BDpress

উপকূলীয় এলাকার সাক্ষরতা কাগজে কলমে

জেলা প্রতিবেদক

অ+ অ-
উপকূলীয় এলাকার সাক্ষরতা কাগজে কলমে
দেশে বর্তমানে সাক্ষরতার পরিমাণ ৭২ দশমিক হলেও পটুয়াখালীসহ উপকূলীয় এলাকার বিচ্ছিন্ন চরগুলোতে এ হার ৫০ শতাংশের নিচে। প্রত্যন্ত এসব এলাকার বেশির ভাগ মানুষ এখনও শিক্ষার আলো থেকে বঞ্চিত। সাক্ষরতা বাড়াতে বর্তমান সরকার বিভিন্ন পদক্ষেপ হাতে নিলেও উপকূলীয় এলাকায় তা আছে শুধু কাগজে কলমে।

দেশের উপকূলীয় অঞ্চলের বিভিন্ন এলাকার মানুষ এখনও শিক্ষা স্বাস্থ্যসহ মৌলিক অধিকার থেকে বঞ্চিত। যেখানে দেশে সাক্ষরতার হার সরকারি হিসেবে ৭২ দশমিক ৯ শতাংশ সেখানে এসব এলাকায় গড়ে তা ৫০ শতাংশের নিচে। পটুয়াখালীর প্রত্যন্ত চর অঞ্চলে এখনও অক্ষর জ্ঞান অর্জন করতে পারেনি অনেক মানুষ। শিক্ষা বঞ্চিত এসব মানুষ এখনও টিপ সইয়ের ওপর নির্ভর ফলে বিভিন্ন ক্ষেত্রে তারা প্রতারণার স্বীকার হচ্ছেন।

২০১১ সালের সর্বশেষ জরিপ অনুসারে, পটুয়াখালী জেলার সাক্ষরতার হার ৫৪ দশমিক ১ শতাংশ কিন্তু প্রত্যন্ত চরে এহার অনেক কম। তবে পটুয়াখালী জেলার বাউফল, দশমিনা ও রাঙ্গাবালী উপজেলায় সাক্ষরতার হার বাড়াতে কাজ করছে জেলা উপানুষ্ঠানিক শিক্ষা ব্যুরো।

বাউফলের চন্দ্রদীপের বাসিন্দা মোসলেম ব্যাপারী বলেন, রাস্তা নেই সব জায়গায় পানি। বাচ্চারা স্কুলে গেলে বই পুস্তক নিয়ে ভিজে বাসায় আসে। তারা সময় মতো স্কুলেও যেতে পারে না।

রাঙ্গাবালী এলাকার বাসিন্দা মোবাচ্ছের হক বলেন, অভাবের কারণে বাবা-মা পড়াশুনা করাতে পারে নাই। আমাদেরও এখন একই অবস্থা অভাবের কারণে ছেলেকে কাজে নামাইছি।

জেলা উপানুষ্ঠানিক শিক্ষা ব্যুরো সহকারী পরিচালক পারভেজ আক্তার খান বলেন, আমাদের মৌলিক সাক্ষরতা প্রকল্পের একটি প্রজেক্ট মাঠ পর্যায়ে চলমান রয়েছে।

জেলা প্রশাসক ড. মো. মাছুমুর রহমান বলেন, একটি গ্রামকে অতি শিগগিরই আমরা শতভাগ অক্ষর জ্ঞান সম্পন্ন বা তারা সাক্ষর করতে পারে এই বাস্তবতায় ফিরে যাবো। এই অবস্থায় অশিক্ষা আর দারিদ্রতার হাত থেকে ভবিষৎ প্রজন্মকে রক্ষায় এখনই বিশেষ প্রকল্প প্রণয়নও সঠিক বাস্তবায়ন প্রয়োজন বলে মনে করেন সংশ্লিষ্টরা।

বিডিপ্রেস/আরজে

এ সম্পর্কিত অন্যান্য খবর

BDpress

উপকূলীয় এলাকার সাক্ষরতা কাগজে কলমে


উপকূলীয় এলাকার সাক্ষরতা কাগজে কলমে

দেশের উপকূলীয় অঞ্চলের বিভিন্ন এলাকার মানুষ এখনও শিক্ষা স্বাস্থ্যসহ মৌলিক অধিকার থেকে বঞ্চিত। যেখানে দেশে সাক্ষরতার হার সরকারি হিসেবে ৭২ দশমিক ৯ শতাংশ সেখানে এসব এলাকায় গড়ে তা ৫০ শতাংশের নিচে। পটুয়াখালীর প্রত্যন্ত চর অঞ্চলে এখনও অক্ষর জ্ঞান অর্জন করতে পারেনি অনেক মানুষ। শিক্ষা বঞ্চিত এসব মানুষ এখনও টিপ সইয়ের ওপর নির্ভর ফলে বিভিন্ন ক্ষেত্রে তারা প্রতারণার স্বীকার হচ্ছেন।

২০১১ সালের সর্বশেষ জরিপ অনুসারে, পটুয়াখালী জেলার সাক্ষরতার হার ৫৪ দশমিক ১ শতাংশ কিন্তু প্রত্যন্ত চরে এহার অনেক কম। তবে পটুয়াখালী জেলার বাউফল, দশমিনা ও রাঙ্গাবালী উপজেলায় সাক্ষরতার হার বাড়াতে কাজ করছে জেলা উপানুষ্ঠানিক শিক্ষা ব্যুরো।

বাউফলের চন্দ্রদীপের বাসিন্দা মোসলেম ব্যাপারী বলেন, রাস্তা নেই সব জায়গায় পানি। বাচ্চারা স্কুলে গেলে বই পুস্তক নিয়ে ভিজে বাসায় আসে। তারা সময় মতো স্কুলেও যেতে পারে না।

রাঙ্গাবালী এলাকার বাসিন্দা মোবাচ্ছের হক বলেন, অভাবের কারণে বাবা-মা পড়াশুনা করাতে পারে নাই। আমাদেরও এখন একই অবস্থা অভাবের কারণে ছেলেকে কাজে নামাইছি।

জেলা উপানুষ্ঠানিক শিক্ষা ব্যুরো সহকারী পরিচালক পারভেজ আক্তার খান বলেন, আমাদের মৌলিক সাক্ষরতা প্রকল্পের একটি প্রজেক্ট মাঠ পর্যায়ে চলমান রয়েছে।

জেলা প্রশাসক ড. মো. মাছুমুর রহমান বলেন, একটি গ্রামকে অতি শিগগিরই আমরা শতভাগ অক্ষর জ্ঞান সম্পন্ন বা তারা সাক্ষর করতে পারে এই বাস্তবতায় ফিরে যাবো। এই অবস্থায় অশিক্ষা আর দারিদ্রতার হাত থেকে ভবিষৎ প্রজন্মকে রক্ষায় এখনই বিশেষ প্রকল্প প্রণয়নও সঠিক বাস্তবায়ন প্রয়োজন বলে মনে করেন সংশ্লিষ্টরা।

বিডিপ্রেস/আরজে