ইরানজুড়ে ‘চূড়ান্ত হামলা’ পরিকল্পনা করছে যুক্তরাষ্ট্র
শুক্রবার, ২৭ মার্চ, ২০২৬ ১১:১৬ এএম | আপডেট: শুক্রবার, ২৭ মার্চ, ২০২৬ ১১:১৭ এএম
তেহরান ও ওয়াশিংটনের মধ্যবর্তী শান্তি আলোচনায় যদি কোনো সমাধান না আসে, তবে যুক্তরাষ্ট্র ইরানজুড়ে একটি বড় ধরনের ‘চূড়ান্ত হামলার’ পরিকল্পনা করছে।
শুক্রবার (২৭ মার্চ) যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক সংবাদমাধ্যম অ্যাক্সিওস জানায়, প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প শান্তি আলোচনার পাশাপাশি এই সামরিক প্রস্তুতির নির্দেশ দিয়েছেন।
পরিকল্পনায় ইরানে বিস্তৃত বিমান হামলার পাশাপাশি প্রথমবারের মতো বড় ধরনের স্থলবাহিনী মোতায়েনের ভাবনাও অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। মার্কিন কর্মকর্তাদের বরাতে প্রতিবেদনে বলা হয়, তেহরানকে আলোচনার টেবিলে নতি স্বীকারে বাধ্য করতেই এই দ্বিমুখী কৌশল গ্রহণ করা হয়েছে।
পেন্টাগনের সম্ভাব্য লক্ষ্যস্থলগুলোর মধ্যে খার্ক, লারাক ও আবু মুসার দ্বীপ রয়েছে। হরমুজ প্রণালীর পূর্বদিকে ইরানি তেলবাহী জাহাজে অবরোধ আরোপের পরিকল্পনা করা হয়েছে। কিছু নীতি নির্ধারক মনে করছেন, বড় ধরনের সামরিক অভিযান যুক্তরাষ্ট্রকে আলোচনায় ‘লেভারেজ’ দেবে।
গত ২৮ ফেব্রুয়ারি থেকে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের হামলায় ইরানে প্রায় দেড় হাজার মানুষ নিহত হয়েছেন। প্রতিক্রিয়ায় ইরান মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন দেশে মার্কিন সামরিক স্থাপনাগুলোকে লক্ষ্য করে পাল্টা হামলা চালাচ্ছে। জর্ডান, ইরাক, সৌদি আরব, বাহরাইন, কুয়েত ও সংযুক্ত আরব আমিরাতসহ এক ডজন দেশে ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা হয়েছে।
সংঘাতের কারণে বিশ্বব্যাপী জ্বালানি বাজার অস্থির হয়ে পড়েছে। বিশ্লেষকরা সতর্ক করেছেন, যদি পাকিস্তান বা তুরস্কের মধ্যস্থতায় দ্রুত কোনো সমঝোতা না হয়, তবে মধ্যপ্রাচ্য দীর্ঘস্থায়ী ও বিধ্বংসী যুদ্ধে জড়িয়ে পড়তে পারে।
আরও পড়ুন
- লেবাননে ইসরায়েলের স্থল অভিযান জোরদার, সেনা সংখ্যা বাড়ছে
- বাংলাদেশের প্রতি অবিচল সমর্থন পুনর্ব্যক্ত জাতিসংঘ মহাসচিবের
- সংকটের মাঝেই হরমুজে আবারও মালেশিয়ান জাহাজ চলাচল শুরু
- বিশ্ববাজারে ফের বাড়ল তেলের দাম
- হরমুজ প্রণলিতে নিরাপত্তা পাবে বাংলাদেশসহ ৬ দেশ : ইরান
- যুদ্ধ থামাতে ইরানের পাঁচ কঠোর শর্ত
- যুদ্ধ বন্ধে যুক্তরাষ্ট্রকে ইরানের ছয় শর্ত
- বাড়ল জ্বালানি তেলের দাম