স্টাফ রিপোর্টার: (ঢাকা, ৩০ জুন)- প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা যখন যুদ্ধাপরাধীদের বিচার করছেন বিরোধী দলীয় নেতা খালেদা তখন ঢাকঢোল পিটিয়ে যুদ্ধাপরাধীদের পক্ষে মাঠে নেমেছেন বলে অভিযোগ করেছেন মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী ক্যাপ্টেন এবি তাজুল ইসলাম।
শনিবার রাজধানীর বিয়াম মিলনায়তনে এভারেস্ট জয়ী প্রথম বাংলাদেশি নারী নিশাত মজুমদারের সংবর্ধনা উপলক্ষে ‘আমরা মুক্তিযোদ্ধার সন্তান’এক সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন।
এসময় বেগম খালেদা জিয়ার উদ্দেশ্যে প্রতিমন্ত্রী বলেন, যুদ্ধাপরাধীদের বাঁচাতে যতই ষড়যন্ত্র করুন মুক্তিযোদ্ধার সন্তানরা বেঁচে থাকতে আপনার ষড়যন্ত্র বাস্তবায়ন হতে দেবে না। যুদ্ধাপরাধীদের বিচার বাংলার মাটিতে অবশ্যই হবে।
তিনি বলেন, যুদ্ধাপরাধীদের সাথে খালেদা জিয়ার দুই ছেলের আঁতাত হয়েছে। সেজন্য বিরোধী দল তাদের বাঁচাতে উঠে-পড়ে লেগেছে।
তত্ত্বাবধায়ক প্রসঙ্গে তাজুল বলেন, তত্ত্বাবধায়ক আর নয়, আগামী নির্বাচন অন্তবর্তীকালীন সরকারের অধীনেই হবে এবং খালেদা জিয়া সেই নির্বাচনে অংশ নেবেন।
তত্ত্বাবধায়ক ব্যবস্থা বেগম জিয়া বুঝে না- মন্তব্য করে তিনি বলেন, আওয়ামী লীগ সভানেত্রী শেখ হাসিনা এই পদ্ধতি প্রতিষ্ঠা করেছিলেন। কিন্তু পরে খালেদা জিয়া এই সরকার ব্যবস্থাকে এমনভাবে পঁচিয়েছে যে এর প্রতি জনগণের এখন আর কোনো আস্থা নেই।
তাজুল বলেন, তত্ত্বাবধায়ক নয়, অন্তবর্তী সরকারের অধীনেই নির্বাচন হবে। আর সেজন্য যদি কোনো পরামর্শ থাকে তাহলে সংসদে এসে আলোচনা করুন। সংসদের বাইরে কোনো আলোচনা হতে পারে না।
বর্তমান সরকারের বিভিন্ন সাফল্যের কথা উল্লেখ করে প্রতিমন্ত্রী বলেন, আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় আসলে দেশের মানুষের ভাগ্য পরিবর্তন হয়। আর বিএনপির ক্ষমতায় আসলে দেশে বোমা হামলা ও জঙ্গিবাদের উত্থান হয়।
তিনি অভিযোগ করে বলেন, সুন্দর জাতি গড়তে শেখ হাসিনা তরুণ প্রজন্মের হাতে বই-কলম তুলে দেন। আর বিএনপি তাদের হাতে তুলে দেন অস্ত্র।
তিনি আরো বলেন, বর্তমানে দেশ খাদ্যে স্বয়ংসম্পূর্ণ। এখন বিনামূল্যে শিশুদের হাতে বই তুলে দেয়া হচ্ছে। নিশাত মজুমদার সাফল্যের চূড়ায় উঠতে পেরেছে। এছাড়া খেলাধুলায়ও আমাদের তরুণরা এগিয়ে গেছে। এগুলো শুধু আওয়ামী লীগের আমলেই হয়ে থাকে।
অনুষ্ঠান শেষে প্রথম বাংলাদেশি নারী হিসেবে এভারেস্ট জয়ী নিশাত মজুমদারের হাতে সংবর্ধনা ক্রেস্ট তুলে দেন মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী এবি তাজুল ইসলাম।
সংগঠনের সভাপতি হুমায়ুন আহমেদের সভাপতিত্বে এতে অন্যদের মধ্যে স্বেচ্ছাসেবক লীগের সাধারণ সম্পাদক পঙ্কজ দেবনাথ, কৃষক লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক এম এ করিম, ছাত্রলীগের সভাপতি এ এস এম বদিউজ্জামান সোহাগ ও নিশাত মজুমদারের বাবা আব্দুল মান্নান মজুমদার প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।
বিডিপ্রেস ডটনেট/এমএন/এএমইউ_১৫৫৮ ঘ.
Add Your Comment
- ময়মনসিংহে জাগরণী সমাবেশ স্থগিত
- হে’ ইসলামের তিন কেন্দ্রীয় নেতা গ্রেফতার
- ‘সাধারণ’ সভা-সমাবেশের ব্যাপারে আপত্তি নেই
- জামিনে মুক্ত হলেন বগুড়া জেলা যুবদল সভাপতি
- দু'দলকে সংলাপে বসার আহ্বান বিদেশী কূটনৈতিকদের
- মুন্সীগঞ্জে টেন্ডার নিয়ে ছাত্রলীগ কর্মীদের পল্লী বিদ্যুত অফিসে হামলা-ভাংচুর
- সভা-সমাবেশ নিষিদ্ধ করে গণতন্ত্রের পথ রুদ্ধ করেছে সরকার: ব্যারিস্টার রফিকুল
- বিরোধী দলীয় চিফ হুইপ হাসপাতালে ভর্তি
- ডিটিসিএ এখন কাগজে কলমে: ওবায়দুল কাদের
- সংসদীয় গণতন্ত্র রক্ষায় সংসদে সংলাপ প্রয়োজন: স্পিকার



