কর্পোরেট ট্যাক্স কমানো সম্ভব না: অর্থমন্ত্রী
স্টাফ রিপোর্টার: (ঢাকা, ১৫ মে)- আগামী বাজেটে কর্পোরেট ট্যাক্স কমানো সম্ভব হবে না বলে জানিয়েছেন অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত।
ব্যবসায়ীদের শীর্ষ সংগঠন এফবিসিসিআই কর্পোরেট ট্যাক্স কমানোর সুপারিশ করার পর মঙ্গলবার অর্থমন্ত্রী বলেন, “দেশে কর্পোরেট ট্যাক্স হার বেশি। তবে এ বছর তা কমানো সম্ভব হবে না।”
এর আগে এফবিসিসিআই নেতারা “২০১২-২০১৩ অর্থ বছরের জাতীয় বাজেট প্রণয়নে আমদানি শুল্ক, মূল্যে সংযোজন কর ও আয়কর সম্পর্কিত নীতিগত প্রস্তাব” শিরোনামে কিছু সুপারিশ উপস্থাপন করেন অর্থমন্ত্রীর কাছে।
বর্তমানে প্রাধিকারভুক্ত কোম্পানির ক্ষেত্রে করের হার ২৭ দশমিক ৫ শতাংশ। আর প্রাধিকারভুক্ত নয় এমন কোম্পানির ক্ষেত্রে এই হার ৩৭ দশমিক ৫ শতাংশ। এছাড়া ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানের কর্পোরেট করের হার ৪২ দশমিক ৫ শতাংশ।
এফবিসিসিআই নেতারা এই হার কমিয়ে প্রাধিকারভুক্ত কোম্পানির ক্ষেত্রে ২৫ শতাংশ, প্রাধিকারভুক্ত নয় এমন কোম্পানির ক্ষেত্রে ৩২ দশমিক ৫ শতাংশ এবং ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানের ক্ষেত্রে ৪০ শতাংশ কর নির্ধারণের প্রস্তাব দেন।
এফবিসিসিআইয়ের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি মো. জসিম উদ্দিন এসব প্রস্তাব অর্থমন্ত্রীর কাছে উপস্থাপন করেন।
এর আগে অর্থ মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটিও কর্পোরেট ট্যাক্স কমানোর সুপারিশ করে। পাশাপাশি অপ্রদর্শিত আয় বৈধ করার বর্তমান সুযোগ অব্যাহত রাখার পক্ষেও মত দেয় কমিটি।
আগামী ৭ জুন সংসদে অর্থমন্ত্রীর বাজেট প্রস্তাব উপস্থাপনের কথা রয়েছে।
এফবিসিসিআইয়ের সুপারিশে ব্যক্তিশ্রেণীর করদাতাদের করমুক্ত আয়ের সীমা ১ লাখ ৮০ হাজার টাকা থেকে বাড়িয়ে ২ লাখ ২০ হাজার টাকা করার কথাও বলা হয়েছে।
এ ব্যাপারে অর্থ মন্ত্রী বলেন “মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ এ বিষয়টি ঠিক করবে।”
জসিম উদ্দিন তার সুপারিশে বলেন, দেশীয় শিল্পের বিকাশের স্বার্থে মূলধনী যন্ত্রপাতি এবং মৌলিক কাঁচামালের ওপর আমদানি শুল্কহার এক শতাংশ, মধ্যবর্তী কাঁচামাল (যা দেশে উৎপাদিত হয় না) শুল্কহার ৩ শতাংশ করা প্রয়োজন।
এছাড়া ক্ষুদ্র শিল্প, কারখানা ও ব্যবসা প্রতিষ্ঠানগুলোর (সাধারণ দোকানসহ) ৬০ লাখ টাকা পর্যন্ত মুনাফার ক্ষেত্রে মূল্য সংযোজন কর (ভ্যাট) অব্যাহতি দিয়ে ৬০ লাখ থেকে দুই কোটি টাকা পর্যন্ত মুনাফার ক্ষেত্রে ২ শতাংশ এবং ২ কোটি হতে ৫ কোটি টাকা পর্যন্ত মুনাফায় ৩ শতাংশ হারে কর ধার্যের সুপারিশ করেন ব্যবসায়ী নেতারা।
ইজারাদারের আদায় করা ভাড়ার ওপর আয়কর ও পৌরকর সম্পূর্ণ প্রত্যাহার এবং যেসব পণ্য আমদানিতে ভ্যাট লাগে না, সেসব পণ্য স্থানীয় পর্যায়ে উৎপাদনের ক্ষেত্রে ভ্যাট মওকুফের আহ্বান জানান তারা।
ব্যবসায়ী নেতাদের এসব সুপারিশের মধ্যে ‘যেগুলো যৌক্তিক’ সেগুলো বিবেচনা করার আশ্বাস দেন অর্থমন্ত্রী। অন্যদের মধ্যে এফবিসিসিআই পরিচালক আব্দুল হক, আমির হোসেন খান, হুমায়ূন খান এ সময় উপস্থিত ছিলেন।
ব্যবসায়ীদের শীর্ষ সংগঠন এফবিসিসিআই কর্পোরেট ট্যাক্স কমানোর সুপারিশ করার পর মঙ্গলবার অর্থমন্ত্রী বলেন, “দেশে কর্পোরেট ট্যাক্স হার বেশি। তবে এ বছর তা কমানো সম্ভব হবে না।”
এর আগে এফবিসিসিআই নেতারা “২০১২-২০১৩ অর্থ বছরের জাতীয় বাজেট প্রণয়নে আমদানি শুল্ক, মূল্যে সংযোজন কর ও আয়কর সম্পর্কিত নীতিগত প্রস্তাব” শিরোনামে কিছু সুপারিশ উপস্থাপন করেন অর্থমন্ত্রীর কাছে।
বর্তমানে প্রাধিকারভুক্ত কোম্পানির ক্ষেত্রে করের হার ২৭ দশমিক ৫ শতাংশ। আর প্রাধিকারভুক্ত নয় এমন কোম্পানির ক্ষেত্রে এই হার ৩৭ দশমিক ৫ শতাংশ। এছাড়া ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানের কর্পোরেট করের হার ৪২ দশমিক ৫ শতাংশ।
এফবিসিসিআই নেতারা এই হার কমিয়ে প্রাধিকারভুক্ত কোম্পানির ক্ষেত্রে ২৫ শতাংশ, প্রাধিকারভুক্ত নয় এমন কোম্পানির ক্ষেত্রে ৩২ দশমিক ৫ শতাংশ এবং ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানের ক্ষেত্রে ৪০ শতাংশ কর নির্ধারণের প্রস্তাব দেন।
এফবিসিসিআইয়ের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি মো. জসিম উদ্দিন এসব প্রস্তাব অর্থমন্ত্রীর কাছে উপস্থাপন করেন।
এর আগে অর্থ মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটিও কর্পোরেট ট্যাক্স কমানোর সুপারিশ করে। পাশাপাশি অপ্রদর্শিত আয় বৈধ করার বর্তমান সুযোগ অব্যাহত রাখার পক্ষেও মত দেয় কমিটি।
আগামী ৭ জুন সংসদে অর্থমন্ত্রীর বাজেট প্রস্তাব উপস্থাপনের কথা রয়েছে।
এফবিসিসিআইয়ের সুপারিশে ব্যক্তিশ্রেণীর করদাতাদের করমুক্ত আয়ের সীমা ১ লাখ ৮০ হাজার টাকা থেকে বাড়িয়ে ২ লাখ ২০ হাজার টাকা করার কথাও বলা হয়েছে।
এ ব্যাপারে অর্থ মন্ত্রী বলেন “মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ এ বিষয়টি ঠিক করবে।”
জসিম উদ্দিন তার সুপারিশে বলেন, দেশীয় শিল্পের বিকাশের স্বার্থে মূলধনী যন্ত্রপাতি এবং মৌলিক কাঁচামালের ওপর আমদানি শুল্কহার এক শতাংশ, মধ্যবর্তী কাঁচামাল (যা দেশে উৎপাদিত হয় না) শুল্কহার ৩ শতাংশ করা প্রয়োজন।
এছাড়া ক্ষুদ্র শিল্প, কারখানা ও ব্যবসা প্রতিষ্ঠানগুলোর (সাধারণ দোকানসহ) ৬০ লাখ টাকা পর্যন্ত মুনাফার ক্ষেত্রে মূল্য সংযোজন কর (ভ্যাট) অব্যাহতি দিয়ে ৬০ লাখ থেকে দুই কোটি টাকা পর্যন্ত মুনাফার ক্ষেত্রে ২ শতাংশ এবং ২ কোটি হতে ৫ কোটি টাকা পর্যন্ত মুনাফায় ৩ শতাংশ হারে কর ধার্যের সুপারিশ করেন ব্যবসায়ী নেতারা।
ইজারাদারের আদায় করা ভাড়ার ওপর আয়কর ও পৌরকর সম্পূর্ণ প্রত্যাহার এবং যেসব পণ্য আমদানিতে ভ্যাট লাগে না, সেসব পণ্য স্থানীয় পর্যায়ে উৎপাদনের ক্ষেত্রে ভ্যাট মওকুফের আহ্বান জানান তারা।
ব্যবসায়ী নেতাদের এসব সুপারিশের মধ্যে ‘যেগুলো যৌক্তিক’ সেগুলো বিবেচনা করার আশ্বাস দেন অর্থমন্ত্রী। অন্যদের মধ্যে এফবিসিসিআই পরিচালক আব্দুল হক, আমির হোসেন খান, হুমায়ূন খান এ সময় উপস্থিত ছিলেন।
বিডিপ্রেস ডটনেট/এএফ/এএইচ_১৩৪৭ ঘ.
Add Your Comment
ব্যবসা-বাণিজ্য
- বেনাপোলে আমদানি-রফতানি বন্ধ
- মোবাইল ব্যাংকিং কার্যক্রম চালু: এনসিসি ব্যাংক
- রাজবাড়ীতে বসুন্ধরা সিমেন্ট নির্মাণ কর্মশালা
- হরতালে একদিনের ক্ষতি ১৬শ’ কোটি টাকা: ডিসিসিআই
- নতুন বীমার লাইসেন্স ৭৬টি কোম্পানির আবেদনপত্র জমা
- গ্যাস সংযোগ নিয়ে রশি টানাটানি মন্ত্রণালয়-পেট্রোবাংলা
- সরকারের শেষ বাজেট অধিবেশন শুরু ৩ জুন
- ঘোষণা আছে তবু খুলছে না দোকান মার্কেট
- ২ টাকার নতুন নোট আসছে
- বৈদেশিক লেনদেন করতে শনিবার ব্যাংক খোলা



