bdpress.net: World & Bangladeshi News in bangla
সর্বশেষ সংবাদ :
শনিবার, ৪ জ্যৈষ্ঠ ১৪২০; ১৮ মে ২০১৩;
 
১৪ হাজার ১৩০ কোটি টাকা কৃষিঋণ বিতরণ হবে: বিবি গভর্নর
১৪ হাজার ১৩০ কোটি টাকা কৃষিঋণ বিতরণ হবে: বিবি গভর্নর

স্টাফ রিপোর্টার: (ঢাকা, ২৪ জুলাই)- ২০১২-১৩ অর্থবছরে কৃষি ও পল্লীঋণ বিতরণের লক্ষ্যমাত্রা ১৪ হাজার ১৩০ কোটি টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। যা বিগত অর্থবছরের লক্ষ্যমাত্রার তুলনায় দুই দশমিক চার শতাংশ বেশি। ২০১১-১২ অর্থবছরে এর পরিমাণ ছিল ১৩ হাজার ৮০০ কোটি টাকা।


মঙ্গলবার বাংলাদেশ ব্যংকের গভর্নর ড. আতিউর রহমান কৃষি ও পল্লীঋণ নীতিমালা ঘোষণাকালে একথা বলেন। এ সময় বাংলাদেশ ব্যাংকের ডেপুটি গভর্নর, নির্বাহী পরিচালক, সংশ্লিষ্ট বিভাগের কমকর্তাসহ তফসিলি ব্যাংকের প্রধান নির্বাহীরা উপস্থিত ছিলেন।

তিনি বলেন, ২০১২-১৩ অর্থবছরের জাতীয় বাজেটে কৃষি ও পল্লীঋণ বিতরণের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণের যে প্রস্তাব করা হয় তার সঙ্গে সঙ্গতি রেখে ব্যাংকগুলোর কৃষি ও পল্লীঋণ বিতরণের লক্ষ্যমাত্রা ১৪ হাজার ১৩০ কোটি টাকায় নির্ধারণ করা হয়েছে। যা বিগত অর্থবছরের লক্ষ্যমাত্রার তুলনায় দুই দশমিক চার শতাংশ বেশি। কৃষিঋণ বিতরণের লক্ষ্যমাত্রা অবশ্যই ব্যাংকের মোট ঋণ ও অগ্রিমের দুই দশমিক পাঁচ শতাংশ হতে হবে এই নীতিমালার আলোকে ব্যাংকগুলোর কৃষিঋণ বিতরণের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারিত হয়েছে। ব্যাংকগুলোর বাইরে বিআরডিবি ৬৭১ কোটি টাকা কৃষি ও পল্লীঋণ বিতরণ করবে।

এবারের কৃষি ও পল্লীঋণ নীতিমালা নিয়ে গভর্নর বলেন, “ইউনিয়ন পর্যায়ে প্রকাশ্যে কৃষিঋণ বিতরণের ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়েছে। প্রয়োজনে স্থানীয় হাটের দিন সংশ্লিষ্ট ব্যাংক শাখার কর্মকর্তাগণ বিশেষ ক্যাম্প করে কৃষিঋণ সংক্রান্ত তথ্যপ্রচার ও ঋণ বিতরণ করা হবে।”

ফাইন্যান্সিয়াল ইনক্লুলশনের অংশ হিসেবে রাষ্ট্রীয় মালিকানাধীন ব্যাংকগুলো ইতোমধ্যেই ৯৬ লাখ কৃষকদের ব্যাংক একাউন্ট খুলবে।

তিনি বলেন, “কৃষিঋণ কার্যক্রমে স্বচ্ছতা বাড়ানোর জন্যে যে সকল কৃষকের একাউন্ট রয়েছে বিশেষ ব্যতিক্রম ছাড়া তাদের একাউন্টের মাধ্যমেই কৃষিঋণ বিতরণ করতে হবে। পাশাপাশি, এই বিপুল পরিমাণ একাউন্ট সচল রাখার জন্য ভর্তুকি জমা ও ঋণ প্রদান ছাড়াও কৃষকদের মাঝে সঞ্চয়ী মনোভাব গড়ে তুলতে সঞ্চয় জমা ও উত্তোলন, রেমিট্যান্স জমা ইত্যাদি স্বাভাবিক ব্যাংকিং কার্যক্রমে তাদের উৎসাহ প্রদানসহ বিভিন্ন সৃজনশীল প্রডাক্ট চালুর বিষয়েও তিনি সকলের দৃষ্টি আকর্ষণ করেন।”

তিনি বলেন, কৃষিঋণ কর্মসূচির আওতায় বর্গাচাষিসহ ক্ষুদ্র ও প্রান্তিক পর্যায়ের কৃষকদের কাছে সময়মতো প্রয়োজনীয় পরিমাণ অর্থের যোগান দিতে পারে তা বাংলাদেশ ব্যাংক ব্যাংকগুলোর প্রতি মনিটরিং করছে।”

তিনি বলেন, “চর, হাওড়, উপকূলীয় এলাকায় কৃষিঋণ প্রদানের ক্ষেত্রে অগ্রাধিকার দেয়া হচ্ছে। অঞ্চলভিত্তিক ফসল উৎপাদন, ফসলের ধরণ অর্থাৎ যে এলাকায় যে ফসল ভালো উৎপাদন হয় সেগুলোকে গুরুত্ব দিয়ে এরিয়া অ্যাপ্রোচ পদ্ধতিতে কৃষিঋণ বিতরণের প্রতি আপনাদের গুরুত্ব দেয়া হচ্ছে।”

তিনি আরো বলেন, “সরকারের সুদ ক্ষতিপূরণ সুবিধার আওতায় ডাল, তৈলবীজ, মসলা জাতীয় ফসল ও ভুট্টা চাষে কৃষিঋণ বিতরণে ব্যাংকগুলোর সুষম অংশগ্রহণ নিশ্চিত করতে এবং একইসঙ্গে বেসরকারি ও বিদেশী ব্যাংকগুলো যাতে এই কার্যক্রমে অংশ নিতে পারে সেজন্যে কৃষক পর্যায়ে বিতরণকৃত ঋণের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য সুদহার গত অর্থবছর থেকে চার শতাংশে নির্ধারণ করা হয়েছে।”

 

বিডিপ্রেস ডটনেট/এমএন/এএমইউ_১৬১০ ঘ.

CommentAdd Your Comment



2011 © Copyright to BDPRESS.NET.
Editor: A H M Obaidur Rahman, 33 Karwan Bazar, Dhaka-1215,
Phone: +8802 8189524,
Email: bdpress.net@gmail.com,bdmediahouse@yahoo.com
Powered by Kernel Soft Ltd.