পাবনায় স্কুলছাত্রী ধর্ষণ ও হত্যায় অভিযুক্তদের বাড়িতে আগুন, দগ্ধ হয়ে তিনজনের মৃত্যু
মঙ্গলবার, ৯ জুন, ২০২৬ ০৫:১৫ পিএম | আপডেট: মঙ্গলবার, ৯ জুন, ২০২৬ ০৫:১৫ পিএম
পাবনায় নবম শ্রেণির এক স্কুলছাত্রীকে ধর্ষণের পর হত্যার ঘটনায় উত্তেজিত জনতা অভিযুক্তদের বাড়িতে আগুন দিলে সিলিন্ডার বিস্ফোরণে দগ্ধ হয়ে তিনজনের মৃত্যু হয়েছে। আহত হয়েছেন আরও ৭ জন।
গত ৩ জুন বিকেলে পাবনার ভাড়ারা ইউনিয়নের বলরামপুর এলাকায় পদ্মা নদী থেকে বস্তাবন্দি ও হাত-বাঁধা অবস্থায় ওই কিশোরীর মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। পরের দিন ৪ জুন মরদেহ দাফনের পর উত্তেজিত জনতা অভিযুক্তদের বাড়িতে আগুন ধরিয়ে দেয়। এতে সিলিন্ডার বিস্ফোরণ হয়ে আশপাশের অন্তত ১০ জন দগ্ধ হন। আহতদের প্রথমে পাবনা জেনারেল হাসপাতাল ও পরে ঢাকার জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে ভর্তি করা হয়।
গতকাল সোমবার (৮ জুন) সন্ধ্যায় একজন এবং মঙ্গলবার সকালে আরও দুজন ঢাকার বার্ন ইনস্টিটিউটে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান। নিহতরা হলেন পাবনা সদর উপজেলার পূর্ব রাঘবপুর গ্রামের সুমন শেখ, নতুনপাড়া এলাকার সাইফুল ইসলাম সাব্বির এবং একই এলাকার শফি ওরফে সাপু। আহতদের মধ্যে দুজনের অবস্থা এখনও গুরুতর।
পুলিশ জানায়, পাবনা শহরের মো. নাঈমের (২০) সঙ্গে ওই ছাত্রীর দীর্ঘদিনের প্রেমের সম্পর্ক ছিল। গত ২ জুন কিশোরী নাঈমের বাড়িতে বেড়াতে গেলে তাদের মধ্যে তীব্র বাকবিতণ্ডা হয়।
জিজ্ঞাসাবাদে নাঈম জানায়, কথাকাটাকাটির একপর্যায়ে সে কিশোরীকে গলা টিপে শ্বাসরোধ করে হত্যা করে। এরপর সহযোগী ইয়াসিন শেখ (২১) ও তুহিন প্রামানিককে (১৮) ডেকে এনে লাশটি বস্তাবন্দি করে নদীতে ফেলে দেওয়া হয়।
এ ঘটনায় মূল অভিযুক্ত নাঈমসহ তার দুই সহযোগীকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। লাশ গুমে ব্যবহৃত সাদা রঙের প্রাইভেটকারটিও জব্দ করা হয়েছে।
আরও পড়ুন
- ৭০ ঘণ্টা পর সীমান্ত থেকে সেই ১০ জনকে ফিরিয়ে নিল বিএসএফ
- ছিনতাইকারীর ছুরিকাঘাতে যুবক নিহত, থানা ঘেরাও করে বিক্ষোভ
- তিন দশক পর টাঙ্গাইল চেম্বার অব কমার্সে নির্বাচন, আনন্দিত ব্যবসায়ীরা
- রায়ে সন্তুষ্ট রামিসার বাবা
- একাধিক সীমান্তে বিএসএফের পুশইন চেষ্টা, সতর্ক অবস্থানে বিজিবি,
- ১৪৪ ধারা অমান্য করে টাঙ্গাইলে ফের সংঘর্ষ, তিন বাড়িতে আগুন
- পদ্মায় তলিয়ে যাওয়া বাস উদ্ধার
- পল্লবীতে আবারও একাকী মৃত্যু, ফ্ল্যাট থেকে উদ্ধার অর্ধগলিত মরদেহ