1. »
  2. জাতীয়

জিয়াউর রহমানের আদর্শে শিশুদের সুনাগরিক হওয়ার আহ্বান মঈন খানের

বুধবার, ৭ অক্টোবর, ২০২৬ ১২:৫৩ পিএম | আপডেট: বুধবার, ৭ অক্টোবর, ২০২৬ ১২:৫৩ পিএম

জিয়াউর রহমানের আদর্শে শিশুদের সুনাগরিক হওয়ার আহ্বান মঈন খানের

শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের আদর্শ অনুসরণ করে শিশুদের ভবিষ্যতে দেশের সুনাগরিক হিসেবে গড়ে ওঠার আহ্বান জানিয়েছেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায়মন্ত্রী ড. আবদুল মঈন খান।

বুধবার (৭ অক্টোবর) রাজধানীর বাংলাদেশ শিশু একাডেমি মিলনায়তনে ‘শিশু অধিকার দিবস ২০২৬’ ও বাংলাদেশ শিশু একাডেমির ৫০ বছর পূর্তি উপলক্ষে আয়োজিত সেমিনারে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ আহ্বান জানান। ‘শিশুর স্বপ্নে ৫০ বছর: অর্জন, অভিজ্ঞতা ও আগামীর বাংলাদেশ’ শীর্ষক এ সেমিনারে তিনি শিশুদের ভবিষ্যৎ গঠনে বর্তমান প্রজন্মের দায়িত্বের কথা তুলে ধরেন।

মঈন খান বলেন, আজকের শিশুরাই আগামী দিনে দেশের পূর্ণাঙ্গ নাগরিক হিসেবে বাংলাদেশের ভবিষ্যৎ নির্মাণ করবে। তাই তাদের যথাযথভাবে গড়ে তোলার দায়িত্ব বর্তমান প্রজন্মের। দেশকে ভালোবেসে দায়িত্বশীল ও সুনাগরিক হিসেবে গড়ে উঠতে শিশুদের এখন থেকেই প্রস্তুতি নিতে হবে।

তিনি বলেন, বিশ্বব্যাপী শিশু অধিকার নিয়ে সচেতনতা তৈরির আগেই শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান শিশুদের ভবিষ্যৎ ও অধিকার নিয়ে গুরুত্ব দিয়ে চিন্তা করেছিলেন। শিশুদের সুপ্ত প্রতিভা ও সম্ভাবনা বিকশিত করে ভবিষ্যতের নেতৃত্বের জন্য প্রস্তুত করার প্রয়োজনীয়তাও তিনি উপলব্ধি করেছিলেন।

মন্ত্রী আরও বলেন, বাংলাদেশ শিশু একাডেমির ৫০ বছর পূর্তির এই আয়োজনের মধ্য দিয়ে শিশুরা দেশের ইতিহাসের গুরুত্বপূর্ণ একটি অধ্যায়ের সঙ্গে যুক্ত হয়েছে। অতীতের অভিজ্ঞতা থেকে শিক্ষা নিয়ে নিজেদের পাশাপাশি দেশের ভবিষ্যৎও তাদের গড়ে তুলতে হবে।

অনুষ্ঠানে সভাপতির বক্তব্যে মহিলা ও শিশু বিষয়ক এবং সমাজকল্যাণমন্ত্রী অধ্যাপক ডা. এ জেড এম জাহিদ হোসেন বলেন, জাতিসংঘ ১৯৮৯ সালে শিশুদের বিষয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে উদ্যোগ নেওয়ার অনেক আগেই ১৯৭৬ সালে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান শিশুদের কল্যাণে এ ধরনের কার্যক্রমের উদ্যোগ নিয়েছিলেন।

তিনি জানান, সরকার ধাপে ধাপে দেশের প্রতিটি উপজেলায় শিশু একাডেমির কার্যক্রম সম্প্রসারণের উদ্যোগ নিয়েছে। এসব কার্যক্রমে সুবিধাপ্রাপ্ত শিশুদের পাশাপাশি সুবিধাবঞ্চিত শিশুরাও সমান সুযোগ পাবে।

অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটির সভাপতি সেলিমা রহমান। মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন সরকারের প্রধান তথ্য কর্মকর্তা সৈয়দ আবদাল আহমদ।