1. »
  2. আইন আদালত
শতাধিক গুম ও হত্যার ঘটনায় অভিযুক্ত

ট্রাইব্যুনালে জিয়াউল আহসানের বিচারপ্রক্রিয়ার গুরুত্বপূর্ণ ধাপ আজ

রবিবার, ৮ ফেব্রুয়ারী, ২০২৬ ১০:৫৭ এএম | আপডেট: রবিবার, ৮ ফেব্রুয়ারী, ২০২৬ ১১:১২ এএম

ট্রাইব্যুনালে জিয়াউল আহসানের বিচারপ্রক্রিয়ার গুরুত্বপূর্ণ ধাপ আজ

আওয়ামী লীগ সরকারের শাসনামলে সংঘটিত শতাধিক গুম ও হত্যার ঘটনায় অভিযুক্ত সাবেক সেনা কর্মকর্তা মেজর জেনারেল (অব.) জিয়াউল আহসানের বিরুদ্ধে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে বিচারপ্রক্রিয়ার একটি গুরুত্বপূর্ণ ধাপ আজ শুরু হচ্ছে। এদিন মামলায় প্রসিকিউশনের সূচনা বক্তব্য উপস্থাপন ও সাক্ষ্যগ্রহণের কার্যক্রম শুরু হওয়ার কথা রয়েছে।

রোববার (৮ ফেব্রুয়ারি) আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১ এ এ কার্যক্রম অনুষ্ঠিত হবে। ট্রাইব্যুনাল-১-এর চেয়ারম্যান বিচারপতি মো. গোলাম মর্তূজা মজুমদারের নেতৃত্বে তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেলে সাক্ষ্যগ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে। প্যানেলের অন্য দুই সদস্য হলেন বিচারপতি মো. শফিউল আলম মাহমুদ এবং বিচারক মো. মোহিতুল হক এনাম চৌধুরী।

প্রসিকিউশন সূত্র জানায়, শুনানির শুরুতে মামলার প্রেক্ষাপট তুলে ধরে সূচনা বক্তব্য (ওপেনিং স্টেটমেন্ট) দেওয়া হবে। এরপর প্রথম সাক্ষীর জবানবন্দির মাধ্যমে মূল সাক্ষ্যগ্রহণ শুরু হবে। এ মামলায় সাবেক সেনাপ্রধান জেনারেল (অব.) ইকবাল করিম ভূঁইয়ার সাক্ষ্য দেওয়ার সম্ভাবনাও রয়েছে।

এর আগে গত ১৪ জানুয়ারি মানবতাবিরোধী অপরাধের তিনটি সুনির্দিষ্ট অভিযোগে জিয়াউল আহসানের বিরুদ্ধে বিচার শুরুর আদেশ দেন ট্রাইব্যুনাল। একই সঙ্গে আজকের দিনটি সাক্ষ্যগ্রহণের জন্য নির্ধারণ করা হয়।

মামলার এজাহার অনুযায়ী, প্রথম অভিযোগে বলা হয়েছে—২০১১ সালের ১১ জুলাই রাতে গাজীপুরের পুবাইল এলাকায় জিয়াউল আহসানের সরাসরি উপস্থিতিতে সজলসহ তিনজনকে হত্যা করা হয়। দ্বিতীয় অভিযোগে উল্লেখ করা হয়, ২০১০ থেকে ২০১৩ সালের মধ্যে বরগুনার পাথরঘাটা উপজেলার বলেশ্বর নদীর মোহনায় নজরুল ও মল্লিকসহ ৫০ জনকে হত্যার দায় রয়েছে তার বিরুদ্ধে। তৃতীয় অভিযোগেও একই সময়কালে আরও ৫০ জন হত্যার কথা উল্লেখ করা হয়েছে।

এর আগে গত বছরের ১৭ ডিসেম্বর প্রসিকিউশনের দাখিল করা অভিযোগ আমলে নেন ট্রাইব্যুনাল। পরে ২৩ ডিসেম্বর এ মামলায় জিয়াউল আহসানকে গ্রেপ্তার দেখানো হয়। আজ সাক্ষ্যগ্রহণের মধ্য দিয়ে মামলার বিচারপ্রক্রিয়া আরও এক ধাপ এগিয়ে যাবে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।