bdpress.net: World & Bangladeshi News in bangla
সর্বশেষ সংবাদ :
শনিবার, ৪ জ্যৈষ্ঠ ১৪২০; ১৮ মে ২০১৩;
 
কীটনাশকে নাশ হচ্ছে মৌমাছির বংশ
কীটনাশকে নাশ হচ্ছে মৌমাছির বংশ

বিডিপ্রেস ডেস্ক: (ঢাকা, ৩০ মার্চ)- বহুল ব্যবহৃত কিছু কীটনাশকের কারণে বিশ্বব্যপী রাণী মৌমাছির সংখ্যা উল্লেখযোগ্য হারে কমে আসছে। আর এতে করে শষ্য উৎপাদন কমে গিয়ে বিপুল পরিমাণ অর্থনৈতিক ক্ষতি হচ্ছে বলে হুঁশিয়ার করেছেন গবেষকরা।


বিবিসির এক প্রতিবেদনে শুক্রবার জানানো হয়, বিশ্বের শতাধিক দেশে কীটনাশক হিসেবে ব্যবহৃত নিওনিকোটিনয়েডের প্রভাব নিয়ে গবেষণা করে যুক্তরাজ্য ও ফ্রান্সের বিজ্ঞানীরা এ তথ্য পেয়েছেন। তারা দেখতে পেয়েছেন, কীটনাশকের প্রভাবে মৌমাছির দিকনির্ধারণী ক্ষমতাও হ্রাস পাচ্ছে।

তাদের সেই গবেষণা নিবন্ধ প্রকাশ করেছে বিজ্ঞান সাময়িকী সায়েন্স।

গবেষকরা জানান, কীটনাশকের প্রভাবে যুক্তরাজ্যে রাণী মৌমাছির সন্তান উৎপাদনের হার প্রায় ৮৫ শতাংশ কমে গেছে। এ কারণে পরাগায়ণে বিরূপ প্রভাব পড়ছে। ফসল উৎপাদন কমে গিয়ে কেবল যুক্তরাজ্যেই বছরে ক্ষতি হচ্ছে প্রায় ৪৩০ মিলিয়ন ডলার।

একই ধরনের বিরূপ প্রভাব পড়েছে যুক্তরাষ্ট্রসহ অন্যান্য দেশেও। মৌচাকগুলোতে মৌমাছির সংখ্যা উল্লেখযোগ্য হারে কমে আসার এই প্রবণতাকে মার্কিন গবেষকরা বলছেন ‘কলোনি কলাপস ডিজঅর্ডার’।

বিষয়টি পরীক্ষা করার জন্য গবেষকরা কিছু মৌমাছিকে খুবই মৃদু মাত্রার কীটনাশক মেশানো পরাগ ও চিনিযুক্ত পানি খেতে দেন। আরেকদল মৌমাছিকে সম্পূর্ণ প্রাকৃতিক খাদ্য দেওয়া হয়।

ছয় সপ্তাহের পর্যবেক্ষণে দেখা যায়, প্রাকৃতিক খাদ্যাভ্যাসে থাকা মৌচাকে রাণী মৌমাছি রয়েছে ১৪টি। আর কীটনাশক মেশানো খাবার দেওয়া হয়েছে যে মৌচাকে- সেখানে রাণী মৌমাছি মাত্র দুটি।

যুক্তরাজ্যের ইউনিভার্সিটি অব স্টারলিংয়ের গবেষক ডেভ গ্লুসন বলেন, “বহুল ব্যবহৃত এসব কীটনাশক যে কোনো খামারের আশেপাশে থাকা মৌচাকের ওপর প্রভাব ফেলে। ফলে মৌমাছির সংখ্যা বিস্ময়করভাবে কমে আসে।”

কীটনাশকের পাশাপাশি বিভিন্ন রোগ, অণুজীব এবং ফুলের সংখ্যা কমে যাওয়াও মৌমাছি কমার অন্যতম কারণ হিসাবে চিহ্নিত করেছেন গবেষকরা।

 

বিডিপ্রেস ডটনেট/এমএন/এএমইউ_১৬৪০ ঘ.

CommentAdd Your Comment



2011 © Copyright to BDPRESS.NET.
Editor: A H M Obaidur Rahman, 33 Karwan Bazar, Dhaka-1215,
Phone: +8802 8189524,
Email: bdpress.net@gmail.com,bdmediahouse@yahoo.com
Powered by Kernel Soft Ltd.