BDpress

ফুলপুরে খাল খননে সহস্রাধিক কৃষকের ভাগ্য উন্নয়ন

জেলা প্রতিবেদক

অ+ অ-
ফুলপুরে খাল খননে সহস্রাধিক কৃষকের ভাগ্য উন্নয়ন
ময়মনসিংহের ফুলপুরে মাত্র এক কিলোমিটার খাল খননের ফলে কয়েক গ্রামের সহস্রাধিক কৃষকের ভাগ্য উন্নয়নের পথ সুগম হবে। কৃষিখাতে উন্মোচিত হবে এক নয়া দিগন্তের। ব্রহ্মপুত্র থেকে বের হয়ে আসা খরিয়া নদীর শাখা ওই খালটি উপজেলার রামভদ্রপুর ইউনিয়নের চরবাহাদুরপর গ্রামের মাঝখান দিয়ে বয়ে গেছে।

এই খালটি বহু বছর ধরে খনন করা হয়নি।  এবার চরনিয়ামত গ্রামের পূর্ব মাথা থেকে শুরু করে ফাঁসির ডোবা পর্যন্ত খালটি খননের উদ্যোগ নেয়া হয়েছে।  ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান রোকনুজ্জামান রোকন এ কাজের উদ্যোগ নেন।  খালটি খননের ফলে রামভদ্রপুর, চরবাহাদুরপুর, চরনিয়ামত, কুড়হার ডোবা ও ফাঁসির ডোবাসহ আশপাশ এলাকায় জমে থাকা পানি নিষ্কাশন ও সময়মত সেচ সুবিধা বৃদ্ধি পাবে।

সরেজমিনে গিয়ে কথা হয় চরবাহাদুরপুর গ্রামের গিয়াস উদ্দিন, আক্কাস আলী, আবু তাহের, মোশাররফ হোসেন আকন্দ ও মঞ্জু পুলিশের সাথে।  এ ব্যাপারে স্থানীয় কৃষকরা জানান, এই খালটি খননের ফলে বর্ষাকালের বাড়তি পানি নেমে যাবে।  এতে ফসল নষ্ট হবে না।  চৈত্র মাসেও পানি পাওয়া যাবে।  কৃষি কাজে বিরাট সুবিধা পাওয়া যাবে এবং খাল খননের ফলে খালের উভয় পাশের সহস্রাধিক কৃষক উপকৃত হবে। 

ইউপি চেয়ারম্যান রোকনুজ্জামান রোকন বলেন, কৃষকদের সেচ সুবিধার কথা চিন্তা করেই নিজ উদ্যোগে এলাকাবাসীকে নিয়ে কাজটি শুরু করেছি।  এর ফলে কৃষকদের ভাগ্য উন্নয়নের পথ সুগম হবে।  খাল খননের ফলে প্রায় ১০ গ্রামের কয়েকশ কৃষক উপকৃত হবে বলেও তিনি জানান।
বিডিপ্রেস/আলী


এ সম্পর্কিত অন্যান্য খবর

BDpress

ফুলপুরে খাল খননে সহস্রাধিক কৃষকের ভাগ্য উন্নয়ন


ফুলপুরে খাল খননে সহস্রাধিক কৃষকের ভাগ্য উন্নয়ন

এই খালটি বহু বছর ধরে খনন করা হয়নি।  এবার চরনিয়ামত গ্রামের পূর্ব মাথা থেকে শুরু করে ফাঁসির ডোবা পর্যন্ত খালটি খননের উদ্যোগ নেয়া হয়েছে।  ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান রোকনুজ্জামান রোকন এ কাজের উদ্যোগ নেন।  খালটি খননের ফলে রামভদ্রপুর, চরবাহাদুরপুর, চরনিয়ামত, কুড়হার ডোবা ও ফাঁসির ডোবাসহ আশপাশ এলাকায় জমে থাকা পানি নিষ্কাশন ও সময়মত সেচ সুবিধা বৃদ্ধি পাবে।

সরেজমিনে গিয়ে কথা হয় চরবাহাদুরপুর গ্রামের গিয়াস উদ্দিন, আক্কাস আলী, আবু তাহের, মোশাররফ হোসেন আকন্দ ও মঞ্জু পুলিশের সাথে।  এ ব্যাপারে স্থানীয় কৃষকরা জানান, এই খালটি খননের ফলে বর্ষাকালের বাড়তি পানি নেমে যাবে।  এতে ফসল নষ্ট হবে না।  চৈত্র মাসেও পানি পাওয়া যাবে।  কৃষি কাজে বিরাট সুবিধা পাওয়া যাবে এবং খাল খননের ফলে খালের উভয় পাশের সহস্রাধিক কৃষক উপকৃত হবে। 

ইউপি চেয়ারম্যান রোকনুজ্জামান রোকন বলেন, কৃষকদের সেচ সুবিধার কথা চিন্তা করেই নিজ উদ্যোগে এলাকাবাসীকে নিয়ে কাজটি শুরু করেছি।  এর ফলে কৃষকদের ভাগ্য উন্নয়নের পথ সুগম হবে।  খাল খননের ফলে প্রায় ১০ গ্রামের কয়েকশ কৃষক উপকৃত হবে বলেও তিনি জানান।
বিডিপ্রেস/আলী