BDpress

যুক্তরাষ্ট্রে ওষুধ রপ্তানি করবে ইবনে সিনা

বিডিপ্রেস ডেস্ক

অ+ অ-
যুক্তরাষ্ট্রে ওষুধ রপ্তানি করবে ইবনে সিনা
দেশের তৃতীয় কোম্পানি হিসেবে যুক্তরাষ্ট্রে ওষুধ রপ্তানির অনুমতি পেয়েছে ইবনে সিনা ফার্মাসিউটিক্যাল ইন্ডাস্ট্রি লিমিটেড। কোম্পানির ১০টি ওষুধ দেশটির খাদ্য ও ওষুধ প্রশাসনে নিবন্ধিত হয়েছে। আগামী ২ থেকে ৩ মাসের মধ্যে রপ্তানির প্রথম চালান যুক্তরাষ্ট্রে পাঠানো হবে।

ইবনে সিনা ফার্মাসিউটিক্যালের বৃহস্পতিবারবার্ষিক সাধারণ সভায় (এজিএম) এই তথ্য জানিয়েছেন কোম্পানির ব্যবস্থাপনা পরিচালক অধ্যাপক ডা. এ কে এম সদরুল ইসলাম।

তিনি জানিয়েছেন, ইউএস এফডিএ’র অনুমোদন পাওয়া সবগুলো ওষুধই হচ্ছে ওটিসি জাতীয় ওষুধ। কোম্পানিটি প্রেসক্রিপশন-ওষুধ রপ্তানিরও চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। অনুমোদন পেলে প্রথম দিকে অন্য কোনো কোম্পানির কারখানায় ওষুধ উৎপাদন করে সেগুলো রপ্তানি করা হবে। পরে কোম্পানির পরিকল্পনাধীন নতুন প্ল্যান্ট স্থাপন তা সরিয়ে নেওয়া হবে। অর্থাৎ নতুন প্ল্যান্ট স্থাপিত হলে সেখানে উৎপাদিত ওষুধই রপ্তানি করা হবে।

ইবনে সিনা একটি নতুন প্ল্যান্ট স্থাপনের কাজ প্রায় শেষ করে এনেছে। সত্তুর কোটি টাকা ব্যয়ে নির্মাণাধীন এই প্রকল্পের কাজ চলতি বছরের মধ্যেই শেষ হবে বলে আশা করেন কোম্পানির ব্যবস্থাপনা পরিচালক। তার মতে, ২০১৯ সালের শুরুর দিকে কোম্পানির নতুন প্ল্যান্ট চালু হবে। আর সেটি চালু হলে ৫০/৬০টি নতুন প্রোডাক্ট উৎপাদন করা সম্ভব হবে।

অন্যদিকে কোম্পানিটি ভবিষ্যত সম্প্রসারণের বিষয়টি মাথায় রেখে গাজীপুরের মাওনায় ৫০ বিঘা জমি কিনেছে। সেখানে ইনজেকশন ও স্যালাইন উৎপাদন ইউনিট, অনকোলজি বা ক্যান্সারের ওষুধ উৎপাদনের ইউনিট, অফথালমোজি বা চোখের রোগের ওষুধ ইত্যাদি পণ্য উৎপাদন হবে।
বিডিপ্রেস/আলী

এ সম্পর্কিত অন্যান্য খবর

BDpress

যুক্তরাষ্ট্রে ওষুধ রপ্তানি করবে ইবনে সিনা


যুক্তরাষ্ট্রে ওষুধ রপ্তানি করবে ইবনে সিনা

ইবনে সিনা ফার্মাসিউটিক্যালের বৃহস্পতিবারবার্ষিক সাধারণ সভায় (এজিএম) এই তথ্য জানিয়েছেন কোম্পানির ব্যবস্থাপনা পরিচালক অধ্যাপক ডা. এ কে এম সদরুল ইসলাম।

তিনি জানিয়েছেন, ইউএস এফডিএ’র অনুমোদন পাওয়া সবগুলো ওষুধই হচ্ছে ওটিসি জাতীয় ওষুধ। কোম্পানিটি প্রেসক্রিপশন-ওষুধ রপ্তানিরও চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। অনুমোদন পেলে প্রথম দিকে অন্য কোনো কোম্পানির কারখানায় ওষুধ উৎপাদন করে সেগুলো রপ্তানি করা হবে। পরে কোম্পানির পরিকল্পনাধীন নতুন প্ল্যান্ট স্থাপন তা সরিয়ে নেওয়া হবে। অর্থাৎ নতুন প্ল্যান্ট স্থাপিত হলে সেখানে উৎপাদিত ওষুধই রপ্তানি করা হবে।

ইবনে সিনা একটি নতুন প্ল্যান্ট স্থাপনের কাজ প্রায় শেষ করে এনেছে। সত্তুর কোটি টাকা ব্যয়ে নির্মাণাধীন এই প্রকল্পের কাজ চলতি বছরের মধ্যেই শেষ হবে বলে আশা করেন কোম্পানির ব্যবস্থাপনা পরিচালক। তার মতে, ২০১৯ সালের শুরুর দিকে কোম্পানির নতুন প্ল্যান্ট চালু হবে। আর সেটি চালু হলে ৫০/৬০টি নতুন প্রোডাক্ট উৎপাদন করা সম্ভব হবে।

অন্যদিকে কোম্পানিটি ভবিষ্যত সম্প্রসারণের বিষয়টি মাথায় রেখে গাজীপুরের মাওনায় ৫০ বিঘা জমি কিনেছে। সেখানে ইনজেকশন ও স্যালাইন উৎপাদন ইউনিট, অনকোলজি বা ক্যান্সারের ওষুধ উৎপাদনের ইউনিট, অফথালমোজি বা চোখের রোগের ওষুধ ইত্যাদি পণ্য উৎপাদন হবে।
বিডিপ্রেস/আলী