BDpress

ইভিএম নিয়ে উৎকণ্ঠা স্বাভাবিক : সিইসি

নিজস্ব প্রতিবেদক

অ+ অ-
ইভিএম নিয়ে উৎকণ্ঠা স্বাভাবিক : সিইসি
প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) কে এম নূরুল হুদা বলেছেন, ইলেকট্রনিক ভোটিং মেশিন (ইভিএম) ব্যবহার নিয়ে ভোটার ও রাজনৈতিক মহলে উৎকণ্ঠা থাকা স্বাভাবিক। কারণ আমরা এটির ব্যবহার, উপকারিতা সম্পর্কে এখনও তাদেরকে জানাতে পারিনি। পর্যায়ক্রমে তারা সব জানতে পারবেন।

সোমবার সকালে রাজধানীর আগারগাঁওস্থ নির্বাচনী প্রশিক্ষণ ইনস্টিটিউটের (ইটিআই) ভবনের সম্মেলন কক্ষে দুদিনব্যাপী প্রশিক্ষণ কার্যক্রম উদ্বোধন কালে তিনি একথা বলেন।

ইটিআইয়ের মহাপরিচালক মোস্তফা ফারুকের সভাপতিত্বে কর্মশালায় ইসি সচিব হেলালুদ্দীন আহমদ বিশেষ অতিথি ছিলেন।

সিইসি বলেন, ইভিএম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ব্যবহার হবে কী হবে না, সেটির চিন্তা আরও পরে হবে। যদি আইন হয়, কর্মকর্তাদের প্রশিক্ষণ দেয়া যায় এবং সব মহলে এর গ্রহণযোগ্যতা পাওয়া যায় তার ওপর নির্ভর করবে।

তিনি বলেন, যে কোনো উদ্যোগ নতুন আবিষ্কার বা প্রযুক্তি তা জানার উৎকণ্ঠা থাকবে এটাই স্বাভাবিক। এটা আমরা ইতিবাচক হিসেবেই দেখি।

সিইসি আরও বলেন, প্রযুক্তি এখন আর বাক্সের মধ্যে বন্দি নেই। এটি এখন মানুষের হাতে হাতে। মোবাইলের মাধ্যমেই আমরা এখন সব তথ্য আদান-প্রদান করতে পারি।

ম্যানুয়াল পদ্ধতিতে হাজার রকমের জিনিসপত্রের প্রয়োজন হয়। চিন্তায় থাকতে হয় কেন্দ্রে পৌঁছানোর সময় ব্যালট পেপার ছিনতাই হয়ে যাবে কিনা। প্রযুক্তির ব্যবহার হলে এসব জিনিসপত্রের প্রয়োজন হবে না। তাছাড়া নির্বাচন পরিচালনায় ৭০ ভাগ খরচ হয় আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর জন্য। সেই খরচও কমে আসবে বলেও উল্লেখ করেন তিনি।

ইভিএম কেনার বিষয়ে সিইসি বলেন, ইভিএম কেনার বিষয়ে আমাদের কোনো তহবিল থাকবে না। এটা অর্থমন্ত্রণালয় ও সরকারের দেখবে। এ বিষয়ে আমরা চিঠি দিয়ে ও অর্থমন্ত্রণালয়ে মিটিং করে জানিয়েছি।

বিডিপ্রেস/আরজে

এ সম্পর্কিত অন্যান্য খবর

BDpress

ইভিএম নিয়ে উৎকণ্ঠা স্বাভাবিক : সিইসি


ইভিএম নিয়ে উৎকণ্ঠা স্বাভাবিক : সিইসি

সোমবার সকালে রাজধানীর আগারগাঁওস্থ নির্বাচনী প্রশিক্ষণ ইনস্টিটিউটের (ইটিআই) ভবনের সম্মেলন কক্ষে দুদিনব্যাপী প্রশিক্ষণ কার্যক্রম উদ্বোধন কালে তিনি একথা বলেন।

ইটিআইয়ের মহাপরিচালক মোস্তফা ফারুকের সভাপতিত্বে কর্মশালায় ইসি সচিব হেলালুদ্দীন আহমদ বিশেষ অতিথি ছিলেন।

সিইসি বলেন, ইভিএম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ব্যবহার হবে কী হবে না, সেটির চিন্তা আরও পরে হবে। যদি আইন হয়, কর্মকর্তাদের প্রশিক্ষণ দেয়া যায় এবং সব মহলে এর গ্রহণযোগ্যতা পাওয়া যায় তার ওপর নির্ভর করবে।

তিনি বলেন, যে কোনো উদ্যোগ নতুন আবিষ্কার বা প্রযুক্তি তা জানার উৎকণ্ঠা থাকবে এটাই স্বাভাবিক। এটা আমরা ইতিবাচক হিসেবেই দেখি।

সিইসি আরও বলেন, প্রযুক্তি এখন আর বাক্সের মধ্যে বন্দি নেই। এটি এখন মানুষের হাতে হাতে। মোবাইলের মাধ্যমেই আমরা এখন সব তথ্য আদান-প্রদান করতে পারি।

ম্যানুয়াল পদ্ধতিতে হাজার রকমের জিনিসপত্রের প্রয়োজন হয়। চিন্তায় থাকতে হয় কেন্দ্রে পৌঁছানোর সময় ব্যালট পেপার ছিনতাই হয়ে যাবে কিনা। প্রযুক্তির ব্যবহার হলে এসব জিনিসপত্রের প্রয়োজন হবে না। তাছাড়া নির্বাচন পরিচালনায় ৭০ ভাগ খরচ হয় আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর জন্য। সেই খরচও কমে আসবে বলেও উল্লেখ করেন তিনি।

ইভিএম কেনার বিষয়ে সিইসি বলেন, ইভিএম কেনার বিষয়ে আমাদের কোনো তহবিল থাকবে না। এটা অর্থমন্ত্রণালয় ও সরকারের দেখবে। এ বিষয়ে আমরা চিঠি দিয়ে ও অর্থমন্ত্রণালয়ে মিটিং করে জানিয়েছি।

বিডিপ্রেস/আরজে