ডাকসু সংগ্রহশালায় জিন্নাহর ছবি ভাঙচুর সাবেক শিক্ষার্থীর
সোমবার, ১৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ০৪:৫১ পিএম | আপডেট: সোমবার, ১৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ০৫:০৭ পিএম
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (ডাকসু) সংগ্রহশালায় প্রদর্শিত মুহাম্মদ আলী জিন্নাহর তিনটি ছবি ভেঙে ও ছিঁড়ে ফেলেছেন আবু তৈয়ব হাবিলদার নামে এক শিক্ষার্থী।
সোমবার (১৪ সেপ্টেম্বর) দুপুর সোয়া ২টা থেকে আড়াইটার দিকে এই ঘটনা ঘটে।
দুই সন্তানকে নিয়ে ডাকসু ভবনের সংগ্রহশালায় যান আবু তৈয়ব হাবিলদার। সেখানে অবস্থানকালে উত্তেজিত হয়ে প্রথমে জিন্নাহর একটি একক ছবি ভেঙে ফেলেন তিনি। এরপর ফ্রেম থেকে ছবিটি বের করে ছিঁড়ে ফেলেন। পরে আরও দুটি ছবি মেঝেতে আছড়ে ভেঙে একইভাবে ছিঁড়ে ফেলেন তিনি।
ঘটনার পর ক্ষোভ প্রকাশ করে আবু তৈয়ব হাবিলদার বলেন, ডাকসুর মতো জায়গায় জিন্নাহর মতো ব্যক্তির ছবি থাকতে পারে না। তিনি অভিযোগ করেন, জিন্নাহ বাংলাকে রাষ্ট্রভাষা করার বিরোধিতা করেছিলেন এবং উর্দুকে পাকিস্তানের একমাত্র রাষ্ট্রভাষা করার ঘোষণা দিয়েছিলেন।
ডাকসুর ভিপি সাদিক কায়েমের উদ্দেশে তিনি প্রশ্ন তোলেন, তিনি উর্দুকে রাষ্ট্রভাষা হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করতে চান কি না। এ সময় তিনি ভাষা আন্দোলনের অন্যতম উদ্যোক্তা আবুল কাসেম এবং ১৯৪৮ সালের ১১ মার্চের হরতালে দুই হাজারের বেশি ছাত্র গ্রেপ্তারের প্রসঙ্গও টেনে আনেন।
একাধিক গণমাধ্যমের প্রতিবেদন অনুযায়ী, আবু তৈয়ব হাবিলদার উর্দু বিভাগের সাবেক শিক্ষার্থী এবং ডাকসু নির্বাচনে অংশ নেওয়া আলোচিত ও বয়োজ্যেষ্ঠ প্রার্থীদের একজন। এর আগে ডাকসু নির্বাচনে তিনি সবচেয়ে প্রবীণ প্রার্থী হিসেবে অংশ নিয়েছিলেন।
ঘটনার পর পরিস্থিতি নিয়ে কথা বলতে সংবাদ সম্মেলনের ডাক দিয়েছেন ডাকসুর সাধারণ সম্পাদক (জিএস) এস এম ফরহাদ। তিনি জানিয়েছেন, বিকেল ৪টায় ডাকসু ভবনের সামনে গণমাধ্যমের সঙ্গে কথা বলবেন তিনি।
আরও পড়ুন
- ডাকসুতে জিন্নাহর ছবি প্রদর্শনে প্রশাসনের আপত্তি, তদন্ত কমিটি গঠন
- গবেষণা-উদ্ভাবনভিত্তিক উচ্চশিক্ষায় জোর সরকারের: ড. মামুন
- এসএসসিতে পুনঃনিরীক্ষার ফল প্রকাশ, ফেল থেকে পাস সাড়ে চার হাজার
- ঢাবি নৃত্য সংসদের আংশিক কমিটি ঘোষণা
- এক কোটি কর্মসংস্থান বিশ্ববিদ্যালয়-শিল্প সহযোগিতায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে: ড. মামুন
- শিক্ষার্থীদের আনন্দময় শিক্ষা নিশ্চিতে একাধিক পরিকল্পনা হাতে নিয়েছে সরকার: শিক্ষামন্ত্রী
- এবার ৫৭ বিদ্যালয়য়ে একজন শিক্ষার্থীও পাস করেনি
- দাখিল পরীক্ষায় পাসের হার ৫৫.৪৯ শতাংশ, জিপিএ-৫ পেয়েছে ৬১৭৬ জন