BDpress

মিডিয়ার সংখ্যা বেশি হলে গুজব হ্রাস পায় : মাহফুজ আনাম

নিজস্ব প্রতিবেদক

অ+ অ-
মিডিয়ার সংখ্যা বেশি হলে গুজব হ্রাস পায় : মাহফুজ আনাম
মিডিয়ার সংখ্যা বেশি হলে গুজব হ্রাস পায়। এ জন্য ব্যালেন্স আনা দরকার বলে মন্তব্য করেছেন দ্য ডেইলি স্টার সম্পাদক মাহফুজ আনাম। শনিবার (১৮ আগস্ট) জাতীয় প্রেস ক্লাবের ভিআইপি লাউঞ্জে পেন বাংলাদেশের গোলটেবিল বৈঠকে তিনি একথা বলেন। প্রস্তাবিত ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন নিয়ে এ গোলটেবিল আলোচনার আয়োজন করা হয়।

পেন বাংলাদেশের প্রেসিডেন্ট কথা সাহিত্যিক মাসুদ আহমেদের সভাপতিত্বে বৈঠকে মূল বক্তব্য উপস্থাপন করেন লিগ্যাল ইকোনমিস্ট মো. শাহজাহান সিদ্দিকী। প্যানেলিস্ট হিসেবে আলোচনায় আরও অংশ নেন দৈনিক ইত্তেফাক সম্পাদক তাসমিমা হোসেন, বাংলাদেশ ফেডারেল সাংবাদিক ইউনিয়নের সাবেক সভাপতি মঞ্জুরুল আহসান বুলবুল, জাতীয় প্রেস ক্লাবের সভাপতি মো. শফিকুর রহমান, ব্রতীর নির্বাহী পরিচালক শারমিন মুরশিদ, পেন বাংলাদেশের নির্বাহী প্রেসিডেন্ট কবি কাজী রোজী এমপি, পেন বাংলাদেশের প্রধান উপদেষ্টা কবি মুহম্মদ নূরুল হুদা প্রমুখ।

বৈঠকের শুরুতে পেন ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশের সেক্রেটারি জেনারেল ড. সৈয়দা আইরিন জামান স্বাগত বক্তব্যে কনফারেন্সের বিষয়বস্তুর গুরুত্ব উপস্থাপন করেন। এ ছাড়া গোলটেবিল বৈঠকে অন্যান্য আলোচকের মধ্যে ছিলেন- কবি, অনুবাদক অধ্যাপক ড. মাসুদুজ্জামান, আফরোজা পারভীন, আলী নিয়ামত, শ্যামলী খান, মাহবুবা ফারুক, বারী মঞ্জু শেখ, নাহার ফরিদ খান প্রমুখ।

মাহফুজ আনাম বলেন, তথ্যের নির্ভরযোগ্যতার মান নিয়ে প্রশ্ন থাকার কারণেই গুজব ছড়ায়। ডিজিটাল অ্যাক্টের দ্বারা আমলাতান্ত্রিক প্রক্রিয়ার মাধ্যমে মত প্রকাশের ব্যবস্থা হচ্ছে। কোনো পরোয়ানা ব্যতীত তল্লাশি, জব্দ, গ্রেফতার-এই একটি ধারা সমগ্র মত প্রকাশের স্বাধীনতাকে নষ্ট করে।

মঞ্জুরুল আহসান বুলবুল বলেন, সাংবাদিকদের স্বাধীনতা রক্ষায় যতটুকু চেষ্টা করতে পারছি, সুশীল সমাজ ও সাধারণ জনগণের জন্য ততটুকু করতে পারছি না। এ জন্য সব পর্যায় থেকে চেষ্টা দরকার।

কবি মুহম্মদ নূরুল হুদা বলেন, ক্রিয়েটিভ রাইটাররা প্রশ্নের সম্মুখীন হতে পারেন। ইমাজিনেশনের সঙ্গে বাস্তবতার দ্বন্দ্ব থাকে। এ জন্য লেখকদের প্রোটেক্ট করতে হবে।

শারমিন মুরশিদ বলেন, মত প্রকাশের স্বাধীনতা রক্ষায় সরকারের দায়বদ্ধতা আছে। সমাজের সমৃদ্ধির জন্য মেধা, ভাবনা-চিন্তার বিকাশ দরকার। প্রেস ক্লাউন্সিলের মতো জনগণের জন্যেও কাউন্সিল দরকার।

মো. শফিকুর রহমান বলেন, এ ধরনের আলোচনা বেশি বেশি প্রয়োজন। আইন স্বাধীনতা খর্ব করলে সমাজ এগুতে পারে না। তবে সুষ্ঠুভাবে মত প্রকাশে আইন দরকার। সবকিছু পরীক্ষা-নীরিক্ষা করে আইন চূড়ান্ত করা দরকার।

কবি কাজী রোজী এমপি বলেন, আইন আইনের মতো চলছে, চলবে। আইন হোক জনগণের জন্য।

তাসমিমা হোসেন বলেন- দেশে জঙ্গি তৎপরতা চলছে। বলার স্বাধীনতা খর্বের ইতিহাস দীর্ঘদিনের। কথা বলার পেছনের প্রবণতাটা খুবই গুরুত্বপূর্ণ। আমরা দেশের স্বার্থের কথা চিন্তা করে বাক স্বাধীনতার কথা চিন্তা করব।

বিডিপ্রেস/আরজে

এ সম্পর্কিত অন্যান্য খবর

BDpress

মিডিয়ার সংখ্যা বেশি হলে গুজব হ্রাস পায় : মাহফুজ আনাম


মিডিয়ার সংখ্যা বেশি হলে গুজব হ্রাস পায় : মাহফুজ আনাম

পেন বাংলাদেশের প্রেসিডেন্ট কথা সাহিত্যিক মাসুদ আহমেদের সভাপতিত্বে বৈঠকে মূল বক্তব্য উপস্থাপন করেন লিগ্যাল ইকোনমিস্ট মো. শাহজাহান সিদ্দিকী। প্যানেলিস্ট হিসেবে আলোচনায় আরও অংশ নেন দৈনিক ইত্তেফাক সম্পাদক তাসমিমা হোসেন, বাংলাদেশ ফেডারেল সাংবাদিক ইউনিয়নের সাবেক সভাপতি মঞ্জুরুল আহসান বুলবুল, জাতীয় প্রেস ক্লাবের সভাপতি মো. শফিকুর রহমান, ব্রতীর নির্বাহী পরিচালক শারমিন মুরশিদ, পেন বাংলাদেশের নির্বাহী প্রেসিডেন্ট কবি কাজী রোজী এমপি, পেন বাংলাদেশের প্রধান উপদেষ্টা কবি মুহম্মদ নূরুল হুদা প্রমুখ।

বৈঠকের শুরুতে পেন ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশের সেক্রেটারি জেনারেল ড. সৈয়দা আইরিন জামান স্বাগত বক্তব্যে কনফারেন্সের বিষয়বস্তুর গুরুত্ব উপস্থাপন করেন। এ ছাড়া গোলটেবিল বৈঠকে অন্যান্য আলোচকের মধ্যে ছিলেন- কবি, অনুবাদক অধ্যাপক ড. মাসুদুজ্জামান, আফরোজা পারভীন, আলী নিয়ামত, শ্যামলী খান, মাহবুবা ফারুক, বারী মঞ্জু শেখ, নাহার ফরিদ খান প্রমুখ।

মাহফুজ আনাম বলেন, তথ্যের নির্ভরযোগ্যতার মান নিয়ে প্রশ্ন থাকার কারণেই গুজব ছড়ায়। ডিজিটাল অ্যাক্টের দ্বারা আমলাতান্ত্রিক প্রক্রিয়ার মাধ্যমে মত প্রকাশের ব্যবস্থা হচ্ছে। কোনো পরোয়ানা ব্যতীত তল্লাশি, জব্দ, গ্রেফতার-এই একটি ধারা সমগ্র মত প্রকাশের স্বাধীনতাকে নষ্ট করে।

মঞ্জুরুল আহসান বুলবুল বলেন, সাংবাদিকদের স্বাধীনতা রক্ষায় যতটুকু চেষ্টা করতে পারছি, সুশীল সমাজ ও সাধারণ জনগণের জন্য ততটুকু করতে পারছি না। এ জন্য সব পর্যায় থেকে চেষ্টা দরকার।

কবি মুহম্মদ নূরুল হুদা বলেন, ক্রিয়েটিভ রাইটাররা প্রশ্নের সম্মুখীন হতে পারেন। ইমাজিনেশনের সঙ্গে বাস্তবতার দ্বন্দ্ব থাকে। এ জন্য লেখকদের প্রোটেক্ট করতে হবে।

শারমিন মুরশিদ বলেন, মত প্রকাশের স্বাধীনতা রক্ষায় সরকারের দায়বদ্ধতা আছে। সমাজের সমৃদ্ধির জন্য মেধা, ভাবনা-চিন্তার বিকাশ দরকার। প্রেস ক্লাউন্সিলের মতো জনগণের জন্যেও কাউন্সিল দরকার।

মো. শফিকুর রহমান বলেন, এ ধরনের আলোচনা বেশি বেশি প্রয়োজন। আইন স্বাধীনতা খর্ব করলে সমাজ এগুতে পারে না। তবে সুষ্ঠুভাবে মত প্রকাশে আইন দরকার। সবকিছু পরীক্ষা-নীরিক্ষা করে আইন চূড়ান্ত করা দরকার।

কবি কাজী রোজী এমপি বলেন, আইন আইনের মতো চলছে, চলবে। আইন হোক জনগণের জন্য।

তাসমিমা হোসেন বলেন- দেশে জঙ্গি তৎপরতা চলছে। বলার স্বাধীনতা খর্বের ইতিহাস দীর্ঘদিনের। কথা বলার পেছনের প্রবণতাটা খুবই গুরুত্বপূর্ণ। আমরা দেশের স্বার্থের কথা চিন্তা করে বাক স্বাধীনতার কথা চিন্তা করব।

বিডিপ্রেস/আরজে