স্টাফ রিপোর্টার: (ঢাকা, ২৩ মে)- মানবতাবিরোধী অপরাধের অভিযোগে আটক জামায়াতের নায়েবে আমীর মাওলানা দেলাওয়ার হোসাইন সাঈদীর বিরুদ্ধে তদন্ত কর্মকর্তার কাছে দেয়া জবানবন্দিকে স্বাক্ষ্য হিসেবে গ্রহণ করে ট্রাইব্যুনালের দেয়া আদেশের ব্যাপারে সাঈদীর আইনজীবীদের করা রিভিউ আবেদন নিয়ে প্রসিকিউশনকে লিখিত জবাব দেয়ার নির্দেশ দিয়েছেন ট্রাইব্যুনাল।
বুধবার ট্রাইব্যুনাল-১ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নিজামুল হকের নেতৃত্বে তিন সদস্যের ট্রাইব্যুনাল আগামী ২৯ মে মঙ্গলবার প্রসিকিউশনকে লিখিত জবাব দেয়ার নির্দেশ দেন।
এর আগে সকালে রিভিউ আবেদনের বিপক্ষে প্রসিকিউটর সৈয়দ হায়দার আলী মৌখিক বক্তব্য উপস্থাপন করেন এবং আসামীপক্ষের প্রধান আইনজীবী ব্যারিস্টার আব্দুর রাজ্জাক আবেদনের পক্ষে বক্তব্য পেশ করেন।
ট্রাইব্যুনাল প্রসিকিউটর সৈয়দ হায়দার আলীর মৌখিক এ বক্তব্যকে লিখিত আকারে ট্রাইব্যুনালে দাখিল করতে বলেন।
একই সাথে রাষ্ট্রপক্ষের মানিক পসারী, মধুসদন ঘরামীসহ ৩ জন সাক্ষিকে পুনরায় জেরা করার জন্য আসামীপক্ষের করা আবেদনেরও জবাব দেয়ার জন্য মঙ্গলবার দিন ধার্য করে দেন।
এরপর সাঈদীর মামলার তদন্ত কর্মকর্তা হেলালউদ্দিনের জেরা আগামী রোববার পর্যন্ত মুলতবি করেন ট্রাইব্যুনাল।
এর আগে গতকাল রিভ্যিউ আবেদনের পক্ষে ট্রাইব্যুনালে বক্তব্য দেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ব্যারিস্টার মওদুদ আহমদ।
রিভ্যিউ আবেদনের শুনানিতে অংশ নেন ব্যারিস্টার মওদুদ আহমদ, সুপ্রিমকোর্ট আইনজীবী সমিতির সাবেক সভাপতি এডভোকেট খন্দকার মাহবুব হোসেন, ব্যারিস্টার আব্দুর রাজ্জাক।
এ সময় আরো উপস্থিত ছিলেন, সাবেক স্পীকার ব্যারিস্টার জমিরউদ্দিন সরকার, বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ব্যারিস্টার রফিকুল ইসলাম মিয়াসহ আসামীপক্ষের আইনজীবীরা।
শুনানির শুরুতে ১৫ সাক্ষির মধ্যে উষা রানী মালাকার, চান মিয়া পসারী, সুখরঞ্জন বালী ও গণেশ চন্দ্র সাহার সাক্ষাতকার সম্বলিত ইসলামিক টিভি ও দিগন্ত টিভির ২টি প্রতিবেদন ট্রাইব্যুনালে দেখানো হয়।
গত ২৯ মার্চ মানবতাবিরোধী অপরাধের অভিযোগের মামলায় আটক জামায়াত নেতা মাওলানা দেলাওয়ার হোসাইন সাঈদীর বিরুদ্ধে তদন্ত কর্মকর্তাদের কাছে দেয়া ৪৬ সাক্ষীর মধ্যে ১৫ জনের জবানবন্দি সাক্ষ্য হিসেবে গ্রহণ করে ট্রাইব্যুনাল।
১৫জন সাক্ষি যাদের বক্তব্য ট্রাইব্যুনাল জবানবন্দি হিসেবে গ্রহণ করেছেন তারা হলেন-উষা রানী মালাকার (৭৮), সুখরঞ্জন বালি (৫৭), আশীষ কুমার মন্ডল (৫৫), সুমতি রানী মন্ডল (৫৮), সমর মিস্ত্রী (৫৭), সুরেশ চন্দ্র মন্ডল (৭০), গনেশ চন্দ্র সাহা (৪৫), শহিদুল ইসলাম খান সেলিম (৫৫), মো.মোস্তফা (৫০), আব্দুল লতিফ হাওলাদার(৬২), আইয়ুব আলী হাওলাদার (৬২), সেতারা বেগম (৭৫), অনিল চন্দ্র মন্ডল (৭৬), রানী বেগম (৫২), অজিত কুমার শীল (৭৫)।
বাকী ৩১ সাক্ষিকে আদালতে আনতে অপারগতা প্রকাশ করলে ট্রাইব্যুনাল এ মামলার তদন্তকর্মর্তার হেলাল উদ্দিনের জবানবন্দি গ্রহনের জন্য ৮এপ্রিল দিন ধার্য করে দেন।
মাওলানা সাঈদীর বিরুদ্ধে মোট ১৩২ জন সাক্ষির প্রত্যক্ষ সাক্ষি ৬৮জন। মুল সাক্ষি এবং জব্দ তালিকার সাক্ষি নিয়ে মোট ২৭জন সাক্ষি তাদের জবানবন্দি দিয়েছেন ট্রাইব্যুনালে।
ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত দেওয়ার এক মামলায় সাঈদীকে ২০১০ সালের ২৯ জুন গ্রেপ্তার করা হয়। এরপর তাকে যুদ্ধাপরাধের অভিযোগে গ্রেপ্তার দেখানো হয়।
বিডিপ্রেস ডটনেট/এমএন/এএমইউ_১৫১৬ ঘ.
Add Your Comment
- বিরামপুরের কাটলা সীমান্ত থেকে এক বাংলাদেশিকে ধরে নিয়ে গেছে বিএসএফ
- ফাঁসি তো দিবেনই একটি প্রশ্ন করার সুযোগ দেন: সালাউদ্দিন কাদের
- সুখরঞ্জন বালীর সন্ধানে খারিজ রিটের শুনানির আবেদন গ্রহণ
- সামাজিক মাধ্যম তদারকি করবে সরকার
- স্বর্ণের দাম ফের কমলো
- ঢাকা সিটি করপোরেশন নির্বাচন আগামী রমজানের আগেই
- হেফাজত-পুলিশ সংঘর্ষ: তৈমুর আলমসহ ১০ বিএনপি নেতার জামিন
- চট্টগ্রামে মিদাত হত্যা: সৌরভের ফাঁসির আদেশ
- জিয়াউদ্দিনের আদালত অবমাননার অভিযোগ নিষ্পত্তি
- তাজরীন ফ্যাশন্স মালিকের দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞা



