BDpress

আশুলিয়ায় চিরকুট লিখে নব দম্পতির আত্মহত্যা

জেলা প্রতিবেদক

অ+ অ-
আশুলিয়ায় চিরকুট লিখে নব দম্পতির আত্মহত্যা
আশুলিয়া একই ঘরে নব দম্পতির ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ। এ ঘটনায় পুলিশ লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠিয়েছে। লাশের পাশে একটি চিরকুটে লেখা ছিল, আমাদের মৃত্যুর জন্য কেউ দায়ী না।

রোববার দুপুরে শ্রীপুর এলাকায় মজিবর দেওয়ানের ভাড়া বাড়িতে এ ঘটনা ঘটে।

নিহতরা হলেন, এবাদুল (২৬) ফেনী জেলার পরশুরামপুরের চারিগ্রাম এলাকার আ. খালেকের ছেলে ও তার স্ত্রী রুনা আক্তার (২৪) ফেনী জেলার ফুলগাছি থানাধীন বসন্তপুর এলাকার বদিউজ্জামানের মেয়ে।

প্রতিবেশীরা জানায়, উভয়েই আশুলিয়ার পোশাক কারখানায় চাকরি করত। চলতি বছরের এপ্রিলে পারিবারিক সম্মতিতে ১০ লাখ টাকা কাবিনামায় তারা বিয়ে করেন।

রোববার দুপুরে স্বামী ও স্ত্রী গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করে। স্বামী এবাদুলের লাশ ঘরের ভেতরে দরজা বন্ধ অবস্থায় আড়ার সঙ্গে ফাঁস লাগানো ছিল। আর স্ত্রী রুনার লাশ ঘরের সামনে বারান্দায় আড়ার সঙ্গে গলায় ওড়না পেঁচানো অবস্থায় উদ্ধার করা হয়। তবে বারান্দার দরজার খোলা ছিল। কী কারণে তারা আত্মহত্যা করেছে সে ব্যাপারে কোন ক্লু এখনো পর্যন্ত উদ্ধার করা সম্ভব হয়নি।

প্রতিবেশীরা ধারণা করছে পারিবারিক কলহের জেরে তারা আত্মহত্যা করতে পারে। তবে স্বামীর কক্ষে একটি চিরকুটে লেখা রয়েছে আমাদের মৃত্যুর জন্য কেউ দায়ী না।

নিহত রুনার ভগ্নিপতি আরিফ জানান, প্রতিবেশী ভাড়াটে এক নারী টয়লেটে যাওয়ার মুহূর্তে রুনা টয়লেট থেকে বের হন। সে টয়লেটের অভ্যন্তরে ঢুকলেই রুনা টয়লেটের দরজাটি বাইরে থেকে বন্ধ করে দেয়। এরপর রুনা তার কক্ষের বারান্দায় গিয়ে গলায় ওড়না পেঁচিয়ে আত্মহত্যা করে।

বন্ধ টয়লেটের দরজা খোলার জন্য ডাক চিৎকার করলে প্রতিবেশিরা এসে দরজা খুলে দেয়। তারপর রুনার কক্ষের বারান্দায় গেলে সেখানে রুনার ঝুলন্ত লাশ দেখতে পান। তখন তাদের ঘরের দরজা বন্ধ ছিল। সেখানে তার স্বামী এবাদুল গলায় রশি পেঁচিয়ে আত্মহত্যা করেছে। নিহতের লাশ ময়নাতদন্তের জন্য ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে প্রেরন করেছে পুলিশ।

বিডিপ্রেস/আরজে

এ সম্পর্কিত অন্যান্য খবর

BDpress

আশুলিয়ায় চিরকুট লিখে নব দম্পতির আত্মহত্যা


আশুলিয়ায় চিরকুট লিখে নব দম্পতির আত্মহত্যা

রোববার দুপুরে শ্রীপুর এলাকায় মজিবর দেওয়ানের ভাড়া বাড়িতে এ ঘটনা ঘটে।

নিহতরা হলেন, এবাদুল (২৬) ফেনী জেলার পরশুরামপুরের চারিগ্রাম এলাকার আ. খালেকের ছেলে ও তার স্ত্রী রুনা আক্তার (২৪) ফেনী জেলার ফুলগাছি থানাধীন বসন্তপুর এলাকার বদিউজ্জামানের মেয়ে।

প্রতিবেশীরা জানায়, উভয়েই আশুলিয়ার পোশাক কারখানায় চাকরি করত। চলতি বছরের এপ্রিলে পারিবারিক সম্মতিতে ১০ লাখ টাকা কাবিনামায় তারা বিয়ে করেন।

রোববার দুপুরে স্বামী ও স্ত্রী গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করে। স্বামী এবাদুলের লাশ ঘরের ভেতরে দরজা বন্ধ অবস্থায় আড়ার সঙ্গে ফাঁস লাগানো ছিল। আর স্ত্রী রুনার লাশ ঘরের সামনে বারান্দায় আড়ার সঙ্গে গলায় ওড়না পেঁচানো অবস্থায় উদ্ধার করা হয়। তবে বারান্দার দরজার খোলা ছিল। কী কারণে তারা আত্মহত্যা করেছে সে ব্যাপারে কোন ক্লু এখনো পর্যন্ত উদ্ধার করা সম্ভব হয়নি।

প্রতিবেশীরা ধারণা করছে পারিবারিক কলহের জেরে তারা আত্মহত্যা করতে পারে। তবে স্বামীর কক্ষে একটি চিরকুটে লেখা রয়েছে আমাদের মৃত্যুর জন্য কেউ দায়ী না।

নিহত রুনার ভগ্নিপতি আরিফ জানান, প্রতিবেশী ভাড়াটে এক নারী টয়লেটে যাওয়ার মুহূর্তে রুনা টয়লেট থেকে বের হন। সে টয়লেটের অভ্যন্তরে ঢুকলেই রুনা টয়লেটের দরজাটি বাইরে থেকে বন্ধ করে দেয়। এরপর রুনা তার কক্ষের বারান্দায় গিয়ে গলায় ওড়না পেঁচিয়ে আত্মহত্যা করে।

বন্ধ টয়লেটের দরজা খোলার জন্য ডাক চিৎকার করলে প্রতিবেশিরা এসে দরজা খুলে দেয়। তারপর রুনার কক্ষের বারান্দায় গেলে সেখানে রুনার ঝুলন্ত লাশ দেখতে পান। তখন তাদের ঘরের দরজা বন্ধ ছিল। সেখানে তার স্বামী এবাদুল গলায় রশি পেঁচিয়ে আত্মহত্যা করেছে। নিহতের লাশ ময়নাতদন্তের জন্য ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে প্রেরন করেছে পুলিশ।

বিডিপ্রেস/আরজে