ত্রী, কন্যা ও তার জামাতা আব্দুল আমিন ইয়াবা ব্যবসার সঙ্গে জড়িত। তাদের সিন্ডিকেটে বিভিন্ন পরিবহনের চালক ও হেলপার ছাড়াও দুটি কুরিয়ার সার্ভিসের কর্মচারী জড়িত রয়েছে। তাদের গ্রুপে ২৫/৩০ জনের মতো সদস্য রয়েছে। চক্রটি ফ্যান, ওয়াসিং মেশিন, এসি এসবের ভেতরে ইয়াবা কুরিয়ার সার্ভিসে করে রাজধানীতে নিয়ে আসতো। উদ্ধার হওয়া ইয়াবাগুলো গত সপ্তাহে দুটি এসি ও ফ্যানের কার্টুনে করে রাজধানীতে আনা হয়েছে।

মুফতি মাহমুদ বলেন, তথ্য ছিল কক্সবাজার থেকে বিমানযোগে কয়েকজন যাত্রী এলিফ্যান্ট রোডের বিলাস বহুল দুটি বাসায় বিপুল পরিমাণ ইয়াবা মজুদ করছে। এমন খবরে বুধবার একটি বাসার নিচে অভিযান চালিয়ে চারজনকে আটক করা হয় এবং তাদের কাছ থেকে ৩৫ হাজার পিস ইয়াবা জব্দ উদ্ধার করা হয়। পরে আটককৃতদের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে বৃহস্পতিবার সকালে একটি বাসায় অভিযান চালিয়ে ৬৭ হাজার পিস ইয়াবা এবং নগদ ছয় লাখ ৬৪ হাজার ১০০ টাকা উদ্ধার করা হয়। পরে তাদের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে আরেকটি বাসায় অভিযান চালিয়ে এক লাখ পাঁচ হাজার ১০০ পিস ইয়াবা ও নগদ ১০ লাখ টাকা উদ্ধার করা হয়।

র‌্যাব কর্মকর্তা বলেন, আটক ফয়সাল আহাম্মেদ রাজধানীর একটি বেসরকারি ব্যাংকে সিনিয়র অফিসার পদে কর্মরত রয়েছেন। তিনি দীর্ঘ তিন বছর ধরে ইয়াবা সেবন করে আসছিলেন। পরে তিনি ব্যবসায় জড়িয়ে পড়েন। এছাড়া মিরাজ উদ্দিন নিশান রাজধানীর একটি বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের কম্পিউটার সায়েন্সের প্রথম বর্ষের ছাত্র। আটক তৌফিকুল ইসলাম সানি ঢাকার একটি কলেজে ম্যানেজমেন্ট প্রথম বর্ষের ছাত্র এবং শ্রী সঞ্জয় চন্দ্র হাওলাদার মাদারীপুরের একটি কলেজে পড়াশোনা করেন। এ তিনজনই পড়াশোনার পাশাপাশি মাদক ব্যবসা করতেন।

বিডিপ্রেস/আরজে

এ সম্পর্কিত অন্যান্য খবর

BDpress

মৌলভি জহিরের পুরো পরিবার ইয়াবা ব্যবসায়ী: র‌্যাব


মৌলভি জহিরের পুরো পরিবার ইয়াবা ব্যবসায়ী: র‌্যাব

বুধবার ও বৃহস্পতিবার সকালে রাজধানীর এলিফ্যান্ট রোডে দুটি বাসায়  র‌্যাব-২  অভিযান চালিয়ে ইয়াবা ব্যবসায়ী মৌলভি জহির তার পরিবারের সদস্যদের আটক করে।

অভিযানে র‌্যাব দুই লাখ সাত হাজার পিস ইয়াবা এবং নগদ ১৬ লাখ টাকা উদ্ধার করেছে।  এসময় মৌলভী জহিরসহ ছয়জনকে আটক করে র‌্যাব।

বাকি আটককৃতরা হলেন- ফয়সাল আহাম্মেদ (৩১), মিরাজ উদ্দিন নিশান (২১), তৌফিকুল ইসলাম ওরফে সানি (২১), সঞ্জয় চন্দ্র হালদার (২০) ও মমিনুল আলম ওরফে মোমিন (৩০)।

বৃহস্পতিবার দুপুরে রাজধানীর কারওয়ান বাজারে র‌্যাবের মিডিয়া সেন্টারে এক সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানান র‌্যাবের গণমাধ্যম শাখার পরিচালক মুফতি মাহমুদ খান।

মুফতি বলেন, জহির আহাম্মেদ ওরফে মৌলভি জহির ইয়াবা ব্যবসায়ের মূল হোতা। তিনি এবং তার বড় ছেলে জহিরুল ইসলাম বাবু, স্ত্রী, কন্যা ও তার জামাতা আব্দুল আমিন ইয়াবা ব্যবসার সঙ্গে জড়িত। তাদের সিন্ডিকেটে বিভিন্ন পরিবহনের চালক ও হেলপার ছাড়াও দুটি কুরিয়ার সার্ভিসের কর্মচারী জড়িত রয়েছে। তাদের গ্রুপে ২৫/৩০ জনের মতো সদস্য রয়েছে। চক্রটি ফ্যান, ওয়াসিং মেশিন, এসি এসবের ভেতরে ইয়াবা কুরিয়ার সার্ভিসে করে রাজধানীতে নিয়ে আসতো। উদ্ধার হওয়া ইয়াবাগুলো গত সপ্তাহে দুটি এসি ও ফ্যানের কার্টুনে করে রাজধানীতে আনা হয়েছে।

মুফতি মাহমুদ বলেন, তথ্য ছিল কক্সবাজার থেকে বিমানযোগে কয়েকজন যাত্রী এলিফ্যান্ট রোডের বিলাস বহুল দুটি বাসায় বিপুল পরিমাণ ইয়াবা মজুদ করছে। এমন খবরে বুধবার একটি বাসার নিচে অভিযান চালিয়ে চারজনকে আটক করা হয় এবং তাদের কাছ থেকে ৩৫ হাজার পিস ইয়াবা জব্দ উদ্ধার করা হয়। পরে আটককৃতদের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে বৃহস্পতিবার সকালে একটি বাসায় অভিযান চালিয়ে ৬৭ হাজার পিস ইয়াবা এবং নগদ ছয় লাখ ৬৪ হাজার ১০০ টাকা উদ্ধার করা হয়। পরে তাদের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে আরেকটি বাসায় অভিযান চালিয়ে এক লাখ পাঁচ হাজার ১০০ পিস ইয়াবা ও নগদ ১০ লাখ টাকা উদ্ধার করা হয়।

র‌্যাব কর্মকর্তা বলেন, আটক ফয়সাল আহাম্মেদ রাজধানীর একটি বেসরকারি ব্যাংকে সিনিয়র অফিসার পদে কর্মরত রয়েছেন। তিনি দীর্ঘ তিন বছর ধরে ইয়াবা সেবন করে আসছিলেন। পরে তিনি ব্যবসায় জড়িয়ে পড়েন। এছাড়া মিরাজ উদ্দিন নিশান রাজধানীর একটি বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের কম্পিউটার সায়েন্সের প্রথম বর্ষের ছাত্র। আটক তৌফিকুল ইসলাম সানি ঢাকার একটি কলেজে ম্যানেজমেন্ট প্রথম বর্ষের ছাত্র এবং শ্রী সঞ্জয় চন্দ্র হাওলাদার মাদারীপুরের একটি কলেজে পড়াশোনা করেন। এ তিনজনই পড়াশোনার পাশাপাশি মাদক ব্যবসা করতেন।

বিডিপ্রেস/আরজে