1. »
  2. জাতীয়

হিংসা-বিদ্বেষ পরিহার করে সম্প্রীতি প্রতিষ্ঠার আহ্বান রাষ্ট্রপতির

মঙ্গলবার, ২৫ আগস্ট, ২০২৬ ০৮:৩১ পিএম | আপডেট: মঙ্গলবার, ২৫ আগস্ট, ২০২৬ ০৮:৩১ পিএম

হিংসা-বিদ্বেষ পরিহার করে সম্প্রীতি প্রতিষ্ঠার আহ্বান রাষ্ট্রপতির

পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী (সা.) উপলক্ষে মহানবী হজরত মুহাম্মদ (সা.)-এর জীবন ও আদর্শ অনুসরণের মাধ্যমে হিংসা, বিদ্বেষ ও বিভেদ পরিহার করে শান্তি, সাম্য, সম্প্রীতি ও মানবিকতার ভিত্তিতে ন্যায়ভিত্তিক সমাজ ও রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার আহ্বান জানিয়েছেন রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।

ঈদে মিলাদুন্নবী (সা.) উপলক্ষে দেওয়া এক বাণীতে তিনি বলেন, মানবজাতির ইতিহাসে মহানবী হজরত মুহাম্মদ (সা.)-এর আবির্ভাব ছিল এক যুগান্তকারী ঘটনা। তিনি সমগ্র মানবজাতির জন্য শান্তি, কল্যাণ ও মুক্তির বার্তা নিয়ে পৃথিবীতে আগমন করেন।

রাষ্ট্রপতি বলেন, মহানবী (সা.)-এর ওপর নাজিল হওয়া পবিত্র কুরআনের মাধ্যমে মানুষ পূর্ণাঙ্গ জীবনবিধান লাভ করে। তাঁর জীবনাচরণে সাম্য, ভ্রাতৃত্ব, ন্যায় ও মানবিকতার যে শিক্ষা প্রতিষ্ঠিত হয়েছে, তা যুগে যুগে মানুষের জন্য পথপ্রদর্শক হিসেবে কাজ করছে। পবিত্র কুরআনে মহান আল্লাহ তাঁর চরিত্রের প্রশংসা করে তাঁকে মহান চরিত্রের অধিকারী হিসেবে উল্লেখ করেছেন।

মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেন, সত্য, ন্যায়, ক্ষমা, সহমর্মিতা ও মানুষের মর্যাদা রক্ষায় মহানবী (সা.) অনন্য দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন। এতিম, দরিদ্র, অসহায় ও বঞ্চিত মানুষের অধিকার প্রতিষ্ঠার পাশাপাশি নারী, শিশু, প্রতিবেশী ও শ্রমজীবী মানুষের অধিকার রক্ষায় তিনি সুস্পষ্ট নির্দেশনা দিয়েছেন।

তিনি আরও বলেন, বিদায় হজের ভাষণে মহানবী (সা.) মানবিক মর্যাদা, অধিকার, সাম্য, ন্যায়বিচার এবং পারস্পরিক দায়িত্ববোধের যে শিক্ষা দিয়েছেন, তা শুধু মুসলমানদের জন্য নয়, সমগ্র মানবজাতির জন্যই অনুসরণীয়।

রাষ্ট্রপতি বলেন, যুদ্ধ, সংঘাত, বৈষম্য ও অসহিষ্ণুতায় আক্রান্ত বর্তমান বিশ্বে মহানবী (সা.)-এর শান্তি, ন্যায়, সহনশীলতা, ভালোবাসা ও মানবিকতার শিক্ষা আগের যেকোনো সময়ের চেয়ে বেশি প্রাসঙ্গিক। তাই তাঁর আদর্শ ধারণ করে হিংসা, বিদ্বেষ, বিভেদ ও অন্যায় থেকে দূরে থাকার পাশাপাশি শান্তি ও সম্প্রীতিপূর্ণ সমাজ প্রতিষ্ঠায় সবাইকে ভূমিকা রাখার আহ্বান জানান তিনি।

বাণীতে রাষ্ট্রপতি মহান আল্লাহর কাছে মহানবী হজরত মুহাম্মদ (সা.)-এর জীবনাদর্শ অনুসরণের তাওফিক কামনা করেন। একই সঙ্গে বাংলাদেশসহ বিশ্বের সব মানুষের জন্য আল্লাহর রহমত, বরকত, শান্তি ও কল্যাণ প্রার্থনা করেন।