BDpress

বস্তুনিষ্ঠ সংবাদ প্রকাশের আহ্বান শিক্ষামন্ত্রীর

নিজস্ব প্রতিবেদক

অ+ অ-
বস্তুনিষ্ঠ সংবাদ প্রকাশের আহ্বান শিক্ষামন্ত্রীর
বস্তুনিষ্ঠ সংবাদ প্রকাশ করতে সাংবাদিকদের আহ্বান জানিয়ে শিক্ষামন্ত্রী নুরুল ইসলাম নাহিদ বলেছেন, সাধারণ মানুষ বস্তুনিষ্ঠ ও সঠিক সংবাদ জানতে চান। সঠিক সংবাদই আমরা আশা করি।

রোববার সকালে রাজধানীর আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা ইনস্টিটিউট মিলনায়তনে অ্যাডুকেশন রিপোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশন, বাংলাদেশ (ইরাব) এর অভিষেক অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ আহ্বান জানান।

শিক্ষামন্ত্রী নুরুল ইসলাম নাহিদ বলেন, সংবাদপত্র হচ্ছে সমাজের দর্পণ। আমাদের লক্ষ্য অর্জনের সহযাত্রী সাংবাদিকরা। শিক্ষা সাংবাদিকরা শিক্ষা পরিবারের সদস্য। যারা এই সংগঠন গড়ে তুলেছেন কমবেশি সবার সঙ্গে আমার সখ্যতা রয়েছে।

সাংবাদিকরা শিক্ষাকে এগিয়ে নিতে কাজ করছেন মন্তব্য করে নাহিদ বলেন, বিরুদ্ধে যায় এমন সংবাদ ছাপলেও আমরা অখুশি হই না। বরং এ বিষয়টি সম্পর্কে ভালোভাবে জানবার সুযোগ তৈরি হয়। গঠনমূলক সমালোচনা হলে ভুলটাকে সংশোধন করা যায়।

প্রতিদিন সকালে পত্রিকা পড়ে কোনো না কোনো ঘটনা জানতে পারি। প্রতিদিন কোনো না কোনো জেলা ডিসিকে, এসপিদের খোঁজ-খবর নিয়ে জানাতে বলি। জেনে সমাধান দেয়ার চেষ্টা করি। এই সংগঠন হওয়ায় শিক্ষা লাভবান হবে। জাতিও লাভবান হবে।

গঠনমূলক সমালোচনার মাধ্যমে বাংলাদেশের শিক্ষা ব্যবস্থার উন্নয়নে সহায়তা করার আহ্বান জানিয়ে মন্ত্রী বলেন, আমাদের অনেক সমস্যা, ভুল, ত্রুটি আপনারা (সাংবাদিক) সামনে নিয়ে আসেন। আমি ১০ বছর মন্ত্রী থাকা অবস্থায় অনেক সমালোচনা করা হয়েছে। প্রশংসাও করা হয়েছে। অনেক বেশি করে আমাকে তুলে ধরা হয়েছে। কোনো সমালোচনার বিরুদ্ধে আমি প্রতিবাদ দিইনি। আমি শুধু একটি বক্তব্যের ব্যাখ্যা পিআরও’র মাধ্যমে দিয়েছি। আমার বিরুদ্ধে লেখা হলে, ঘটনা সত্য না হলেও আমি সর্তক হই। মনে করি আমাকে ভুল ধরিয়ে দিয়েছেন।

সংগঠনের দাবির প্রেক্ষিতে শিক্ষামন্ত্রী বলেন, অর্থপূর্ণ একটি শিক্ষাব্যবস্থা গড়ে তোলার জন্য প্রযুক্তি শিক্ষার ওপর গুরুত্ব দেয়া হচ্ছে। সেই অনুযায়ী বিষয় ও বিভাগ চালু করা হয়েছে। কয়েকটি বিশেষায়িত বিশ্ববিদ্যালয়ও স্থাপন করা হয়েছে। ইরাবের অফিসের বিষয়টি চূড়ান্ত করা হয়েছে। অন্যান্য বিষয় আলাপ-আলোচনার মাধ্যমে সিদ্ধান্ত নেয়া হবে।

বিশেষ অতিথি হিসেবে অনুষ্ঠান উদ্বোধন করে প্রাথমিক ও গণশিক্ষামন্ত্রী মোস্তাফিজুর রহমান বলেন, সারাদেশের বিদ্যালয় মনিটরিং করা আমাদের পক্ষে সম্ভব না। কোন বিদ্যালয়ের কি চিত্র তা আপনাদের (সাংবাদিক) মাধ্যমে জানতে পারি। আমরা যে কাজ করছি আপনারা তা জাতির সামনে তুলে ধরেন। আমরা ভুল-ত্রুটির ঊর্ধ্বে নই। আপনারা বস্তুনিষ্ঠ সংবাদ তুলে ধরবেন। যা দেখে আমরা কাজ করতে পারি।

তিনি আরও বলেন, কয়েকজন মন্ত্রী দেশটাকে এগিয়ে নিয়ে যেতে পারবে না। কারো একার পক্ষে একটি দেশ নির্মাণ করা সম্ভব নয়। আপনারা দেশের উন্নয়নের এজেন্ট নিয়ে কাজ করেন। আামি আশাকরি সবাই মিলে কাজ করলে জাতির জনকের সোনার বাংলা গড়ে তোলা সম্ভব হবে।

বিশেষ অতিথির বক্তব্যে ইউজিসি চেয়ারম্যান অধ্যাপক আব্দুল মান্নান বলেন, শিক্ষার চেয়ে কোনো খাত গুরুত্বপূর্ণ হতে পারে না। জনগোষ্ঠীকে সম্পদে পরিণত করতে শিক্ষা সাংবাদিকরা কাজ করে চলছে। ৬ কোটি শিক্ষা পরিবারের সদস্য শিক্ষা সাংবাদিকরা। কীভাবে শিক্ষার প্রসার ও মানসম্মত শিক্ষা অর্জন করা যায় তা নিয়ে কাজ করছেন। কোন কোন বিশ্ববিদ্যালয় ভুয়া সনদ বিক্রি করছে তা সাংবাদিকরা তুলে ধরেন। তা আমাদের কাজে উপকার হয়। সাংবাদিকরা সত্য প্রকাশ করেন। তবে এটাও সত্য- সত্য কেউ শুনতে চায় না। অনুরোধ থাকবে কোন ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানের এজেন্ট হয় কাজ না করার।

নোবেল বিজয়ী অমর্ত্য সেনের উদ্ধৃতি দিয়ে অধ্যাপক আব্দুল মান্নান আরও বলেন, যে দেশে মিডিয়া স্বাধীন সে দেশে কখনও কোন অবস্থায় দুর্ভিক্ষ হবে না। একটি দেশের কোথায় কোথায় খাদ্য ঘাটতি আছে। ঘাটতি ঠেকাতে কি কি করতে হবে সাংবাদিকরা তা খুঁজে বের করেন।

মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগের সচিব মো. সোহরাব হোসেন বলেন, আমরা দেশকে এগিয়ে নিতে চাই। একে অপরের পরিপূরক। সবক্ষেত্রে আমাদের উন্নতি হয়েছে। তা দৃশ্যমান। এমডিজির ২০১৫ সালে যা অর্জন করার কথা ছিল ২০১২ সালে আমরা তা অর্জন করেছি। তা সেভাবে প্রচার হয়নি। আমাদের অনেক অর্জন। সেবার মান বেড়েছে। কোন একজন ব্যক্তি এককভাবে অর্জন করতে পারবে না। সংবাদপত্র পথ দেখায়। সবাই দেশকে এগিয়ে নিতে যা যা করা দরকার তা করতে হবে।

ইরাব সভাপতি সিদ্দিকুর রহমান খান সমাপনী বক্তব্যে বলেন, ঢালাওভাবে কোচিং সেন্টার চলছে। নিবন্ধন পরীক্ষার মাধ্যমে কোচিং সেন্টারের অনুমতি দিতে হবে। তবে নিবন্ধিত শিক্ষকরা স্কুল-কলেজে চাকরি করতে পারবেন না। শিক্ষকদের সর্বোচ্চ বেতন দিতে হবে। কলেজ-বিশ্ববিদ্যালয় ইকোনমি বিষয় চালু করতে হবে। সংগঠনের পক্ষে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা এবং শিক্ষা মন্ত্রণালয় থেকে সাংবাদিকদের প্রতিবেদনের জন্য দুটি পুরস্কার চালুর দাবি জানান।

অনুষ্ঠানের শুরুতে অতিথিদের ফুল ও ক্রেস্ট দিয়ে বরণ করা হয়। প্রধান অতিথির ও বিশেষ অতিথি ইরাবের নব- নির্বাচিত নেতাদের ক্রেস্ট দিয়ে বরণ করেন। অনুষ্ঠানের শেষে মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। সচিব মো. সোহরাব হোসেন কবিতা আবৃত্তি করেন। এছাড়া শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের অধীনে বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের কর্মরত কর্মকর্তার সংগীত পরিবেশন করেন।

ইরাবের সাধারণ সম্পাদক সাব্বির নেওয়াজের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য রাখেন- কারিগরি ও মাদরাসা শিক্ষা বিভাগের সচিব মো. আলমগীর, মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদফতরের মহাপরিচালক অধ্যাপক মো. মাহাবুবুর রহমান, ইরাবের সহ-সভাপতি নিজামুল হক। শুভেচ্ছা বক্তব্য রাখেন ইরাবের সহ-সভাপতি মুসতাক আহমদ।

বিডিপ্রেস/আরজে

এ সম্পর্কিত অন্যান্য খবর

BDpress

বস্তুনিষ্ঠ সংবাদ প্রকাশের আহ্বান শিক্ষামন্ত্রীর


বস্তুনিষ্ঠ সংবাদ প্রকাশের আহ্বান শিক্ষামন্ত্রীর

রোববার সকালে রাজধানীর আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা ইনস্টিটিউট মিলনায়তনে অ্যাডুকেশন রিপোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশন, বাংলাদেশ (ইরাব) এর অভিষেক অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ আহ্বান জানান।

শিক্ষামন্ত্রী নুরুল ইসলাম নাহিদ বলেন, সংবাদপত্র হচ্ছে সমাজের দর্পণ। আমাদের লক্ষ্য অর্জনের সহযাত্রী সাংবাদিকরা। শিক্ষা সাংবাদিকরা শিক্ষা পরিবারের সদস্য। যারা এই সংগঠন গড়ে তুলেছেন কমবেশি সবার সঙ্গে আমার সখ্যতা রয়েছে।

সাংবাদিকরা শিক্ষাকে এগিয়ে নিতে কাজ করছেন মন্তব্য করে নাহিদ বলেন, বিরুদ্ধে যায় এমন সংবাদ ছাপলেও আমরা অখুশি হই না। বরং এ বিষয়টি সম্পর্কে ভালোভাবে জানবার সুযোগ তৈরি হয়। গঠনমূলক সমালোচনা হলে ভুলটাকে সংশোধন করা যায়।

প্রতিদিন সকালে পত্রিকা পড়ে কোনো না কোনো ঘটনা জানতে পারি। প্রতিদিন কোনো না কোনো জেলা ডিসিকে, এসপিদের খোঁজ-খবর নিয়ে জানাতে বলি। জেনে সমাধান দেয়ার চেষ্টা করি। এই সংগঠন হওয়ায় শিক্ষা লাভবান হবে। জাতিও লাভবান হবে।

গঠনমূলক সমালোচনার মাধ্যমে বাংলাদেশের শিক্ষা ব্যবস্থার উন্নয়নে সহায়তা করার আহ্বান জানিয়ে মন্ত্রী বলেন, আমাদের অনেক সমস্যা, ভুল, ত্রুটি আপনারা (সাংবাদিক) সামনে নিয়ে আসেন। আমি ১০ বছর মন্ত্রী থাকা অবস্থায় অনেক সমালোচনা করা হয়েছে। প্রশংসাও করা হয়েছে। অনেক বেশি করে আমাকে তুলে ধরা হয়েছে। কোনো সমালোচনার বিরুদ্ধে আমি প্রতিবাদ দিইনি। আমি শুধু একটি বক্তব্যের ব্যাখ্যা পিআরও’র মাধ্যমে দিয়েছি। আমার বিরুদ্ধে লেখা হলে, ঘটনা সত্য না হলেও আমি সর্তক হই। মনে করি আমাকে ভুল ধরিয়ে দিয়েছেন।

সংগঠনের দাবির প্রেক্ষিতে শিক্ষামন্ত্রী বলেন, অর্থপূর্ণ একটি শিক্ষাব্যবস্থা গড়ে তোলার জন্য প্রযুক্তি শিক্ষার ওপর গুরুত্ব দেয়া হচ্ছে। সেই অনুযায়ী বিষয় ও বিভাগ চালু করা হয়েছে। কয়েকটি বিশেষায়িত বিশ্ববিদ্যালয়ও স্থাপন করা হয়েছে। ইরাবের অফিসের বিষয়টি চূড়ান্ত করা হয়েছে। অন্যান্য বিষয় আলাপ-আলোচনার মাধ্যমে সিদ্ধান্ত নেয়া হবে।

বিশেষ অতিথি হিসেবে অনুষ্ঠান উদ্বোধন করে প্রাথমিক ও গণশিক্ষামন্ত্রী মোস্তাফিজুর রহমান বলেন, সারাদেশের বিদ্যালয় মনিটরিং করা আমাদের পক্ষে সম্ভব না। কোন বিদ্যালয়ের কি চিত্র তা আপনাদের (সাংবাদিক) মাধ্যমে জানতে পারি। আমরা যে কাজ করছি আপনারা তা জাতির সামনে তুলে ধরেন। আমরা ভুল-ত্রুটির ঊর্ধ্বে নই। আপনারা বস্তুনিষ্ঠ সংবাদ তুলে ধরবেন। যা দেখে আমরা কাজ করতে পারি।

তিনি আরও বলেন, কয়েকজন মন্ত্রী দেশটাকে এগিয়ে নিয়ে যেতে পারবে না। কারো একার পক্ষে একটি দেশ নির্মাণ করা সম্ভব নয়। আপনারা দেশের উন্নয়নের এজেন্ট নিয়ে কাজ করেন। আামি আশাকরি সবাই মিলে কাজ করলে জাতির জনকের সোনার বাংলা গড়ে তোলা সম্ভব হবে।

বিশেষ অতিথির বক্তব্যে ইউজিসি চেয়ারম্যান অধ্যাপক আব্দুল মান্নান বলেন, শিক্ষার চেয়ে কোনো খাত গুরুত্বপূর্ণ হতে পারে না। জনগোষ্ঠীকে সম্পদে পরিণত করতে শিক্ষা সাংবাদিকরা কাজ করে চলছে। ৬ কোটি শিক্ষা পরিবারের সদস্য শিক্ষা সাংবাদিকরা। কীভাবে শিক্ষার প্রসার ও মানসম্মত শিক্ষা অর্জন করা যায় তা নিয়ে কাজ করছেন। কোন কোন বিশ্ববিদ্যালয় ভুয়া সনদ বিক্রি করছে তা সাংবাদিকরা তুলে ধরেন। তা আমাদের কাজে উপকার হয়। সাংবাদিকরা সত্য প্রকাশ করেন। তবে এটাও সত্য- সত্য কেউ শুনতে চায় না। অনুরোধ থাকবে কোন ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানের এজেন্ট হয় কাজ না করার।

নোবেল বিজয়ী অমর্ত্য সেনের উদ্ধৃতি দিয়ে অধ্যাপক আব্দুল মান্নান আরও বলেন, যে দেশে মিডিয়া স্বাধীন সে দেশে কখনও কোন অবস্থায় দুর্ভিক্ষ হবে না। একটি দেশের কোথায় কোথায় খাদ্য ঘাটতি আছে। ঘাটতি ঠেকাতে কি কি করতে হবে সাংবাদিকরা তা খুঁজে বের করেন।

মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগের সচিব মো. সোহরাব হোসেন বলেন, আমরা দেশকে এগিয়ে নিতে চাই। একে অপরের পরিপূরক। সবক্ষেত্রে আমাদের উন্নতি হয়েছে। তা দৃশ্যমান। এমডিজির ২০১৫ সালে যা অর্জন করার কথা ছিল ২০১২ সালে আমরা তা অর্জন করেছি। তা সেভাবে প্রচার হয়নি। আমাদের অনেক অর্জন। সেবার মান বেড়েছে। কোন একজন ব্যক্তি এককভাবে অর্জন করতে পারবে না। সংবাদপত্র পথ দেখায়। সবাই দেশকে এগিয়ে নিতে যা যা করা দরকার তা করতে হবে।

ইরাব সভাপতি সিদ্দিকুর রহমান খান সমাপনী বক্তব্যে বলেন, ঢালাওভাবে কোচিং সেন্টার চলছে। নিবন্ধন পরীক্ষার মাধ্যমে কোচিং সেন্টারের অনুমতি দিতে হবে। তবে নিবন্ধিত শিক্ষকরা স্কুল-কলেজে চাকরি করতে পারবেন না। শিক্ষকদের সর্বোচ্চ বেতন দিতে হবে। কলেজ-বিশ্ববিদ্যালয় ইকোনমি বিষয় চালু করতে হবে। সংগঠনের পক্ষে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা এবং শিক্ষা মন্ত্রণালয় থেকে সাংবাদিকদের প্রতিবেদনের জন্য দুটি পুরস্কার চালুর দাবি জানান।

অনুষ্ঠানের শুরুতে অতিথিদের ফুল ও ক্রেস্ট দিয়ে বরণ করা হয়। প্রধান অতিথির ও বিশেষ অতিথি ইরাবের নব- নির্বাচিত নেতাদের ক্রেস্ট দিয়ে বরণ করেন। অনুষ্ঠানের শেষে মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। সচিব মো. সোহরাব হোসেন কবিতা আবৃত্তি করেন। এছাড়া শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের অধীনে বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের কর্মরত কর্মকর্তার সংগীত পরিবেশন করেন।

ইরাবের সাধারণ সম্পাদক সাব্বির নেওয়াজের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য রাখেন- কারিগরি ও মাদরাসা শিক্ষা বিভাগের সচিব মো. আলমগীর, মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদফতরের মহাপরিচালক অধ্যাপক মো. মাহাবুবুর রহমান, ইরাবের সহ-সভাপতি নিজামুল হক। শুভেচ্ছা বক্তব্য রাখেন ইরাবের সহ-সভাপতি মুসতাক আহমদ।

বিডিপ্রেস/আরজে