BDpress

গিনেস বুকে বাংলাদেশের অসাধারণ কয়েকটি রেকর্ড

বিডিপ্রেস ডেস্ক

অ+ অ-
গিনেস বুকে বাংলাদেশের অসাধারণ কয়েকটি রেকর্ড
‘গিনেস ওয়ার্ল্ড রেকর্ডস’-এর ওয়েবসাইটে এসব রেকর্ডের কথা আছে। গিনেস বলছে, ওয়েবসাইটে যে রেকর্ডগুলোর তালিকা আছে, সেগুলো সব হালনাগাদ।

সবচেয়ে পাতলা দেশ
রাষ্ট্রতো আর পাতলা হতে পারে না, পাতলা হতে পারে তার মানুষ৷ সেই হিসেবে ২০১০ সালে বিশ্বের ‘সবচেয়ে পাতলা দেশ’ হিসেবে বাংলাদেশের নাম ওঠে গিনেস বইয়ে। সেই সময় মেয়েদের গড় বিএমআই (বডি ম্যাস ইনডেক্স) ছিল ২০.৫, আর পুরুষদের ২০.৪।

সবচেয়ে ভারি শিল

১৯৮৬ সালের ১৪ এপ্রিল গোপালগঞ্জে শিলাবৃষ্টি হয়েছিল। সেই সময় যে শিল পড়েছিল তার কোনো কোনোটির ওজন ছিল প্রায় এক কেজি। ওই দিন ৯২ জন নিহত হয়েছিলেন।

পাঁচ ভাই বিয়ে করেন পাঁচ বোনকে

১৯৭৭ থেকে ১৯৯৬ সালের মধ্যে নরেন্দ্র নাথ ও তারামনি রায় দম্পতির পাঁচ মেয়ের সঙ্গে তারাপদ কর্মকার ও খানা রানি রায় দম্পতির পাঁচ ছেলের বিয়ে সম্পন্ন হয়।

ফুটবল শৈলী

রোলার স্কেটের উপর দাঁড়িয়ে মাথার উপর ফুটবল নিয়ে ২৭.৬৬ সেকেন্ডে ১০০ মিটার পার হয়েছেন আব্দুল হালিম। ২০১৫ সালের ২২ নভেম্বর ঢাকা রেলওয়ে স্টেশনে এই নৈপুণ্য দেখান তিনি।

দীর্ঘতম মানববন্ধন

২০০৪ সালের ১১ ডিসেম্বর ৫০ লক্ষেরও বেশি মানুষ একজন আরেকজনের হাত ধরে দাঁড়িয়েছিলেন। সরকারের বিরুদ্ধে ‘অনাস্থা’ প্রকাশের এই কর্মসূচির আয়োজনে ছিল আওয়ামী লীগ। টেকনাফ থেকে তেঁতুলিয়া পর্যন্ত এই মানববন্ধন ১,০৫০ কিলোমিটার দীর্ঘ ছিল।

বন্যায় রেকর্ড সংখ্যক গৃহহীন মানুষ

১৯৯৮ সালে বাংলাদেশের প্রায় ৫৭ শতাংশ এলাকা বন্যা কবলিত হয়েছিল। সেই সময় প্রায় ২৫ মিলিয়ন মানুষ গৃহহীন হয়ে পড়েছিল।

সাইকেল চালিয়ে রেকর্ডবুকে

এক সারিতে একসঙ্গে ১,১৮৬ জন সাইকেল চালিয়ে গিনেস ওয়ার্ল্ড রেকর্ডসে ঠাঁই পেয়েছে বাংলাদেশে সাইক্লিস্টদের অন্যতম বড় সংগঠন ‘বিডিসাইক্লিস্টস’। বিজয় দিবসে সংগঠনটি এই সাইকেল চালনার আয়োজন করেছিল।

জনসংখ্যার ঘনত্ব সবচেয়ে বেশি

গিনেস বলছে, ২০১০ সালে বাংলাদেশের মোট জনসংখ্যা ছিল ১৬ কোটি ২২ লাখ ২১ হাজার। দেশটির আয়তন ৫৫ হাজার ৬০০ বর্গকিলোমিটার। সেই হিসেবে বাংলাদেশে প্রতি বর্গকিলোমিটারে বাস করেন ২,৯১৮ জন।

লাখো কন্ঠে জাতীয় সংগীত

২০১৪ সালের ২৬ মার্চ সংস্কৃতি মন্ত্রণালয়ের উদ্যোগে এবং সশস্ত্র বাহিনী বিভাগের সহায়তায় লাখো কণ্ঠে সোনার বাংলা গাওয়ার ১৩ দিন পর গিনেসের রেকর্ডবুকে জায়গা হয়। জাতীয় প্যারেড গ্রাউন্ডে ঢোকার সময় স্বয়ংক্রিয় যান্ত্রিক গণনা অনুসারে লোক হয়েছিল ২ লাখ ৫৪ হাজার ৬৮১ জন। এতেই আগের বছরের ৬ মে ভারতে সাহারা গ্রুপের আয়োজনে এক লাখ ২২ হাজার লোকের একসঙ্গে জাতীয় সংগীত গাওয়ার রেকর্ডটি ভেঙে নতুন বিশ্বরেকর্ড হয়।
বিডিপ্রেস/আলী


এ সম্পর্কিত অন্যান্য খবর

BDpress

গিনেস বুকে বাংলাদেশের অসাধারণ কয়েকটি রেকর্ড


গিনেস বুকে বাংলাদেশের অসাধারণ কয়েকটি রেকর্ড

সবচেয়ে পাতলা দেশ
রাষ্ট্রতো আর পাতলা হতে পারে না, পাতলা হতে পারে তার মানুষ৷ সেই হিসেবে ২০১০ সালে বিশ্বের ‘সবচেয়ে পাতলা দেশ’ হিসেবে বাংলাদেশের নাম ওঠে গিনেস বইয়ে। সেই সময় মেয়েদের গড় বিএমআই (বডি ম্যাস ইনডেক্স) ছিল ২০.৫, আর পুরুষদের ২০.৪।

সবচেয়ে ভারি শিল

১৯৮৬ সালের ১৪ এপ্রিল গোপালগঞ্জে শিলাবৃষ্টি হয়েছিল। সেই সময় যে শিল পড়েছিল তার কোনো কোনোটির ওজন ছিল প্রায় এক কেজি। ওই দিন ৯২ জন নিহত হয়েছিলেন।

পাঁচ ভাই বিয়ে করেন পাঁচ বোনকে

১৯৭৭ থেকে ১৯৯৬ সালের মধ্যে নরেন্দ্র নাথ ও তারামনি রায় দম্পতির পাঁচ মেয়ের সঙ্গে তারাপদ কর্মকার ও খানা রানি রায় দম্পতির পাঁচ ছেলের বিয়ে সম্পন্ন হয়।

ফুটবল শৈলী

রোলার স্কেটের উপর দাঁড়িয়ে মাথার উপর ফুটবল নিয়ে ২৭.৬৬ সেকেন্ডে ১০০ মিটার পার হয়েছেন আব্দুল হালিম। ২০১৫ সালের ২২ নভেম্বর ঢাকা রেলওয়ে স্টেশনে এই নৈপুণ্য দেখান তিনি।

দীর্ঘতম মানববন্ধন

২০০৪ সালের ১১ ডিসেম্বর ৫০ লক্ষেরও বেশি মানুষ একজন আরেকজনের হাত ধরে দাঁড়িয়েছিলেন। সরকারের বিরুদ্ধে ‘অনাস্থা’ প্রকাশের এই কর্মসূচির আয়োজনে ছিল আওয়ামী লীগ। টেকনাফ থেকে তেঁতুলিয়া পর্যন্ত এই মানববন্ধন ১,০৫০ কিলোমিটার দীর্ঘ ছিল।

বন্যায় রেকর্ড সংখ্যক গৃহহীন মানুষ

১৯৯৮ সালে বাংলাদেশের প্রায় ৫৭ শতাংশ এলাকা বন্যা কবলিত হয়েছিল। সেই সময় প্রায় ২৫ মিলিয়ন মানুষ গৃহহীন হয়ে পড়েছিল।

সাইকেল চালিয়ে রেকর্ডবুকে

এক সারিতে একসঙ্গে ১,১৮৬ জন সাইকেল চালিয়ে গিনেস ওয়ার্ল্ড রেকর্ডসে ঠাঁই পেয়েছে বাংলাদেশে সাইক্লিস্টদের অন্যতম বড় সংগঠন ‘বিডিসাইক্লিস্টস’। বিজয় দিবসে সংগঠনটি এই সাইকেল চালনার আয়োজন করেছিল।

জনসংখ্যার ঘনত্ব সবচেয়ে বেশি

গিনেস বলছে, ২০১০ সালে বাংলাদেশের মোট জনসংখ্যা ছিল ১৬ কোটি ২২ লাখ ২১ হাজার। দেশটির আয়তন ৫৫ হাজার ৬০০ বর্গকিলোমিটার। সেই হিসেবে বাংলাদেশে প্রতি বর্গকিলোমিটারে বাস করেন ২,৯১৮ জন।

লাখো কন্ঠে জাতীয় সংগীত

২০১৪ সালের ২৬ মার্চ সংস্কৃতি মন্ত্রণালয়ের উদ্যোগে এবং সশস্ত্র বাহিনী বিভাগের সহায়তায় লাখো কণ্ঠে সোনার বাংলা গাওয়ার ১৩ দিন পর গিনেসের রেকর্ডবুকে জায়গা হয়। জাতীয় প্যারেড গ্রাউন্ডে ঢোকার সময় স্বয়ংক্রিয় যান্ত্রিক গণনা অনুসারে লোক হয়েছিল ২ লাখ ৫৪ হাজার ৬৮১ জন। এতেই আগের বছরের ৬ মে ভারতে সাহারা গ্রুপের আয়োজনে এক লাখ ২২ হাজার লোকের একসঙ্গে জাতীয় সংগীত গাওয়ার রেকর্ডটি ভেঙে নতুন বিশ্বরেকর্ড হয়।
বিডিপ্রেস/আলী