BDpress

সিরিয়ায় হত্যাযজ্ঞ দেখে চুপ থাকবো না : হুঁশিয়ারি এরদোয়ানের

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অ+ অ-
সিরিয়ায় হত্যাযজ্ঞ দেখে চুপ থাকবো না : হুঁশিয়ারি এরদোয়ানের
সিরিয়ায় বেসামরিক মানুষের প্রাণহানি দেখে আঙ্কারা বসে থাকবে না বলে সতর্ক করে দিয়েছেন তুরস্কের প্রেসিডেন্ট রিসেপ তাইয়েপ এরদোয়ান। শুক্রবার তেহরানে সিরিয়া ইস্যুতে ইরান এবং রাশিয়ার নেতাদের সঙ্গে ত্রিপক্ষীয় এক বৈঠকের পর এ সতর্ক বার্তা দিয়েছেন তিনি।

তেহরানের ওই বৈঠকের প্রেক্ষিতে শুক্রবার একাধিক টুইট করেন এরদোয়ান। তিনি বলেন, এর ফলে বেসামরিক মানুষের জীবন সন্ত্রাসীদের খেলনার বিষয়ে পরিণত হবে।

এরদোয়ান বলেন, হাজার হাজার নিরীহ মানুষকে হত্যার ঘটনা যদি পুরো বিশ্ব না দেখার ভান করে বসে থাকে; তারপরও আমরা এরকম একটি খেলার সঙ্গে নিজেদের জড়াবো না অথবা পাশে বসে শুধু সেটা দেখেও যাবো না।

তিনি বলেন, সিরিয়া যুদ্ধের দীর্ঘস্থায়ী সমাধান, শরণার্থী প্রত্যাবাসন এবং স্বেচ্ছাসেবকের কাজ করার জন্য তুরস্ক প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।

সিরিয়ার শেষ বিদ্রোহী অধ্যূষিত অঞ্চল ইদলিবে মানবিক বিপর্যয়ের প্রেক্ষিতে ইরানের রাজধানী তেহরানে শুক্রবার ইরানের প্রেসিডেন্ট হাসান রুহানি, রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন এবং তুরস্কের প্রেসিডেন্ট এরদোয়ান এক বৈঠকে মিলিত হন।

সিরিয়ার এই প্রদেশটিতে ৩০ লাখের বেশি মানুষ বসবাস করে; যার অর্ধেকের বেশি এখন বাস্তুচ্যুত।

কিন্তু কোনো ফলপ্রসূ আলোচনা ছাড়াই বৈঠক শেষ হয়। বৈঠকে তুরস্ক এ অঞ্চলে যুদ্ধ বিরতির প্রস্তাব দিলে রাশিয়া এবং ইরান তা প্রত্যাখান করে। ফলে ইদলিবে সিরিয়া সরকারের নতুন করে হামলা শুরুর শঙ্কা তৈরি হয়েছে।

রাশিয়া এবং ইরান সিরিয়ার প্রেসিডেন্ট বাশার আল আসাদকে সমর্থন দিয়ে আসছে। অন্যদিকে, তুরস্ক সিরিয়ার কিছু বিদ্রোহী গোষ্ঠীকে সমর্থন দিচ্ছে; যারা আসাদ সরকারের পতন চায়।

সূত্র : আলজাজিরা।

বিডিপ্রেস/আরজে

এ সম্পর্কিত অন্যান্য খবর

BDpress

সিরিয়ায় হত্যাযজ্ঞ দেখে চুপ থাকবো না : হুঁশিয়ারি এরদোয়ানের


সিরিয়ায় হত্যাযজ্ঞ দেখে চুপ থাকবো না : হুঁশিয়ারি এরদোয়ানের

তেহরানের ওই বৈঠকের প্রেক্ষিতে শুক্রবার একাধিক টুইট করেন এরদোয়ান। তিনি বলেন, এর ফলে বেসামরিক মানুষের জীবন সন্ত্রাসীদের খেলনার বিষয়ে পরিণত হবে।

এরদোয়ান বলেন, হাজার হাজার নিরীহ মানুষকে হত্যার ঘটনা যদি পুরো বিশ্ব না দেখার ভান করে বসে থাকে; তারপরও আমরা এরকম একটি খেলার সঙ্গে নিজেদের জড়াবো না অথবা পাশে বসে শুধু সেটা দেখেও যাবো না।

তিনি বলেন, সিরিয়া যুদ্ধের দীর্ঘস্থায়ী সমাধান, শরণার্থী প্রত্যাবাসন এবং স্বেচ্ছাসেবকের কাজ করার জন্য তুরস্ক প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।

সিরিয়ার শেষ বিদ্রোহী অধ্যূষিত অঞ্চল ইদলিবে মানবিক বিপর্যয়ের প্রেক্ষিতে ইরানের রাজধানী তেহরানে শুক্রবার ইরানের প্রেসিডেন্ট হাসান রুহানি, রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন এবং তুরস্কের প্রেসিডেন্ট এরদোয়ান এক বৈঠকে মিলিত হন।

সিরিয়ার এই প্রদেশটিতে ৩০ লাখের বেশি মানুষ বসবাস করে; যার অর্ধেকের বেশি এখন বাস্তুচ্যুত।

কিন্তু কোনো ফলপ্রসূ আলোচনা ছাড়াই বৈঠক শেষ হয়। বৈঠকে তুরস্ক এ অঞ্চলে যুদ্ধ বিরতির প্রস্তাব দিলে রাশিয়া এবং ইরান তা প্রত্যাখান করে। ফলে ইদলিবে সিরিয়া সরকারের নতুন করে হামলা শুরুর শঙ্কা তৈরি হয়েছে।

রাশিয়া এবং ইরান সিরিয়ার প্রেসিডেন্ট বাশার আল আসাদকে সমর্থন দিয়ে আসছে। অন্যদিকে, তুরস্ক সিরিয়ার কিছু বিদ্রোহী গোষ্ঠীকে সমর্থন দিচ্ছে; যারা আসাদ সরকারের পতন চায়।

সূত্র : আলজাজিরা।

বিডিপ্রেস/আরজে