1. »
  2. সমগ্র দেশ

তিন দশক পর টাঙ্গাইল চেম্বার অব কমার্সে নির্বাচন, আনন্দিত ব্যবসায়ীরা

সোমবার, ৮ জুন, ২০২৬ ১০:১৯ এএম | আপডেট: সোমবার, ৮ জুন, ২০২৬ ১০:১৯ এএম

তিন দশক পর টাঙ্গাইল চেম্বার অব কমার্সে নির্বাচন, আনন্দিত ব্যবসায়ীরা

দীর্ঘ তিন দশকেরও বেশি সময় পর টাঙ্গাইল চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির পরিচালনা পরিষদের নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়েছে। 

গতমঙ্গলবার টাঙ্গাইল ক্লাব মিলনায়তনে উৎসবমুখর পরিবেশে ভোট গ্রহণ শেষে রাতে ফলাফল ঘোষণা করা হয়।

নির্বাচনে 'এ' শ্রেণিতে ১৮ জন এবং 'বি' শ্রেণিতে ১২ জন পরিচালক নির্বাচিত হয়েছেন। 'এ' শ্রেণিতে নির্বাচিত পরিচালকেরা হলেন বেনজীর আহমেদ, মো. নূরুল আলম, নাজমুল আহসান, শংকর সরকার, স্বপন ঘোষ, আখতার হোসেন খান, খন্দকার রাশেদুল আলম, তারেকুল ইসলাম, বিশ্বজিৎ কুমার সাহা, আনবসুর রহমান চৌধুরী, সামসুর রহমান চৌধুরী, প্রভাত কুমার ধর, দুলাল চন্দ্র সাহা, খন্দকার আবদুল মোকাদ্দেম, মির্জা জিয়াউর রহমান, মো. নূরুল ইসলাম, মো. সরোয়ার হোসেন খান ও মো. আবদুল্লাহ হেল কাফি।

'বি' শ্রেণিতে নির্বাচিত ১২ জন পরিচালক হলেন মো. রোকনউদ্দিন, সৈয়দ যুবায়ের আবদুল্লাহ, ইকবাল হোসেন জুয়েল, আবু সাঈদ চৌধুরী, মো. ফয়জুল ইসলাম, সাইফুল ইসলাম, কাজী শফিকুল ইসলাম (লিটন), মো. আরিফ হোসেন, মীর মিরাজ হোসেন, আজিম উদ্দিন রবিন, পলাশ চন্দ্র বসাক ও খন্দকার নাজমুল হায়দার।

চেম্বার সূত্র জানায়, গঠনতন্ত্র অনুযায়ী উভয় শ্রেণির ৩০ জন নির্বাচিত পরিচালকের মধ্য থেকে সভাপতি ও সহসভাপতি নির্বাচন করা হবে। তবে এ-সংক্রান্ত পরিচালকদের সভার তারিখ এখনো নির্ধারিত হয়নি।

নির্বাচিত পরিচালকদের মধ্যে বেশ কয়েকজন সরাসরি রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত। 'এ' শ্রেণিতে নির্বাচিত বেনজীর আহমেদ বিএনপির ঢাকা বিভাগীয় সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক। রাশেদুল আলম জেলা যুবদলের আহ্বায়ক এবং তারেকুল ইসলাম স্বেচ্ছাসেবক দলের নেতা। এ ছাড়া কাজী শফিকুল ইসলাম ও আবদুল্লাহ হেল কাফিও বিএনপির রাজনীতির সঙ্গে সম্পৃক্ত।

প্রধান নির্বাচন কমিশনার ও জেলা অ্যাডভোকেট বার সমিতির সাধারণ সম্পাদক সাঈদুল ইসলাম জানান, বেলা ১১টা থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত শান্তিপূর্ণভাবে ভোট গ্রহণ সম্পন্ন হয়েছে। ভোটার সাম্য রহমান বলেন, গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ায় নেতৃত্ব নির্বাচনের সুযোগ পেয়ে সবাই খুশি এবং এই চর্চা যেন অব্যাহত থাকে।

উল্লেখ্য, তিন দশকেরও বেশি সময় ধরে এই সংগঠনে সুষ্ঠু নির্বাচন হয়নি। যখন যে দল ক্ষমতায় থাকত, তারা নিজেদের পছন্দের লোকদের দিয়ে পরিচালনা পরিষদ গঠন করে দিত। সাধারণ ভোটাররা ভোটদানের সুযোগ থেকে বঞ্চিত হতেন।