রমজান ঘিরে বেড়েছে নিত্যপণ্যের দাম, বিপাকে ক্রেতারা
বৃহস্পতিবার, ১৯ ফেব্রুয়ারী, ২০২৬ ১২:১৩ পিএম | আপডেট: বৃহস্পতিবার, ১৯ ফেব্রুয়ারী, ২০২৬ ১২:১৩ পিএম
রমজান মাসকে সামনে রেখে রাজধানীর বাজারে ইফতার সামগ্রী ও নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দাম বাড়ায় সাধারণ ক্রেতারা ক্রমেই দুশ্চিন্তায় পড়েছেন। ছোলা, ডাল, বেগুন, লেবু, খেজুর থেকে শুরু করে মুরগি ও গরুর মাংস—প্রায় সব পণ্যের দামে ঊর্ধ্বগতি দেখা গেছে।
রাজধানীর বিভিন্ন বাজারে খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, এক সপ্তাহ আগের তুলনায় অনেক পণ্যের দাম উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে।
ছোলা: আগে কেজিতে ৬৫ টাকা, এখন ৮০–৮২ টাকা, কাঁচামরিচ: কেজিতে ১১০–১২০ টাকা, বেগুন: ৭০ টাকা থেকে ১২০–১৩০ টাকা, শসা: ৯০–১০০ টাকা, লেবু (হালি): ৬০ থেকে ১০০ টাকা, খেজুর: প্রকারভেদে ৫০–৪০০ টাকা পর্যন্ত, সয়াবিন তেল: কেজিতে প্রায় ১০ টাকা বৃদ্ধি।
বয়লার মুরগি: ১৬০ থেকে ১৮০ টাকা, গরুর মাংস: কেজিতে ৭৫০ থেকে ৮০০ টাকা, মাছের বাজারেও এ ধারা দেখা গেছে।
রাশেদ সারোয়ার নামে এক ক্রেতা বলেন, “রমজান সামনে, খরচ যেটুকু আছে তার ওপর বাজারে প্রায় সব পণ্যের দাম বেড়ে গেছে। এখন সংসার চালাতে হিসাব মিলিয়ে কিনতে হচ্ছে।” সসা আর লেবু ১৬০ টাকা ও ১০০ টাকা হালি বিক্রয় হচ্ছে। এজন্য কিনতে পারিনি।
মহাখালী কাঁচাবাজারে জাকির হোসেন বলেন, “এক সপ্তাহের মধ্যে এত দাম বৃদ্ধি অস্বাভাবিক। প্রশাসনের নিয়মিত নজরদারি থাকলে ব্যবসায়ীরা ইচ্ছামতো দাম বাড়াতে পারত না। আমাদের আয় তো বেড়েনি, কিন্তু নিত্যপণ্যের দাম বেড়ে গেছে। তাই অনেক কিছুই কিনতে পারিনি।”
এর আগে গতকাল মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী ইশরাক হোসেন তার প্রথম কার্যদিবসে রমজান মাসকে সামনে রেখে মজুতদার ও বাজার সিন্ডিকেটের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থানের ঘোষণা দিয়েছেন।
প্রতিমন্ত্রী জানান, রমজান মাসে খাদ্যদ্রব্য, ভোজ্যতেল এবং নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের বাজারে কৃত্রিম সংকট বা মূল্যবৃদ্ধির বিরুদ্ধে সরকার কড়া ব্যবস্থা নেবে।
আরও পড়ুন
- বিশ্ববাজারে স্বর্ণের দামে বড় পতন
- জ্বালানি সরবরাহে স্বস্তির ইঙ্গিত, দেশে আসছে আরও ৫ জাহাজ
- দেশের বাজারে কমল স্বর্ণের দাম
- যুদ্ধবিরতির প্রভাবে তেলের বাজারে বড় ধাক্কা, দাম কমলো ১৬ শতাংশ
- জ্বালানি চাহিদা মেটাতে ডিজেল-অকটেন আমদানির অনুমোদন
- বিকল্প পথে দেশে আসছে আরও এক লাখ মেট্রিক টন জ্বালানি তেল
- এলপিজির দাম এক লাফে ৩৮৭ টাকা বৃদ্ধি
- টানা চতুর্থবার বাড়ল সোনার দাম