BDpress

বিদায়ী টেস্টে ‘বাংলাদেশের গ্লানি’ মনে করালেন কুক

ক্রীড়া ডেস্ক

অ+ অ-
বিদায়ী টেস্টে ‘বাংলাদেশের গ্লানি’ মনে করালেন কুক
দীর্ঘ সাড়ে তিন ঘণ্টার ইনিংসে ২৮৫ বল ধরে আধিপত্যের সাথেই সামলালেন ভারতের মূল বোলারদের, ক্যারিয়ারের শেষ টেস্টে তুলে নেন ৩৩তম সেঞ্চুরিটাও। ২৮৬তম বলে হলো সামান্য ধৈর্য্যচ্যুতি। অভিষিক্ত অফস্পিনার হানুমা বিহারীর অফস্টাম্পের বাইরের বলটা এলো স্বাভাবিকের চেয়ে দ্রুত, কাট করতে চাইলেন তিনি। গড়বড় হলো টাইমিংয়ে। ব্যাটের কাণায় লেগে বল চলে গেল উইকেটরক্ষক রিশাভ পান্টের হাতে।

শেষ! শেষ হলো অ্যালিস্টার কুকের ৩৮৮ মিনিট দীর্ঘ ও ২৮৬ বলের ইনিংস। ১৪ চারের মারে থামলেন ১৪৭ রানে। থেমে গেলো এক যুগ ধরে চলতে থাকা কুক যুগের। নিজের শেষ টেস্টের শেষ ইনিংসে পার্টটাইম বোলারের বোলিংয়ে আউট হওয়ার কথা হয়তো চিন্তাও করেননি কুক, চিন্তা করেনি তার ব্যাটিং উপভোগ করতে থাকা হাজারো দর্শক। সবাই অপেক্ষায় ছিলেন ষষ্ঠ ব্যাটসম্যান হিসেবে বিদায়ী টেস্টে কুকের ডাবল সেঞ্চুরি দেখার।

আর এই ডাবল সেঞ্চুরির সম্ভাবনা থেকেই কুকের বিদায়ী টেস্টে চলে আসে বাংলাদেশের নাম। কারণ টেস্ট ক্রিকেটে শেষবারের মতো যে দুইবার বিদায়ী টেস্টে সেঞ্চুরি হয়েছে, সে দুবারই যে প্রতিপক্ষ ছিলো বাংলাদেশ। টেস্ট ক্রিকেটে বিদায়ী টেস্টে ডাবল সেঞ্চুরির সংখ্যা ৫টি। এর মধ্যে ২০০২ সালে অরভিন্দ ডি সিলভা ও ২০০৬ সালে জেসন গিলেস্পির ক্যারিয়ারের শেষ টেস্টে করা ডাবল সেঞ্চুরি দু'টিই ছিল বাংলাদেশের বিপক্ষে।

এই দুজনের প্রথমজন অর্থ্যাৎ অরভিন্দ ডি সিলভার ডাবল সেঞ্চুরি বাংলাদেশ ক্রিকেটে তেমন কোন আক্ষেপের নাম নয়। তবে শেষ ব্যাটসম্যান হিসেবে যিনি বিদায়ী টেস্টে করেছিলেন ডাবল সেঞ্চুরি তিনি যে ছিলেন মূলত একজন পুরোদস্তুর বোলার। আর সেই বোলারের ব্যাটসম্যান হওয়ার ম্যাচে প্রতিপক্ষের নামটা ছিলো বাংলাদেশ। দেশের ক্রিকেটের অনেক নেতিবাচক রেকর্ডের মধ্যে অন্যতম এটি।

সময়টা ২০০৬ সাল, বাংলাদেশের বিপক্ষে খেলতে অস্ট্রেলিয়া তখন এলো এ দেশে। সিরিজের প্রথম টেস্টে শাহরিয়ার নাফীসের দুর্দান্ত সেঞ্চুরিতে জয়ের সম্ভাবনা জাগিয়েছিল বাংলাদেশ। অ্যাডাম গিলক্রিস্ট ও রিকি পন্টিংয়ের দৃঢ়তায় সে দফায় জয় পায়নি স্বাগতিকরা। তবু চট্টগ্রামের দ্বিতীয় টেস্টকে ঘিরে ছিল তুমুল উত্তেজনা। আশা ছিল এই ম্যাচেও ভালো করবে বাংলাদেশ।

ম্যাচের দিন টসে জিতে আগে ব্যাট করার সিদ্ধান্ত নেন টাইগার অধিনায়ক হাবিবুল বাশার সুমন। জেসন গিলেস্পি, শেন ওয়ার্ন ও স্টুয়ার্ট ম্যাকগিলদের সম্মিলিত প্রচেষ্টায় প্রথম দিনেই অলআউট বাংলাদেশ। দলের পক্ষে সর্বোচ্চ ৭১ রান করেন রাজিন সালেহ, ৩৪ রান আসে খালেদ মাসুদের ব্যাট থেকে।

দিনের শেষভাগে ব্যাট করতে নামে অস্ট্রেলিয়া। দলীয় ৬৭ রানের মাথায় ওপেনার ম্যাথু হেইডেনকে সাজঘরের পথ দেখান মোহাম্মদ রফিক। একদম শেষের দিকে বাকি থাকা কয়েক ওভার সামাল দিয়ে রাত পাহাড়া দিতে পাঠানো হয় 'নাইটওয়াচম্যান' জেসন গিলেস্পিকে। যিনি কিনা শুধু রাতটাই পাহারা দেননি, পাহারা দেন পুরো ম্যাচটাই।

সেদিন ৫ রান করে দিন শেষ করেন গিলেস্পি। বৃষ্টি হানা দেয় দ্বিতীয় দিনে, খেলা হয় মাত্র ৩৫ ওভার। এর মধ্যেই অস্ট্রেলিয়া যোগ করে ১১১ রান, আরও একটি রাত পাহাড়া দিয়ে গিলেস্পি অপরাজিত থাকেন ৪৪ রানে। বৃষ্টির বাঁধায় পুরো ৯০ ওভার খেলা সম্ভব হয়নি তৃতীয় দিনেও। তবে এরই মাঝে মাঠে গড়ানো ৫২ ওভারের মধ্যেই ক্যারিয়ারের প্রথম সেঞ্চুরি তুলে নেন প্রথম দিনের শেষ ভাগে রাত পাহাড়া দিতে নামা গিলেস্পি। দিনশেষে অপরাজিত থাকে ১০২ রানে। মাইক হাসির সাথে অবিচ্ছিন্ন জুটির রান তখন ১৫৪।

১৬৭ রানের লিড নিয়ে চতুর্থ দিনে ব্যাট করতে নামা হাসি ও গিলেস্পি খেলতে থাকেন ব্যাট চালিয়ে। দ্রুতই সেঞ্চুরি পেরিয়ে ব্যক্তিগত দেড়'শ তুলে নেন দুজনই। ৩২০ রানের লম্বা জুটি গড়ে ব্যক্তিগত ১৮২ রানের মাথায় সাজঘরে ফেরেন ব্যাটসম্যান হাসি। ক্যারিয়ারের সেরা ব্যাটিং করতে থাকা বোলার গিলেস্পি তখন অপরাজিত ১৭৪ রানে।

লিড তখন ৩৩৩ রানের হয়ে গেলেও গিলেস্পির কথা ভেবেই ইনিংস ঘোষণা করেননি অজি অধিনায়ক রিকি পন্টিং। অধিনায়কের আস্থার পূর্ণ প্রতিদান দেন গিলেস্পি। হাসি আউট হওয়ার পর আরও ১৪ ওভার ব্যাটিং করে তুলে নেন ক্যারিয়ারের প্রথম ও একমাত্র ডাবল সেঞ্চুরি। মোহাম্মদ রফিককে ফাইন লেগ দিয়ে চার মেরে গিলেস্পি নিজের দ্বিশতক পূরণ করতেই ইনিংস ঘোষণা করেন পন্টিং।

অস্ট্রেলিয়ার সংগ্রহ তখন ৪ উইকেটে ৫৮১, লিড ৩৮৪ রানের। ৫৭৪ মিনিট উইকেটে থেকে ৪২৫ বল মোকাবেলা করে ২০১ রানের অপরাজিত ইনিংস খেলেন গিলেস্পি। ২৬টি চার ও ২টি ছক্কার মারে সাজান নিজের এই ইনিংস।

অবিশ্বাস্য এই ইনিংস খেলার সময় গিলেস্পি নিজেও জানতেন না এটিই হতে যাচ্ছে তার ক্যারিয়ারের শেষ টেস্ট। পরে আর কোনো ম্যাচ খেলার সুযোগ না পাওয়ায় ক্যারিয়ারের সবশেষ টেস্টে ডাবল সেঞ্চুরি করা পঞ্চম ও সর্বশেষ ব্যাটসম্যান হয়ে যান তিনি।

তার আগে ক্যারিয়ারের সবশেষ টেস্টে ২০০ রান করা বাকি চার ব্যাটসম্যান হলেন অ্যান্ডি স্যান্ডহাম (৩২৫), বিল পন্সফোর্ড (২৬৬), সেইমুর নার্স (২৫৮) ও অরভিন্দ ডি সিলভা (২০৬)।

এছাড়াও বিদায়ী ম্যাচে ২০১ রানের ইনিংস খেলা গিলেস্পির ঠাই হয়েছে আরও একটি অনন্য তালিকায়। ক্যারিয়ারের শেষ ম্যাচে অন্তত দুইশ রান করাদের তালিকার নবম ও শেষ অবস্থানে রয়েছে গিলেস্পির নাম। নিজের ক্যারিয়ারের শেষ ম্যাচে ২১৮ (৭১+১৪৭) রান করে এ তালিকায় কুকের অবস্থান ছয় নম্বরে।

বিদায়ী টেস্টে সর্বোচ্চ রান করাদের তালিকা:

৩৭৫ (৩২৫+৫০) - অ্যান্ডি স্যান্ডহাম (১৯৩০, ইংল্যান্ড)

২৮৮ (২৬৬+২২) - বিল পন্সফোর্ড (১৯৩৪, অস্ট্রেলিয়া)

২৫৮ (২৫৮ + ব্যাট করেননি) - সেইমুর নার্স (১৯৬৯, ওয়েস্ট ইন্ডিজ)

২৫১ (১৪০+১১১) - জ্যাক রাসেল (১৯২৩, ইংল্যান্ড)

২২২ (১২৫+৯৭) - পিটার ফন ডার ভিজল (১৯৩৯, দক্ষিণ আফ্রিকা)

২১৮ (৭১+১৪৭) - অ্যালিস্টার কুক (২০১৮, ইংল্যান্ড)

২০৭ (১২৬+৮১) - ব্যারি রিচার্ডস (১৯৭০, দক্ষিণ আফ্রিকা)

২০৬ (২০৬ ও ব্যাট করেননি) - অরভিন্দ ডি সিলভা (২০০২, শ্রীলংকা)

২০১ (২০১* ও ব্যাট করেননি) - জেসন গিলেস্পি (২০০৬, অস্ট্রেলিয়া)

বিডিপ্রেস/আরজে

এ সম্পর্কিত অন্যান্য খবর

BDpress

বিদায়ী টেস্টে ‘বাংলাদেশের গ্লানি’ মনে করালেন কুক


বিদায়ী টেস্টে ‘বাংলাদেশের গ্লানি’ মনে করালেন কুক

শেষ! শেষ হলো অ্যালিস্টার কুকের ৩৮৮ মিনিট দীর্ঘ ও ২৮৬ বলের ইনিংস। ১৪ চারের মারে থামলেন ১৪৭ রানে। থেমে গেলো এক যুগ ধরে চলতে থাকা কুক যুগের। নিজের শেষ টেস্টের শেষ ইনিংসে পার্টটাইম বোলারের বোলিংয়ে আউট হওয়ার কথা হয়তো চিন্তাও করেননি কুক, চিন্তা করেনি তার ব্যাটিং উপভোগ করতে থাকা হাজারো দর্শক। সবাই অপেক্ষায় ছিলেন ষষ্ঠ ব্যাটসম্যান হিসেবে বিদায়ী টেস্টে কুকের ডাবল সেঞ্চুরি দেখার।

আর এই ডাবল সেঞ্চুরির সম্ভাবনা থেকেই কুকের বিদায়ী টেস্টে চলে আসে বাংলাদেশের নাম। কারণ টেস্ট ক্রিকেটে শেষবারের মতো যে দুইবার বিদায়ী টেস্টে সেঞ্চুরি হয়েছে, সে দুবারই যে প্রতিপক্ষ ছিলো বাংলাদেশ। টেস্ট ক্রিকেটে বিদায়ী টেস্টে ডাবল সেঞ্চুরির সংখ্যা ৫টি। এর মধ্যে ২০০২ সালে অরভিন্দ ডি সিলভা ও ২০০৬ সালে জেসন গিলেস্পির ক্যারিয়ারের শেষ টেস্টে করা ডাবল সেঞ্চুরি দু'টিই ছিল বাংলাদেশের বিপক্ষে।

এই দুজনের প্রথমজন অর্থ্যাৎ অরভিন্দ ডি সিলভার ডাবল সেঞ্চুরি বাংলাদেশ ক্রিকেটে তেমন কোন আক্ষেপের নাম নয়। তবে শেষ ব্যাটসম্যান হিসেবে যিনি বিদায়ী টেস্টে করেছিলেন ডাবল সেঞ্চুরি তিনি যে ছিলেন মূলত একজন পুরোদস্তুর বোলার। আর সেই বোলারের ব্যাটসম্যান হওয়ার ম্যাচে প্রতিপক্ষের নামটা ছিলো বাংলাদেশ। দেশের ক্রিকেটের অনেক নেতিবাচক রেকর্ডের মধ্যে অন্যতম এটি।

সময়টা ২০০৬ সাল, বাংলাদেশের বিপক্ষে খেলতে অস্ট্রেলিয়া তখন এলো এ দেশে। সিরিজের প্রথম টেস্টে শাহরিয়ার নাফীসের দুর্দান্ত সেঞ্চুরিতে জয়ের সম্ভাবনা জাগিয়েছিল বাংলাদেশ। অ্যাডাম গিলক্রিস্ট ও রিকি পন্টিংয়ের দৃঢ়তায় সে দফায় জয় পায়নি স্বাগতিকরা। তবু চট্টগ্রামের দ্বিতীয় টেস্টকে ঘিরে ছিল তুমুল উত্তেজনা। আশা ছিল এই ম্যাচেও ভালো করবে বাংলাদেশ।

ম্যাচের দিন টসে জিতে আগে ব্যাট করার সিদ্ধান্ত নেন টাইগার অধিনায়ক হাবিবুল বাশার সুমন। জেসন গিলেস্পি, শেন ওয়ার্ন ও স্টুয়ার্ট ম্যাকগিলদের সম্মিলিত প্রচেষ্টায় প্রথম দিনেই অলআউট বাংলাদেশ। দলের পক্ষে সর্বোচ্চ ৭১ রান করেন রাজিন সালেহ, ৩৪ রান আসে খালেদ মাসুদের ব্যাট থেকে।

দিনের শেষভাগে ব্যাট করতে নামে অস্ট্রেলিয়া। দলীয় ৬৭ রানের মাথায় ওপেনার ম্যাথু হেইডেনকে সাজঘরের পথ দেখান মোহাম্মদ রফিক। একদম শেষের দিকে বাকি থাকা কয়েক ওভার সামাল দিয়ে রাত পাহাড়া দিতে পাঠানো হয় 'নাইটওয়াচম্যান' জেসন গিলেস্পিকে। যিনি কিনা শুধু রাতটাই পাহারা দেননি, পাহারা দেন পুরো ম্যাচটাই।

সেদিন ৫ রান করে দিন শেষ করেন গিলেস্পি। বৃষ্টি হানা দেয় দ্বিতীয় দিনে, খেলা হয় মাত্র ৩৫ ওভার। এর মধ্যেই অস্ট্রেলিয়া যোগ করে ১১১ রান, আরও একটি রাত পাহাড়া দিয়ে গিলেস্পি অপরাজিত থাকেন ৪৪ রানে। বৃষ্টির বাঁধায় পুরো ৯০ ওভার খেলা সম্ভব হয়নি তৃতীয় দিনেও। তবে এরই মাঝে মাঠে গড়ানো ৫২ ওভারের মধ্যেই ক্যারিয়ারের প্রথম সেঞ্চুরি তুলে নেন প্রথম দিনের শেষ ভাগে রাত পাহাড়া দিতে নামা গিলেস্পি। দিনশেষে অপরাজিত থাকে ১০২ রানে। মাইক হাসির সাথে অবিচ্ছিন্ন জুটির রান তখন ১৫৪।

১৬৭ রানের লিড নিয়ে চতুর্থ দিনে ব্যাট করতে নামা হাসি ও গিলেস্পি খেলতে থাকেন ব্যাট চালিয়ে। দ্রুতই সেঞ্চুরি পেরিয়ে ব্যক্তিগত দেড়'শ তুলে নেন দুজনই। ৩২০ রানের লম্বা জুটি গড়ে ব্যক্তিগত ১৮২ রানের মাথায় সাজঘরে ফেরেন ব্যাটসম্যান হাসি। ক্যারিয়ারের সেরা ব্যাটিং করতে থাকা বোলার গিলেস্পি তখন অপরাজিত ১৭৪ রানে।

লিড তখন ৩৩৩ রানের হয়ে গেলেও গিলেস্পির কথা ভেবেই ইনিংস ঘোষণা করেননি অজি অধিনায়ক রিকি পন্টিং। অধিনায়কের আস্থার পূর্ণ প্রতিদান দেন গিলেস্পি। হাসি আউট হওয়ার পর আরও ১৪ ওভার ব্যাটিং করে তুলে নেন ক্যারিয়ারের প্রথম ও একমাত্র ডাবল সেঞ্চুরি। মোহাম্মদ রফিককে ফাইন লেগ দিয়ে চার মেরে গিলেস্পি নিজের দ্বিশতক পূরণ করতেই ইনিংস ঘোষণা করেন পন্টিং।

অস্ট্রেলিয়ার সংগ্রহ তখন ৪ উইকেটে ৫৮১, লিড ৩৮৪ রানের। ৫৭৪ মিনিট উইকেটে থেকে ৪২৫ বল মোকাবেলা করে ২০১ রানের অপরাজিত ইনিংস খেলেন গিলেস্পি। ২৬টি চার ও ২টি ছক্কার মারে সাজান নিজের এই ইনিংস।

অবিশ্বাস্য এই ইনিংস খেলার সময় গিলেস্পি নিজেও জানতেন না এটিই হতে যাচ্ছে তার ক্যারিয়ারের শেষ টেস্ট। পরে আর কোনো ম্যাচ খেলার সুযোগ না পাওয়ায় ক্যারিয়ারের সবশেষ টেস্টে ডাবল সেঞ্চুরি করা পঞ্চম ও সর্বশেষ ব্যাটসম্যান হয়ে যান তিনি।

তার আগে ক্যারিয়ারের সবশেষ টেস্টে ২০০ রান করা বাকি চার ব্যাটসম্যান হলেন অ্যান্ডি স্যান্ডহাম (৩২৫), বিল পন্সফোর্ড (২৬৬), সেইমুর নার্স (২৫৮) ও অরভিন্দ ডি সিলভা (২০৬)।

এছাড়াও বিদায়ী ম্যাচে ২০১ রানের ইনিংস খেলা গিলেস্পির ঠাই হয়েছে আরও একটি অনন্য তালিকায়। ক্যারিয়ারের শেষ ম্যাচে অন্তত দুইশ রান করাদের তালিকার নবম ও শেষ অবস্থানে রয়েছে গিলেস্পির নাম। নিজের ক্যারিয়ারের শেষ ম্যাচে ২১৮ (৭১+১৪৭) রান করে এ তালিকায় কুকের অবস্থান ছয় নম্বরে।

বিদায়ী টেস্টে সর্বোচ্চ রান করাদের তালিকা:

৩৭৫ (৩২৫+৫০) - অ্যান্ডি স্যান্ডহাম (১৯৩০, ইংল্যান্ড)

২৮৮ (২৬৬+২২) - বিল পন্সফোর্ড (১৯৩৪, অস্ট্রেলিয়া)

২৫৮ (২৫৮ + ব্যাট করেননি) - সেইমুর নার্স (১৯৬৯, ওয়েস্ট ইন্ডিজ)

২৫১ (১৪০+১১১) - জ্যাক রাসেল (১৯২৩, ইংল্যান্ড)

২২২ (১২৫+৯৭) - পিটার ফন ডার ভিজল (১৯৩৯, দক্ষিণ আফ্রিকা)

২১৮ (৭১+১৪৭) - অ্যালিস্টার কুক (২০১৮, ইংল্যান্ড)

২০৭ (১২৬+৮১) - ব্যারি রিচার্ডস (১৯৭০, দক্ষিণ আফ্রিকা)

২০৬ (২০৬ ও ব্যাট করেননি) - অরভিন্দ ডি সিলভা (২০০২, শ্রীলংকা)

২০১ (২০১* ও ব্যাট করেননি) - জেসন গিলেস্পি (২০০৬, অস্ট্রেলিয়া)

বিডিপ্রেস/আরজে