বাংলাদেশ-ভারত যৌথ নদী কমিশনের বৈঠক শুরু আজ
বৃহস্পতিবার, ২১ মে, ২০২৬ ১০:১৬ এএম | আপডেট: বৃহস্পতিবার, ২১ মে, ২০২৬ ১০:১৬ এএম
পশ্চিমবঙ্গের কলকাতায় আজ বৃহস্পতিবার থেকে শুরু হচ্ছে ভারত-বাংলাদেশ যৌথ নদী কমিশনের (জেআরসি) ৯০তম বৈঠক। আগামী শনিবার পর্যন্ত চলবে তিন দিনব্যাপী এই গুরুত্বপূর্ণ কূটনৈতিক বৈঠক।
এর আগে গতকাল বুধবার কলকাতায় পৌঁছেছে বাংলাদেশের ছয় সদস্যের প্রতিনিধি দল।
দলের নেতৃত্ব দিচ্ছেন বাংলাদেশের জয়েন্ট রিভার কমিশনের সদস্য মোহাম্মদ আনোয়ার কবির। প্রতিনিধি দলে আরও রয়েছেন পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সাউথ এশিয়া উইংয়ের পরিচালক মোহাম্মদ বাকি বিল্লাহ, দিল্লিতে বাংলাদেশ হাইকমিশনের কাউন্সেলর (পলিটিক্যাল) মোহাম্মদ আলমগীর হোসেন এবং কলকাতায় বাংলাদেশ উপ-হাইকমিশনের সেকেন্ড সেক্রেটারি (পলিটিক্যাল) মোহাম্মদ ওমর ফারুক আকন্দ।
ভারতের পক্ষে নেতৃত্ব দিচ্ছেন কেন্দ্রীয় জলসম্পদ উন্নয়ন মন্ত্রণালয়ের একজন যুগ্ম সচিব এবং পশ্চিমবঙ্গ সরকারের সেচ দপ্তরের একজন চিফ ইঞ্জিনিয়ার।
এবারের বৈঠকে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ আলোচনার বিষয় হলো ১৯৯৬ সালের গঙ্গা পানি বণ্টন চুক্তির নবায়ন। ১৯৯৬ সালের ১২ ডিসেম্বর স্বাক্ষরিত ৩০ বছর মেয়াদি এই চুক্তির মেয়াদ আগামী ৩১ ডিসেম্বর শেষ হবে। মেয়াদ শেষের আগে দুই দেশের যৌথ নদী কমিশনের এটিই শেষ বৈঠক।
বিদ্যমান চুক্তি অনুযায়ী, জানুয়ারি থেকে মে পর্যন্ত শুষ্ক মৌসুমে পানি বণ্টন একটি নির্দিষ্ট সূত্র মেনে চলে। গঙ্গায় পানির প্রবাহ ৭৫ হাজার কিউসেকের বেশি হলে ভারত পাবে ৪০ হাজার কিউসেক, বাকি পানি যাবে বাংলাদেশে। প্রবাহ ৭০ থেকে ৭৫ হাজার কিউসেকের মধ্যে থাকলে বাংলাদেশ পাবে ৪০ হাজার কিউসেক। আর প্রবাহ ৭০ হাজার কিউসেক বা তার নিচে নামলে দুই দেশ সমান ভাগে পানি ভাগ করে নেবে।
আনুষ্ঠানিক বৈঠক শুরুর আগে বৃহস্পতিবার বাংলাদেশের প্রতিনিধি দল মুর্শিদাবাদে যাবে এবং ফারাক্কা ব্যারেজে গঙ্গার পানিপ্রবাহ সরাসরি পরিমাপ করবে। শুক্রবার কলকাতায় ফিরে একটি অভিজাত হোটেলে শুক্র ও শনিবার মূল আলোচনায় বসবে দুই দেশের প্রতিনিধি দল।
আরও পড়ুন
- ইরানের যুদ্ধে ৪২ বিমান ও ড্রোন হারিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র, ব্যয় ২৯ বিলিয়ন ডলার
- হরমুজ প্রণালি 'অবিলম্বে' খুলে দেওয়ার দাবি ট্রাম্পের
- ইবোলার টিকা তৈরিতে লাগবে অন্তত ৯ মাস, কঙ্গোতে মৃত ১৩৯
- যুদ্ধ পুনরায় শুরু হলে আরও চমক অপেক্ষা করছে: ইরান
- ইরানের সঙ্গে সংঘাত দ্রুত সমাপ্ত হবে: ট্রাম্প
- হরমুজ প্রণালি এখন সম্পূর্ণ ইরানের নিয়ন্ত্রণে
- কঙ্গোয় ইবোলা ভাইরাসের প্রাদুর্ভাবে ৮০ জনের মৃত্যু
- আলোচনা ব্যর্থ হলে আগামী সপ্তাহেই ইরানে তীব্র হামলা