1. »
  2. জাতীয়

নৌ ও বিমান বাহিনী নির্বাচনী পর্ষদ উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান

রবিবার, ২৩ আগস্ট, ২০২৬ ১১:৩১ এএম | আপডেট: রবিবার, ২৩ আগস্ট, ২০২৬ ১১:৩১ এএম

নৌ ও বিমান বাহিনী নির্বাচনী পর্ষদ উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান

বিমান বাহিনী সদর দপ্তরে প্রধান অতিথি হিসেবে ‘নৌবাহিনী ও বিমান বাহিনী নির্বাচনী পর্ষদ-২০২৬’-এর আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। 

আজ রোববার (২৩ আগস্ট) সকালে বাংলাদেশ বিমান বাহিনী সদর দপ্তরে এই উদ্বোধন অনুষ্ঠান হয়।

এই পদোন্নতি পর্ষদে বাংলাদেশ নৌবাহিনীর ক্যাপ্টেন, কমান্ডার ও লেফটেন্যান্ট কমান্ডার এবং বিমান বাহিনীর গ্রুপ ক্যাপ্টেন, উইং কমান্ডার ও স্কোয়াড্রন লিডার পদবির যোগ্য কর্মকর্তারা পরবর্তী পদোন্নতির জন্য বিবেচিত হবেন।

প্রধানমন্ত্রী অনুষ্ঠানস্থলে পৌঁছালে তাঁকে স্বাগত জানান প্রধানমন্ত্রীর প্রতিরক্ষা উপদেষ্টা ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) ড. এ কে এম শামছুল ইসলাম, সেনাবাহিনী প্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান, নৌবাহিনী প্রধান এডমিরাল খোন্দকার মিসবাহ উল আজীম এবং বিমান বাহিনী প্রধান এয়ার চিফ মার্শাল হাসান মাহমুদ খান।

নির্বাচনী পর্ষদ শুরুর আগে প্রধানমন্ত্রী নৌবাহিনী প্রধান খোন্দকার মিসবাহ উল আজীমকে এডমিরাল র‌্যাংক ব্যাজ পরিয়ে দেন এবং তাঁকে অভিনন্দন জানান। জবাবে নৌবাহিনী প্রধান বাহিনীর পক্ষ থেকে প্রধানমন্ত্রীর প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করে নৌবাহিনীকে আরও আধুনিক ও সক্ষম করে তোলার ক্ষেত্রে তাঁর দিকনির্দেশনা কামনা করেন।

নির্বাচনী পর্ষদের বক্তব্যে প্রধানমন্ত্রী শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান ও প্রয়াত প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়াকে স্মরণ করেন। পাশাপাশি ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধের শহীদ, ২০২৪ সালের গণঅভ্যুত্থানে নিহতরা এবং গণতন্ত্র ও মানুষের অধিকার প্রতিষ্ঠার আন্দোলনে হতাহতদের প্রতিও শ্রদ্ধা জানান তিনি। 

তিনি নির্বাচনী পর্ষদের সদস্যদের রাজনৈতিক মতাদর্শ ও ব্যক্তিগত পছন্দ-অপছন্দের ঊর্ধ্বে থেকে কর্মকর্তাদের পেশাগত দক্ষতা, নেতৃত্বগুণ, শৃঙ্খলা, সততা ও আনুগত্যের ভিত্তিতে সিদ্ধান্ত নেওয়ার নির্দেশ দেন। দেশের স্বাধীনতা-সার্বভৌমত্ব রক্ষা এবং অভ্যন্তরীণ শান্তি-শৃঙ্খলা ও দুর্যোগ মোকাবেলায় নৌ ও বিমান বাহিনীর অবদানের জন্য তিনি সংশ্লিষ্ট সবাইকে ধন্যবাদ জানান।

পরে প্রধানমন্ত্রী বিমান বাহিনীর বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ অপারেশনাল স্থাপনা পরিদর্শন করেন। তিনি ঢাকা সেনানিবাসের আকাশ প্রতিরক্ষা পরিচালন কেন্দ্রে (ADOC) এয়ার ডিফেন্স সিস্টেম ইন্টিগ্রেশনের (ADSI) উদ্বোধনী ফলক উন্মোচন করেন এবং এর কার্যক্রম প্রত্যক্ষ করেন। 

এরপর তিনি এয়ার কমান্ড অপারেশন সেন্টারে (ACOC) ডিজিটাল ডিসপ্লের মাধ্যমে যুদ্ধবিমান দিয়ে শত্রুবিমান শনাক্তকরণ এবং চট্টগ্রাম থেকে ড্রোনের লাইভ ফিডের মাধ্যমে হেলিকপ্টারে সেনা অবতরণ কার্যক্রম পরিদর্শন করেন।

সবশেষে প্রধানমন্ত্রী এ্যারোস্পেস রিসার্চ অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট কমপ্লেক্স (ARDC) পরিদর্শন করেন, যেখানে বিমান বাহিনীর নিজস্ব প্রযুক্তিতে তৈরি বিভিন্ন ধরনের ড্রোন—কামিকাজে ড্রোন, ইন্টারসেপ্টর ড্রোন ও ভিটিওএল—প্রদর্শন করা হয়। এসময় একটি কোয়াডকপ্টারের উড্ডয়নও অবলোকন করেন তিনি এবং একে বিমান বাহিনীর গবেষণা ও প্রযুক্তিগত আত্মনির্ভরতার ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ অগ্রগতি বলে মন্তব্য করেন।