সরকারি হাসপাতালের সামনে ক্লিনিকের অনুমোদন নয়: স্বাস্থ্যমন্ত্রী
মঙ্গলবার, ২২ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ০৬:৩৯ পিএম | আপডেট: মঙ্গলবার, ২২ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ০৬:৩৯ পিএম
বিগত সরকারের সময়ে ব্যাঙের ছাতার মতো ডায়াগনস্টিক সেন্টারের অনুমোদন দেওয়া হয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন। তিনি বলেছেন, বর্তমান সরকার দায়িত্ব নেওয়ার পর সিদ্ধান্ত নিয়েছে, সরকারি হাসপাতালের সামনে নতুন করে কোনো ক্লিনিক বা ডায়াগনস্টিক সেন্টারের অনুমোদন দেওয়া হবে না।
মঙ্গলবার (২২ সেপ্টেম্বর) সকাল ১০টার দিকে মুন্সীগঞ্জের গজারিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স আকস্মিক পরিদর্শনে গিয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা বলেন।
স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, সরকারি হাসপাতালের সামনে নতুন ক্লিনিকের অনুমোদন দেওয়ার কার্যক্রম পুরোপুরি বন্ধ থাকবে। পাশাপাশি বর্তমানে যেসব ক্লিনিক ও ডায়াগনস্টিক সেন্টারের অনুমোদন রয়েছে, সেগুলো যথাযথভাবে কার্যক্রম পরিচালনা না করলে বন্ধ করে দেওয়া হবে।
তিনি বলেন, স্বাস্থ্যসেবার মানোন্নয়নে সরকার বিভিন্ন উদ্যোগ নিয়েছে। এর অংশ হিসেবে আগামী অক্টোবর থেকে গজারিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সকে ৫০ শয্যা থেকে ১৫১ শয্যায় উন্নীত করার কাজ শুরু হবে।
মন্ত্রী আরও জানান, আগামী দুই বছরের মধ্যে হাসপাতালে একসঙ্গে ১০ জন রোগীকে ডায়ালাইসিস দেওয়ার ব্যবস্থা করা হবে। একই সময়ের মধ্যে আধুনিক প্যাথলজি ল্যাব স্থাপনের পাশাপাশি পুরুষ ও নারীদের জন্য পৃথক ফিজিওথেরাপি সেন্টার চালু করা হবে।
পরিদর্শনকালে মন্ত্রীর সঙ্গে ছিলেন মুন্সীগঞ্জ-৩ আসনের সংসদ সদস্য কামরুজ্জামান রতন। এ সময় গজারিয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা উম্মে হাফছা নাদিয়া, উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. শারমিন আহমেদ তিথী, আবাসিক মেডিকেল অফিসার ডা. নুসরাত ফারজানা খানসহ স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা-কর্মচারীরা উপস্থিত ছিলেন।
আরও পড়ুন
- অব্যবহৃত ২৪ ট্রমা সেন্টার চালুর উদ্যোগ সরকারের
- সেপ্টেম্বরের শেষে ডেঙ্গুর সংক্রমণ সর্বোচ্চ হতে পারে: স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী
- হামের উপসর্গে আরও ৪ শিশুর মৃত্যু, মোট প্রাণহানি ৯৬৭
- ২৪ ঘণ্টায় ডেঙ্গুতে আরও ২ মৃত্যু, ভর্তি ৭২৩
- দেশে হামে আরও ৪ শিশুর মৃত্যু
- হাম ও উপসর্গে আরও ৭ জনের মৃত্যু, প্রাণহানি বেড়ে ৭৬৬
- হাসপাতালে লেবার রুম বাধ্যতামূলক, নয়তো লাইসেন্স বাতিল : স্বাস্থ্যমন্ত্রী
- লাইসেন্স বাতিলের পর আদ-দ্বীন হাসপাতাল ছাড়ছেন রোগীরা