BDpress

ভারতের সাবেক প্রতিরক্ষামন্ত্রী জর্জ ফার্নান্ডেজ আর নেই

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অ+ অ-
ভারতের সাবেক প্রতিরক্ষামন্ত্রী জর্জ ফার্নান্ডেজ আর নেই
চলে গেলেন ভারতের সাবেক প্রতিরক্ষামন্ত্রী জর্জ ম্যাথিউ ফার্নান্ডেজ। মঙ্গলবার সকালে দিল্লিতে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন তিনি। মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল ৮৮ বছর। গত কয়েক বছর ধরেই তিনি অসুস্থ ছিলেন। এছাড়াও তিনি সোয়াইন ফ্লুতে আক্রান্ত ছিলেন।

১৯৩০ সালের ৩ জুন কর্নাটকের ম্যাঙ্গালোরে জন্মগ্রহণ করেন ফার্নান্ডেজ। শ্রমিক আন্দোলনের প্রথম সারির মুখ ছিলেন তিনি। পাশাপাশি রাজনীতিবিদ, সাংবাদিক, কৃষিবিদ হিসাবে সুখ্যাতি ছিল তার। ১৯৬৭ সালে প্রথমবার লোকসভার সাংসদ নির্বাচিত হন। বিহার থেকে রাজ্য সভার সাংসদও হন তিনি। সমতা পার্টি তৈরির করা আগে পর্যন্ত তিনি ছিলেন জনতা দলের অন্যতম সদস্য। অভিজ্ঞ এই রাজনীতিবিদ যোগাযোগ, শিল্প, রেলসহ বিভিন্ন সময়ে কেন্দ্রীয় সরকারের  মন্ত্রী ছিলেন তিনি।

১৯৮৯ থেকে ২০০৪ সাল অটল বিহারী বাজপেয়ীর নেতৃত্বাধীন এনডিএ সরকারের শাসনকালে তিনি প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব সামলেছেন তিনি। এসময়ই ভারত-পাকিস্তানের মধ্যে কার্গিল যুদ্ধ হয়, পোখরানে পরমাণু পরীক্ষাও করা হয় ওই সময়। তবে একাধিক কলঙ্কেও ফার্নান্ডেজের নাম জড়িয়েছিল। বারাক মিসাইল কেলেঙ্কারি, কফিন কেলেঙ্কারি ও তহেলকা কেলেঙ্কারির ঘটনায় তার নাম উঠে আসে।

১৯৭৫ সালে ইন্দিরা গান্ধীর সরকারের শাসনকালে জরুরি অবস্থা জারির সময় গ্রেফতার বরণও করতে হয়েছিল তাকে। কারাগারে থাকাকালীন সময়েই ১৯৭৭ সালে বিহারের মুজাফফরপুর কেন্দ্র থেকে বিপুল ভোটে জয়লাভ করেছিলেন ফার্নান্ডেজ। এরপর কেন্দ্রে জনতা পার্টির মন্ত্রিসভায় শিল্পমন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছিল তাকে।

এই প্রবীণ রাজনীতিবিদের মৃত্যুতে গভীর শোক প্রকাশ করেছেন দেশটির প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি।
বিডিপ্রেস/আলী



এ সম্পর্কিত অন্যান্য খবর

BDpress

ভারতের সাবেক প্রতিরক্ষামন্ত্রী জর্জ ফার্নান্ডেজ আর নেই


ভারতের সাবেক প্রতিরক্ষামন্ত্রী জর্জ ফার্নান্ডেজ আর নেই

১৯৩০ সালের ৩ জুন কর্নাটকের ম্যাঙ্গালোরে জন্মগ্রহণ করেন ফার্নান্ডেজ। শ্রমিক আন্দোলনের প্রথম সারির মুখ ছিলেন তিনি। পাশাপাশি রাজনীতিবিদ, সাংবাদিক, কৃষিবিদ হিসাবে সুখ্যাতি ছিল তার। ১৯৬৭ সালে প্রথমবার লোকসভার সাংসদ নির্বাচিত হন। বিহার থেকে রাজ্য সভার সাংসদও হন তিনি। সমতা পার্টি তৈরির করা আগে পর্যন্ত তিনি ছিলেন জনতা দলের অন্যতম সদস্য। অভিজ্ঞ এই রাজনীতিবিদ যোগাযোগ, শিল্প, রেলসহ বিভিন্ন সময়ে কেন্দ্রীয় সরকারের  মন্ত্রী ছিলেন তিনি।

১৯৮৯ থেকে ২০০৪ সাল অটল বিহারী বাজপেয়ীর নেতৃত্বাধীন এনডিএ সরকারের শাসনকালে তিনি প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব সামলেছেন তিনি। এসময়ই ভারত-পাকিস্তানের মধ্যে কার্গিল যুদ্ধ হয়, পোখরানে পরমাণু পরীক্ষাও করা হয় ওই সময়। তবে একাধিক কলঙ্কেও ফার্নান্ডেজের নাম জড়িয়েছিল। বারাক মিসাইল কেলেঙ্কারি, কফিন কেলেঙ্কারি ও তহেলকা কেলেঙ্কারির ঘটনায় তার নাম উঠে আসে।

১৯৭৫ সালে ইন্দিরা গান্ধীর সরকারের শাসনকালে জরুরি অবস্থা জারির সময় গ্রেফতার বরণও করতে হয়েছিল তাকে। কারাগারে থাকাকালীন সময়েই ১৯৭৭ সালে বিহারের মুজাফফরপুর কেন্দ্র থেকে বিপুল ভোটে জয়লাভ করেছিলেন ফার্নান্ডেজ। এরপর কেন্দ্রে জনতা পার্টির মন্ত্রিসভায় শিল্পমন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছিল তাকে।

এই প্রবীণ রাজনীতিবিদের মৃত্যুতে গভীর শোক প্রকাশ করেছেন দেশটির প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি।
বিডিপ্রেস/আলী