1. »
  2. আন্তর্জাতিক

মোদির বিরুদ্ধে নির্বাচনী জনসভায় ‘মুসলিমবিদ্বেষী’ মন্তব্যের অভিযোগ

মঙ্গলবার, ২৩ এপ্রিল, ২০২৪ ০১:১১ পিএম | আপডেট: মঙ্গলবার, ২৩ এপ্রিল, ২০২৪ ০১:১১ পিএম

মোদির বিরুদ্ধে নির্বাচনী জনসভায় ‘মুসলিমবিদ্বেষী’ মন্তব্যের অভিযোগ

ভারতের চলমান লোকসভা নির্বাচনের প্রথম দফা শেষ হতে না হতেই এবার মুসলিমদের নিশানা করে বক্তব্য দিয়ে কংগ্রেস ও অন্যান্য বিজেপিবিরোধী দলগুলোর তোপের মুখে পড়েছেন দেশটির প্রধানমন্ত্রী ও ক্ষমতাসীন বিজেপির শীর্ষ নেতা নরেন্দ্র মোদি। এমনটি উল্লেখ করে প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে আলজাজিরা, সিএনএনসহ একাধিক গণমাধ্যম। 

প্রথম দফায় ভোটের হার আশানুরূপ না হওয়ায় তিনি সরাসরি ধর্মীয় মেরুকরণের পথে হাঁটছেন বলে মত বিরোধীদের। বিজেপিবিরোধী রাজনৈতিক জোট ‘ইন্ডিয়া’ভুক্ত দলগুলো বলছে, দেশের সংখ্যাগরিষ্ঠ হিন্দু সম্প্রদায়ের ভোট টানতে ইচ্ছাকৃতভাবে সাম্প্রদায়িকতা উস্কে দিচ্ছেন তিনি।

বিজেপির পক্ষ থেকে অবশ্য এখন পর্যন্ত এ অভিযোগের কোনো প্রতিবাদ জানানো হয়নি।

গত রোববার (২১ এপ্রিল) রাজস্থানের বাঁশওয়াড়ার এক জনসভায় মোদি বলেন, সরকারে থাকাকালীন কংগ্রেস বলেছিল, দেশের সম্পদের ওপর মুসলিমদের অধিকার সবার আগে। অর্থাৎ দেশের সম্পদ বণ্টন করা হবে তাদের মধ্যে, যাদের পরিবারে বেশি সন্তান রয়েছে। দেশের সম্পদ অনুপ্রবেশকারীদের হাতে তুলে দেয়া হবে।

তিনি বলেন, যখন কংগ্রেসের সরকার ক্ষমতায় ছিল- মনমোহন সিং (ভারতের সাবেক প্রধানমন্ত্রী) বলেছিলেন, দেশের সম্পদে সবার আগে মুসলিমদের অধিকার রয়েছে। এবার তারা (কংগ্রেস-ইনডিয়া জোট) তা বাস্তবায়ন করবে। কংগ্রেস তাদের ইশতেহারে উল্লেখ করেছে, ক্ষমতায় গেলে আপনার রোজগারের অর্থ তারা মুসলিমদের মধ্যে বিলিয়ে দেবে। মা-বোনদের কাছে থাকা সোনা-রূপার হিসাব করা হবে, তারপর তা বিলিয়ে দেওয়া হবে তাদের মধ্যে, যারা অনুপ্রবেশকারী এবং যাদের বাচ্চা-কাচ্চা বেশি হয়। মা-বোনদের মঙ্গলসূত্রও রেহাই পাবে না। শহুরে নকশালরা সব উজাড় করে দেভে। এর পরও কি আপনারা তাদের (কংগ্রেস-ইনডিয়া জোট) ভোট দেবেন।

বক্তব্যে কংগ্রেসের সাবেক সভানেত্রী সোনিয়া গান্ধীকেও আক্রমণ করেছেন মোদি। নাম উল্লেখ না করে তার সম্পর্কে বলেছেন, যারা ভোটে জিততে পারে না, তারা মাঠ ছেড়ে পালিয়ে রাজ্যসভার সদস্য হয়েছেন।

সংবাদপত্র ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভারতের প্রধানমন্ত্রীর এই বক্তব্য প্রকাশ্যে আসতেই সমালোচনার ঝড় বইছে ভারতজুড়ে। তীব্র সমালোচনা শুরু করে কংগ্রেস এবং ইনডিয়া জোটভুক্ত রাজনৈতিক দলগুলো।