1. »
  2. জাতীয়

যৌথ অভিযানের আনুষ্ঠানিক সিদ্ধান্ত হয়নি: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

বৃহস্পতিবার, ১ অক্টোবর, ২০২৬ ১২:০৯ পিএম | আপডেট: বৃহস্পতিবার, ১ অক্টোবর, ২০২৬ ১২:০৯ পিএম

যৌথ অভিযানের আনুষ্ঠানিক সিদ্ধান্ত হয়নি: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

দেশে যৌথ অভিযানের আনুষ্ঠানিক কোনো সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়নি বলে জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ। তিনি বলেন, পুলিশ, বিজিবি, এসআরবি (সাবেক র‌্যাব) ও আনসার বাহিনীর সমন্বিত কার্যক্রম নিয়মিত প্রক্রিয়ার অংশ। সন্ত্রাস, চাঁদাবাজি ও মাদক নির্মূলে এ ধরনের কার্যক্রম প্রতিনিয়ত পরিচালিত হচ্ছে এবং ভবিষ্যতে তা আরও জোরদার করা হবে।

বৃহস্পতিবার (১ অক্টোবর) সকালে রাজধানীর তেজগাঁওয়ে আনসার ও ভিডিপির নতুন সদর দপ্তর নির্মাণের ‘শুভারম্ভ ফলক’ উন্মোচন শেষে আয়োজিত প্রেস ব্রিফিংয়ে তিনি এসব কথা বলেন।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশ আনসার ও ভিডিপির জন্য সুপরিকল্পিত ও উপযুক্ত স্থানে নিজস্ব সদর দপ্তর নির্মাণের দীর্ঘদিনের প্রত্যাশা পূরণ হতে যাচ্ছে। গণপূর্ত মন্ত্রণালয় আনসার বাহিনীর সদর দপ্তর নির্মাণে ৩ দশমিক ৪২৮ একর বা প্রায় ১১ বিঘা জমি বরাদ্দ দিয়েছে।

তিনি বলেন, বর্তমানে খিলগাঁওয়ের অপরিসর জায়গা থেকে আনসার সদর দপ্তরের কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে। সেখানে স্থান সংকুলানের পাশাপাশি যাতায়াতেরও সীমাবদ্ধতা রয়েছে। এসব সমস্যা দূর করতে তেজগাঁওয়ে আধুনিক ও বড় পরিসরের অবকাঠামো গড়ে তোলা হবে।

সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, বর্তমানে দেশে প্রায় ২০ হাজার ব্যাটালিয়ন আনসার ও ৬০ হাজার অঙ্গীভূত আনসার সদস্য রয়েছেন। এছাড়া ৩৫ হাজার ভিডিপি দলনেতার অধীনে প্রায় ৬০ লাখ প্রশিক্ষিত জনবল রয়েছে। নিয়মিত ও অনিয়মিত সদস্য মিলিয়ে আনসার দেশের সবচেয়ে বড় বাহিনী বলেও উল্লেখ করেন তিনি।

কেন্দ্রীয়ভাবে দায়িত্ব পালনকারী আনসার সদস্যদের আবাসন সংকট নিরসনে ডরমেটরি ও ব্যারাক নির্মাণের পাশাপাশি আশুলিয়া ও শেরেবাংলা নগরেও অতিরিক্ত সুযোগ-সুবিধা তৈরি করা হচ্ছে বলে জানান স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী।

জুলাইয়ের গণঅভ্যুত্থানসহ বিভিন্ন জাতীয় সংকট ও আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনসার বাহিনীর ভূমিকার প্রশংসা করে তিনি বলেন, তাদের আর্থিক ও অন্যান্য পর্যায়ক্রমিক দাবি-দাওয়া পূরণে সরকারের অঙ্গীকার রয়েছে।

বিভিন্ন আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যদের বিষয়ে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, দায়িত্বে অবহেলা বা অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে জড়িত থাকার প্রমাণ পাওয়া গেলে শুধু প্রত্যাহার নয়, সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে বিভাগীয় ও আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে। পাশাপাশি ফৌজদারি অপরাধের ক্ষেত্রে মামলা করা হচ্ছে।

তিনি বলেন, ডিসেম্বর আমাদের বিজয়ের মাস। এ মাসে কোনো অপশক্তি দেশে কোনো ধরনের অস্থিরতা সৃষ্টি করতে পারবে না।

ঢাকার ট্রাফিক ব্যবস্থাপনা প্রসঙ্গে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, যানজট নিয়ন্ত্রণে অটোমেশন ও কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা প্রযুক্তির ব্যবহার শুরু হয়েছে। এর মাধ্যমে স্বয়ংক্রিয়ভাবে মামলা প্রক্রিয়া সম্পন্ন হচ্ছে এবং সড়কে যানবাহন চলাচলে শৃঙ্খলা ফিরছে।

রাস্তা খনন ও নির্মাণকাজের কারণে যাতে যানজট তৈরি না হয়, সে বিষয়েও নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে বলে জানান তিনি। পুরো রাস্তা একসঙ্গে না কেটে খণ্ড খণ্ডভাবে কাজ শেষ করে দ্রুত তা পুনর্নির্মাণের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।