BDpress

খাসোগি হত্যার প্রমাণ পেয়েছে জাতিসংঘ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অ+ অ-
খাসোগি হত্যার প্রমাণ পেয়েছে জাতিসংঘ
সাংবাদিক জামাল খাসোগিকে তুরস্কের কনস্যুলেটের ভেতরে সৌদি আরবের কর্মকর্তারা পরিকল্পিতভাবে হত্যা করেছেন এমন প্রমাণ পেয়েছে জাতিসংঘের তদন্ত কমিটি।

শুধু তাই নয়, এ ব্যাপারে তুরস্কের তদন্ত করার উদ্যোগে সৌদি আরব বাধা দেওয়ার সব ধরনের চেষ্টা করেছে বলেও প্রাথমিক তদন্ত প্রতিবেদনে বলা হয়েছে।

তদন্ত প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, সৌদি কর্মকর্তারা আগে পরিকল্পনা করে সাংবাদিক জামাল খাসোগজিকে নিষ্ঠুর এবং নৃশংসভাবে হত্যা করেছে। প্রাথমিকভাবে এই ধরনের প্রমাণ পাওয়া গেছে।

অ্যাগনেস ক্লামারডের নেতৃত্বে জাতিসংঘের একটি তদন্ত দল গত ২৮ জানুয়ারি থেকে ৩ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত তুরস্ক সফর করেন। এরপরই তাঁরা এই প্রতিবেদন প্রকাশ করেন।

সৌদি সরকারের কড়া সমালোচক হিসেবে পরিচিত সাংবাদিক জামাল খাসোগজি গত বছরের ২ অক্টোবর ইস্তাম্বুলে সৌদি কনস্যুলেটে প্রবেশের পর নিখোঁজ হন। পরে জানা যায়, তাঁকে হত্যা করা হয়েছে।

যদিও শুরু থেকেই এই ঘটনার সঙ্গে নিজেদের সম্পৃক্ততার কথা অস্বীকার করে আসছিল সৌদি কর্তৃপক্ষ। পরে আন্তর্জাতিক চাপের মুখে সৌদি কর্তৃপক্ষ স্বীকার করে, কর্মকর্তাদের সঙ্গে ধস্তাধস্তি করতে গিয়ে জামাল খাসোগি নিহত হন।

পরে এই ঘটনায় জড়িত ১১ জনকে বিচারের মুখোমুখি করে সৌদি আরব। যদিও জাতিসংঘ তদন্ত কমিটি সেই বিচারের স্বচ্ছ্বতা এবং নিরপেক্ষতা নিয়েও প্রশ্ন তুলেছে।

অ্যাগনেস ক্লামারডের তদন্ত প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ইস্তাম্বুলে সৌদি কনস্যুলেটে সাংবাদিক জামাল খাসোগিকে হত্যার ঘটনার ১৩ দিন পরেও তুরস্কের তদন্তকারি কর্মকর্তাদের সেখানে যাওয়ার অনুমতি দেওয়া হয়নি। এভাবে বাধা সৃষ্টি করা হয়েছিল সৌদি আরবের পক্ষ থেকে। সেকারণে তদন্তে সমস্যা হয়েছে। সূত্র-বিবিসি
বিডিপ্রেস/আলী

এ সম্পর্কিত অন্যান্য খবর

BDpress

খাসোগি হত্যার প্রমাণ পেয়েছে জাতিসংঘ


খাসোগি হত্যার প্রমাণ পেয়েছে জাতিসংঘ

শুধু তাই নয়, এ ব্যাপারে তুরস্কের তদন্ত করার উদ্যোগে সৌদি আরব বাধা দেওয়ার সব ধরনের চেষ্টা করেছে বলেও প্রাথমিক তদন্ত প্রতিবেদনে বলা হয়েছে।

তদন্ত প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, সৌদি কর্মকর্তারা আগে পরিকল্পনা করে সাংবাদিক জামাল খাসোগজিকে নিষ্ঠুর এবং নৃশংসভাবে হত্যা করেছে। প্রাথমিকভাবে এই ধরনের প্রমাণ পাওয়া গেছে।

অ্যাগনেস ক্লামারডের নেতৃত্বে জাতিসংঘের একটি তদন্ত দল গত ২৮ জানুয়ারি থেকে ৩ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত তুরস্ক সফর করেন। এরপরই তাঁরা এই প্রতিবেদন প্রকাশ করেন।

সৌদি সরকারের কড়া সমালোচক হিসেবে পরিচিত সাংবাদিক জামাল খাসোগজি গত বছরের ২ অক্টোবর ইস্তাম্বুলে সৌদি কনস্যুলেটে প্রবেশের পর নিখোঁজ হন। পরে জানা যায়, তাঁকে হত্যা করা হয়েছে।

যদিও শুরু থেকেই এই ঘটনার সঙ্গে নিজেদের সম্পৃক্ততার কথা অস্বীকার করে আসছিল সৌদি কর্তৃপক্ষ। পরে আন্তর্জাতিক চাপের মুখে সৌদি কর্তৃপক্ষ স্বীকার করে, কর্মকর্তাদের সঙ্গে ধস্তাধস্তি করতে গিয়ে জামাল খাসোগি নিহত হন।

পরে এই ঘটনায় জড়িত ১১ জনকে বিচারের মুখোমুখি করে সৌদি আরব। যদিও জাতিসংঘ তদন্ত কমিটি সেই বিচারের স্বচ্ছ্বতা এবং নিরপেক্ষতা নিয়েও প্রশ্ন তুলেছে।

অ্যাগনেস ক্লামারডের তদন্ত প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ইস্তাম্বুলে সৌদি কনস্যুলেটে সাংবাদিক জামাল খাসোগিকে হত্যার ঘটনার ১৩ দিন পরেও তুরস্কের তদন্তকারি কর্মকর্তাদের সেখানে যাওয়ার অনুমতি দেওয়া হয়নি। এভাবে বাধা সৃষ্টি করা হয়েছিল সৌদি আরবের পক্ষ থেকে। সেকারণে তদন্তে সমস্যা হয়েছে। সূত্র-বিবিসি
বিডিপ্রেস/আলী