BDpress

বাবার ভাতার টাকা হাতিয়ে নিতে বৃদ্ধা মাকে পেটাল ৪ ছেলে

জেলা প্রতিবেদক

অ+ অ-
বাবার ভাতার টাকা হাতিয়ে নিতে বৃদ্ধা মাকে পেটাল ৪ ছেলে
প্রয়াত বীর মুক্তিযোদ্ধা বাবার ভাতার টাকা হাতিয়ে নিতে সুনামগঞ্জের বিশ্বম্ভরপুরে ৪ ছেলে মিলে পিটিয়েছে তাদের বৃদ্ধা মাকে। আহত জহুরা খাতুন (৭০) বর্তমানে সুনামগঞ্জ সদর হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।

মঙ্গলবার উপজেলার সলুকাবাদ ইউনিয়নের স্থানীয় একটি চাইল্ড কেয়ার একাডেমির সামনে এ ঘটনা ঘটে। তিনি উপজেলার সলুকাবাদ ইউনিয়নের ডলুরা গ্রামের প্রয়াত বীর মুক্তিযোদ্ধা হযরত আলীর স্ত্রী।

জহুরা খাতুন বুধবার বিকালে জানান, দীর্ঘদিন ধরেই প্রয়াত স্বামীর সরকারি সম্মানী ভাতার টাকা হাতিয়ে নিতে তার চার ছেলে নানাভাবে তাকে মানসিকভাবে নির্যাতন করছিল। সরকারি ভাতা তাদের দিয়ে দেয়ার জন্যও তারা নানাভাবে হুমকি ও চাপ দিচ্ছিল।

এরই জের ধরে মঙ্গলবার দুপুরে ছেলে আয়াতুল্লাহ, আব্দুল্লাহ, মোস্তফা মিয়া ও হানিফা সংঘবদ্ধ হয়ে গ্রামের ডলুরায় একটি চাইল্ড কেয়ারের সামনে মাকে বেধড়ক মারপিট করে।

একপর্যায়ে ছেলেদের মারধর থেকে বাঁচতে চাইল্ড কেয়ারের ভেতর ঢুকে আত্মরক্ষার চেষ্টা করলে সেখানেও ছেলেরা তাকে মারধর করে।

ওই সময় মাকে বাঁচাতে আসলে ছোট ছেলে মোজাফ্ফর মিয়া ও নাতি আব্দুল মজিদ এগিয়ে আসলে তাদেরকেও পিটিয়ে আহত করা হয়।

জহুরা খাতুন আরও জানান, এর আগেও তিনি এ বিষয়ে বিশ্বম্ভরপুর থানায় একটি লিখিত অভিযোগ করেছিলেন। কিন্তু সেটি মুক্তিযোদ্ধা ও স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিরা নিষ্পত্তির চেষ্টা করে ব্যর্থ হয়েছেন।

বিশ্বম্ভরপুর থানার পরিদর্শক (তদন্ত) নবগোপাল দাস বুধবার বিকালে বলেন, 'আমি বিকালে সরজমিনে তদন্তে গিয়ে ঘটনার সত্যতা পেয়েছি। এ বিষয়ে দ্রুত আইনি ব্যবস্থা নেয়া হবে।'

বিডিপ্রেস/আরজে

এ সম্পর্কিত অন্যান্য খবর

BDpress

বাবার ভাতার টাকা হাতিয়ে নিতে বৃদ্ধা মাকে পেটাল ৪ ছেলে


বাবার ভাতার টাকা হাতিয়ে নিতে বৃদ্ধা মাকে পেটাল ৪ ছেলে

মঙ্গলবার উপজেলার সলুকাবাদ ইউনিয়নের স্থানীয় একটি চাইল্ড কেয়ার একাডেমির সামনে এ ঘটনা ঘটে। তিনি উপজেলার সলুকাবাদ ইউনিয়নের ডলুরা গ্রামের প্রয়াত বীর মুক্তিযোদ্ধা হযরত আলীর স্ত্রী।

জহুরা খাতুন বুধবার বিকালে জানান, দীর্ঘদিন ধরেই প্রয়াত স্বামীর সরকারি সম্মানী ভাতার টাকা হাতিয়ে নিতে তার চার ছেলে নানাভাবে তাকে মানসিকভাবে নির্যাতন করছিল। সরকারি ভাতা তাদের দিয়ে দেয়ার জন্যও তারা নানাভাবে হুমকি ও চাপ দিচ্ছিল।

এরই জের ধরে মঙ্গলবার দুপুরে ছেলে আয়াতুল্লাহ, আব্দুল্লাহ, মোস্তফা মিয়া ও হানিফা সংঘবদ্ধ হয়ে গ্রামের ডলুরায় একটি চাইল্ড কেয়ারের সামনে মাকে বেধড়ক মারপিট করে।

একপর্যায়ে ছেলেদের মারধর থেকে বাঁচতে চাইল্ড কেয়ারের ভেতর ঢুকে আত্মরক্ষার চেষ্টা করলে সেখানেও ছেলেরা তাকে মারধর করে।

ওই সময় মাকে বাঁচাতে আসলে ছোট ছেলে মোজাফ্ফর মিয়া ও নাতি আব্দুল মজিদ এগিয়ে আসলে তাদেরকেও পিটিয়ে আহত করা হয়।

জহুরা খাতুন আরও জানান, এর আগেও তিনি এ বিষয়ে বিশ্বম্ভরপুর থানায় একটি লিখিত অভিযোগ করেছিলেন। কিন্তু সেটি মুক্তিযোদ্ধা ও স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিরা নিষ্পত্তির চেষ্টা করে ব্যর্থ হয়েছেন।

বিশ্বম্ভরপুর থানার পরিদর্শক (তদন্ত) নবগোপাল দাস বুধবার বিকালে বলেন, 'আমি বিকালে সরজমিনে তদন্তে গিয়ে ঘটনার সত্যতা পেয়েছি। এ বিষয়ে দ্রুত আইনি ব্যবস্থা নেয়া হবে।'

বিডিপ্রেস/আরজে