জেলা সংবাদদাতা: (নীলফামারী, ১৩ এপ্রিল)- নীলফামারীর ওপর দিয়ে বয়ে যাওয়া দ্বিতীয় দফা কালবৈশাখী ঝড় ও শিলা বৃষ্টিতে মৌসুমি ফসলের ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে বলে জানা গেছে।
বৃহস্পতিবার রাতে ঝড়ের সাথে শুরু হওয়া শিলা বৃষ্টি শুক্রবার সকাল পর্যন্ত স্থায়ী ছিল। এতে জেলার প্রায় পাঁচ হাজার একর জমির ফসল একেবারে নষ্ট হয়ে যায়। ফসল তোলার কিছুদিন আগে এমন ক্ষতির মুখে পড়ে বাকরুদ্ধ হয়ে পড়েছেন স্থানীয় কৃষকরা।
এদিকে, ঝড়ে উপড়ে পড়েছে অসংখ্য গাছপালা। বিদ্যুতের খুটি ভেঙ্গে পড়ায় গতকাল রাত থেকে গোটা জেলা বিদ্যুৎ বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছে। জেলার পাঁচ উপজেলায় সহস্রাধিক পরিবারের কাঁচা ঘরবাড়ি বিধ্বস্ত ও উঠতি ফসলের ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে।
চলতি মৌসুমের শত শত একর উঠতি ভুট্টা, গম, পাট, তামাক, আখ, টমেটো, মরিচ, পেয়াজ, রসুন ও আগাম জাতের ইরি ব্রি-২৮, ব্রি-২৯-সহ বিভিন্ন গ্রীষ্মকালীন ফসলের ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে। মৌসুমের শেষ মুহূর্তে এসে এ ক্ষতির মুখে পড়ে কৃষকের মাথায় হাত পড়েছে।
জেলা কৃষি বিভাগের উপ-পরিচালক এবিএম মোস্তাফিজুর রহমান জানান, বৃহস্পতিবার মধ্যরাত থেকে ঝড় ও শিলাবৃষ্টি শুরু হয়। শুক্রবার সকাল পর্যন্ত স্থায়ী শিলা বৃষ্টি ও ঝড়ে ডোমার, ডিমলা, জলঢাকা, কিশোরগঞ্জ ও নীলফামারী শিলার আঘাতে ব্রি-২৮ জাতের ধান, ভুট্টা, মরিচসহ প্রায় পাঁচ হাজার হেক্টর জমির ফসল নষ্ট হয়েছে।
তিনি আরো জানান, বিভিন্ন স্থানে বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ড পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির লাইনের খুটি ভেঙ্গে পড়ায় বৃহস্পতিবার রাত থেকে গোটা জেলায় বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ রয়েছে।
বিডিপ্রেস ডটনেট/এমএন/এএমইউ_১৮০৮ ঘ.
Add Your Comment
- ফেনীতে রবি শষ্যের আবাদ লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে বেশি
- কলেজ পালানো ছেলে কোটিপতি লিচুচাষি
- পিরোজপুরে ভুট্টার ফলন বাম্পার
- ক্রমেই গুটি ইউরিয়ার দিকে ঝুঁকছে কৃষকরা
- সুনামগঞ্জের ১১টি উপজেলায় বোরো আবাদ শুরু
- কুড়িগ্রামে বন্যাসহিষ্ণুজাত ধানে আগ্রহী কৃষকরা
- বরিশালে এবার আমনের বাম্পার ফলনের সম্ভাবনা
- কলারোয়ায় হারিয়ে যাচ্ছে সুমিষ্ট খেজুরের রস
- বরেন্দ্র এলাকায় শীতকালীন হাইব্রিড টমেটো উঠতে শুরু করেছে
- শেরপুরে আমন ধান কাটা শুরু: ন্যায্য দাম না পেয়ে কৃষকরা হতাশ



