BDpress

পুকুরে মিলল স্কুলছাত্রের নিথর দেহ

জেলা প্রতিবেদক

অ+ অ-
পুকুরে মিলল স্কুলছাত্রের নিথর দেহ
নেত্রকোনার কেন্দুয়া উপজেলার গগডা-আটকান্দিয়া গ্রামের একটি পুকুর থেকে জনি মিয়া (১১) নামে এক স্কুলছাত্রের বস্তাবন্দী মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। নিহত জনি ওই গ্রামের সোবহান মিয়ার ছেলে এবং গগডা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের চতুর্থ শ্রেণির ছাত্র।

রোববার বিকেল সাড়ে ৩টার দিকে কেন্দুয়া থানা পুলিশ মরদেহটি উদ্ধার করে নেত্রকোনা আধুনিক সদর হাসপাতালের মর্গে পাঠিয়ে দেয়।

এলাকাবাসীর বরাত দিয়ে পুলিশ জানায়, গত শুক্রবার বিকেলে জনি খেলার কথা বলে বাড়ি থেকে বের হয়। এরপর আর সে বাড়ি ফিরেনি। পরিবারের সদস্যরা তাকে অনেক খোঁজাখুঁজি করে না পেয়ে থানায় খবর দেয়। রোববার দুপুরে স্থানীয় লোকজন গ্রামের পাশে একটি পুকুরে বস্তাবন্দী মরদেহ ভাসতে দেখে থানায় খবর দেয়। পরে পুলিশে গিয়ে মরদেহটি উদ্ধার করে। পরে পরিবারের সদস্যরা মরদেহটি জনির বলে সনাক্ত করেন। পুলিশের ধারণা পরিবারের সঙ্গে পূর্ব শত্রুতার জের ধরে এ ঘটনা ঘটে থাকতে পারে। তদন্ত করে এর কারণ জানা যাবে।

নেত্রকোনা অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (অপরাধ) মো. শাহজাহান মিয়া জানান, ঘটনাটির সুষ্পষ্ট কোনো ক্লু এখনও পাওয়া যায়নি। তবে নিহত ওই ছাত্রের পরিবারের সঙ্গে একটি পরিবারের মতভেদ রয়েছে বলে শুনা যাচ্ছে। সব বিষয় মাথায় নিয়ে তদন্ত চলছে। মামলার প্রস্তুতি চলছে।

বিডিপ্রেস/আরজে

এ সম্পর্কিত অন্যান্য খবর

BDpress

পুকুরে মিলল স্কুলছাত্রের নিথর দেহ


পুকুরে মিলল স্কুলছাত্রের নিথর দেহ

রোববার বিকেল সাড়ে ৩টার দিকে কেন্দুয়া থানা পুলিশ মরদেহটি উদ্ধার করে নেত্রকোনা আধুনিক সদর হাসপাতালের মর্গে পাঠিয়ে দেয়।

এলাকাবাসীর বরাত দিয়ে পুলিশ জানায়, গত শুক্রবার বিকেলে জনি খেলার কথা বলে বাড়ি থেকে বের হয়। এরপর আর সে বাড়ি ফিরেনি। পরিবারের সদস্যরা তাকে অনেক খোঁজাখুঁজি করে না পেয়ে থানায় খবর দেয়। রোববার দুপুরে স্থানীয় লোকজন গ্রামের পাশে একটি পুকুরে বস্তাবন্দী মরদেহ ভাসতে দেখে থানায় খবর দেয়। পরে পুলিশে গিয়ে মরদেহটি উদ্ধার করে। পরে পরিবারের সদস্যরা মরদেহটি জনির বলে সনাক্ত করেন। পুলিশের ধারণা পরিবারের সঙ্গে পূর্ব শত্রুতার জের ধরে এ ঘটনা ঘটে থাকতে পারে। তদন্ত করে এর কারণ জানা যাবে।

নেত্রকোনা অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (অপরাধ) মো. শাহজাহান মিয়া জানান, ঘটনাটির সুষ্পষ্ট কোনো ক্লু এখনও পাওয়া যায়নি। তবে নিহত ওই ছাত্রের পরিবারের সঙ্গে একটি পরিবারের মতভেদ রয়েছে বলে শুনা যাচ্ছে। সব বিষয় মাথায় নিয়ে তদন্ত চলছে। মামলার প্রস্তুতি চলছে।

বিডিপ্রেস/আরজে