BDpress

ক্যাপসিকাম চাষে বিপ্লব

বিডিপ্রেস ডেস্ক

অ+ অ-
ক্যাপসিকাম চাষে বিপ্লব
বিদেশি সবজি ক্যাপসিকাম চাষের অপার সম্ভাবনা দেখা দিয়েছে ভোলার চরাঞ্চলে। গত কয়েক বছর ধরে ক্যাপসিক্যাম চাষ করে ভাগ্য বদল করেছেন অনেক কৃষক। অল্প সময়ে অধিক লাভ হওয়ায় বিদেশি এই সবজি চাষে দিন দিন আগ্রহী হয়ে উঠছেন ভোলার মাঝের চরের চাষিরা।

কৃষি বিভাগ বিশেষ উদ্যোগ নিলে ক্যাপসিকাম চাষে বিপ্লব ঘটাতে পারবেন বলে মনে করছেন চাষিরা।  দ্বীপ জেলা ভোলা। দীর্ঘদিন ধরে ভোলার মেঘনা ও তেঁতুলিয়া নদীর মাঝে জেগে ওঠা চরাঞ্চলগুলো ধান, সয়াবিনের পাশাপাশি লাউ, শসা, করলা, চিচিংগাসহ বিভিন্ন সবজি চাষ করে লাভবান হচ্ছিল চাষিরা। গত ৫ বছর আগে ভোলা সদর উপজেলার কাচিয়া এলাকার মনির পাঠান নামের এক ব্যক্তি মেঘনা নদীর মাঝে জেগে ওঠা চরে মাত্র ১০ শতক জমিতে ক্যাপসিকাম চাষের উদ্যোগ নেন।

প্রথম বছরই তিনি বাম্পার ফলন পেয়েছিলেন। তার দেখাদেখি অন্য চাষিরাও ক্যাপসিক্যাম চাষে আগ্রহী হয়ে উঠেন। বর্তমানে ২০-২৫ জন চাষি ক্যাপসিকাম চাষ করছেন। অধিক লাভ হওয়ায় দিন দিন এই সবজি চাষে কৃষকদের মধ্যে আগ্রহ বাড়ছে। ইলিশার ছিদ্দিক ফরাজি জানান, গত বছর অসময়ে বৃষ্টি হওয়ায় লাভ কিছুটা কম হয়েছিল। এ বছর তিনি দেড় লাখ টাকা ব্যয়ে ১ একর জমিতে ক্যাপসিকাম চাষ করেছেন। এ বছর অসময়ে বৃষ্টি হয়নি। রোগবালাই কিংবা পোকা মাকড়েও আক্রমণ করেনি। আবহাওয়া অনুকূলে থাকলে তিনি প্রায় ৩ থেকে ৪ লাখ টাকার ক্যাপসিকাম বিক্রি করতে পারবেন বলে আশা করছেন। ক্যাপসিকামের স্থানীয় চাহিদা খুবই কম।

তাই রপ্তানিতে সরকারি সহযোগিতা পেলে ক্যাপসিক্যাম চাষে বিপ্লব ঘটতে পারে। সদর উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মোহাম্মদ রিয়াজ উদ্দিন জানান, গত কয়েক বছর ধরে ভোলা সদর ও দৌলতখান উপজেলার মেঘনা নদীর মধ্যবর্তী মাঝের চরে ক্যাপসিক্যাম চাষ হচ্ছে। গত বছর ১১ হেক্টর জমিতে ক্যাপসিক্যাম চাষ হয়েছিল। এ বছর ১৬ হেক্টর জমিতে চাষ হচ্ছে। কৃষি বিভাগ থেকে ক্যাপসিক্যাম চাষিদের নিয়মিত পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে। পাশাপাশি ভোলায় ক্যাপসিক্যাম চাষের পরিমাণ বাড়াতে এবং চাষিদের সরকারিভাবে সহযোগিতা করার জন্য ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানানো হয়েছে।
বিডিপ্রেস/আলী

এ সম্পর্কিত অন্যান্য খবর

BDpress

ক্যাপসিকাম চাষে বিপ্লব


ক্যাপসিকাম চাষে বিপ্লব

কৃষি বিভাগ বিশেষ উদ্যোগ নিলে ক্যাপসিকাম চাষে বিপ্লব ঘটাতে পারবেন বলে মনে করছেন চাষিরা।  দ্বীপ জেলা ভোলা। দীর্ঘদিন ধরে ভোলার মেঘনা ও তেঁতুলিয়া নদীর মাঝে জেগে ওঠা চরাঞ্চলগুলো ধান, সয়াবিনের পাশাপাশি লাউ, শসা, করলা, চিচিংগাসহ বিভিন্ন সবজি চাষ করে লাভবান হচ্ছিল চাষিরা। গত ৫ বছর আগে ভোলা সদর উপজেলার কাচিয়া এলাকার মনির পাঠান নামের এক ব্যক্তি মেঘনা নদীর মাঝে জেগে ওঠা চরে মাত্র ১০ শতক জমিতে ক্যাপসিকাম চাষের উদ্যোগ নেন।

প্রথম বছরই তিনি বাম্পার ফলন পেয়েছিলেন। তার দেখাদেখি অন্য চাষিরাও ক্যাপসিক্যাম চাষে আগ্রহী হয়ে উঠেন। বর্তমানে ২০-২৫ জন চাষি ক্যাপসিকাম চাষ করছেন। অধিক লাভ হওয়ায় দিন দিন এই সবজি চাষে কৃষকদের মধ্যে আগ্রহ বাড়ছে। ইলিশার ছিদ্দিক ফরাজি জানান, গত বছর অসময়ে বৃষ্টি হওয়ায় লাভ কিছুটা কম হয়েছিল। এ বছর তিনি দেড় লাখ টাকা ব্যয়ে ১ একর জমিতে ক্যাপসিকাম চাষ করেছেন। এ বছর অসময়ে বৃষ্টি হয়নি। রোগবালাই কিংবা পোকা মাকড়েও আক্রমণ করেনি। আবহাওয়া অনুকূলে থাকলে তিনি প্রায় ৩ থেকে ৪ লাখ টাকার ক্যাপসিকাম বিক্রি করতে পারবেন বলে আশা করছেন। ক্যাপসিকামের স্থানীয় চাহিদা খুবই কম।

তাই রপ্তানিতে সরকারি সহযোগিতা পেলে ক্যাপসিক্যাম চাষে বিপ্লব ঘটতে পারে। সদর উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মোহাম্মদ রিয়াজ উদ্দিন জানান, গত কয়েক বছর ধরে ভোলা সদর ও দৌলতখান উপজেলার মেঘনা নদীর মধ্যবর্তী মাঝের চরে ক্যাপসিক্যাম চাষ হচ্ছে। গত বছর ১১ হেক্টর জমিতে ক্যাপসিক্যাম চাষ হয়েছিল। এ বছর ১৬ হেক্টর জমিতে চাষ হচ্ছে। কৃষি বিভাগ থেকে ক্যাপসিক্যাম চাষিদের নিয়মিত পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে। পাশাপাশি ভোলায় ক্যাপসিক্যাম চাষের পরিমাণ বাড়াতে এবং চাষিদের সরকারিভাবে সহযোগিতা করার জন্য ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানানো হয়েছে।
বিডিপ্রেস/আলী