BDpress

একটি কাঁঠাল দেখতে গ্রামের মানুষের ভিড়

জেলা প্রতিবেদক

অ+ অ-
একটি কাঁঠাল দেখতে গ্রামের মানুষের ভিড়
দিনাজপুরের কাহারোল উপজেলায় একটি কাঁঠাল এক নজর দেখতে হাজারো মানুষের ভিড় করছেন। কারণ কাঁঠালটির আকৃতি বেশ বড়। ওজন ৮০ কেজি। বর্তমানে কাঁঠালটি কাহারোল উপজেলা কার্যালয়ে রাখা হয়েছে। এটির মালিক কাহারোল উপজেলার ৫নং সুন্দরপুর ইউনিয়নের পূর্ব সাদীপুর গ্রামের মো. আমিনুল ইসলাম।

স্থানীয় সূত্র জানায়, উপজেলার পূর্ব সাদীপুর গ্রামের মো. আমিনুল ইসলামের বসত বাড়ির আঙিনায় একটি গাছে তিনটি কাঁঠাল ধরে। প্রথম থেকেই কাঁঠালগুলোর আকৃতি গ্রামের মানুষকে আকৃষ্ট করে। গত মঙ্গলবার একটি কাঁঠাল ৫নং সুন্দরপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মো. শরীফ উদ্দীন আহম্মেদ দেখার জন্য উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কাছে নিয়ে আসেন। সেখানে কাঁঠালটি ওজন করা হয়। এতে দেখা যায় বিশাল আকৃতির কাঁঠালটির ওজন ৮০ কেজি।

কাঁঠালের মালিক আমিনুল ইসলাম জানান, গাছটিতে এবারই প্রথম তিনটি কাঁঠাল ধরে। কাঁঠালগুলো আকারে বেশ বড় বড়। কিন্তু এতো বড় হবে তা তিনি ভাবতে পারেননি। মঙ্গলবার কাঁঠালটি পাড়ার সময় চেয়ারম্যান সাহেবকে খবর দিলে তিনি কাঁঠালটি দেখতে আসেন। পরে কাঁঠালটি উপজেলা নির্বাহী অফিসারের কার্যালয়ে নিয়ে যাওয়া হয়।

চেয়ারম্যান মো. শরীফ উদ্দীন আহম্মেদ কাঁঠালের ওজন ৮০ কেজি নিশ্চিত করে বলেন, তিনি জীবনে এতো বড় কাঁঠাল দেখেননি। তাই তিনি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও কৃষি কর্মকর্তার দৃষ্টিতে আনার জন্য কাঁঠালটি উপজেলা নিয়ে যাওয়ার ব্যবস্থা করেছেন।

বুধবার বিকাল সাড়ে ৩টার সময় উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. নাসিম হোসেনের কাছে জানতে চাওয়া হলে তিনি বলেন, কাঁঠালটি আমার চেয়ে ওজনে বেশি। এ সময় তিনি রসিকতা করে বলেন, আমার ওজন ৭২ কেজি আর কাঁঠালের ওজন ৮০ কেজি।

এদিকে কাঁঠালের খবর এলাকায় ছড়িয়ে পড়লে এক নজর দেখার জন্য মঙ্গলবার বিকেল থেকেই উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কার্যালয়ে লোকজন ভিড় জমাচ্ছে।

বিডিপ্রেস/আরজে

এ সম্পর্কিত অন্যান্য খবর

BDpress

একটি কাঁঠাল দেখতে গ্রামের মানুষের ভিড়


একটি কাঁঠাল দেখতে গ্রামের মানুষের ভিড়

স্থানীয় সূত্র জানায়, উপজেলার পূর্ব সাদীপুর গ্রামের মো. আমিনুল ইসলামের বসত বাড়ির আঙিনায় একটি গাছে তিনটি কাঁঠাল ধরে। প্রথম থেকেই কাঁঠালগুলোর আকৃতি গ্রামের মানুষকে আকৃষ্ট করে। গত মঙ্গলবার একটি কাঁঠাল ৫নং সুন্দরপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মো. শরীফ উদ্দীন আহম্মেদ দেখার জন্য উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কাছে নিয়ে আসেন। সেখানে কাঁঠালটি ওজন করা হয়। এতে দেখা যায় বিশাল আকৃতির কাঁঠালটির ওজন ৮০ কেজি।

কাঁঠালের মালিক আমিনুল ইসলাম জানান, গাছটিতে এবারই প্রথম তিনটি কাঁঠাল ধরে। কাঁঠালগুলো আকারে বেশ বড় বড়। কিন্তু এতো বড় হবে তা তিনি ভাবতে পারেননি। মঙ্গলবার কাঁঠালটি পাড়ার সময় চেয়ারম্যান সাহেবকে খবর দিলে তিনি কাঁঠালটি দেখতে আসেন। পরে কাঁঠালটি উপজেলা নির্বাহী অফিসারের কার্যালয়ে নিয়ে যাওয়া হয়।

চেয়ারম্যান মো. শরীফ উদ্দীন আহম্মেদ কাঁঠালের ওজন ৮০ কেজি নিশ্চিত করে বলেন, তিনি জীবনে এতো বড় কাঁঠাল দেখেননি। তাই তিনি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও কৃষি কর্মকর্তার দৃষ্টিতে আনার জন্য কাঁঠালটি উপজেলা নিয়ে যাওয়ার ব্যবস্থা করেছেন।

বুধবার বিকাল সাড়ে ৩টার সময় উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. নাসিম হোসেনের কাছে জানতে চাওয়া হলে তিনি বলেন, কাঁঠালটি আমার চেয়ে ওজনে বেশি। এ সময় তিনি রসিকতা করে বলেন, আমার ওজন ৭২ কেজি আর কাঁঠালের ওজন ৮০ কেজি।

এদিকে কাঁঠালের খবর এলাকায় ছড়িয়ে পড়লে এক নজর দেখার জন্য মঙ্গলবার বিকেল থেকেই উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কার্যালয়ে লোকজন ভিড় জমাচ্ছে।

বিডিপ্রেস/আরজে