আফগান সীমান্তে পাকিস্তানের সামরিক অভিযানে নিহত ২৯
সোমবার, ২৯ জুন, ২০২৬ ১১:০৩ এএম | আপডেট: সোমবার, ২৯ জুন, ২০২৬ ১১:০৩ এএম
তিনি জানান, সাম্প্রতিক সময়ে দেশের অভ্যন্তরে ঘটে যাওয়া একাধিক প্রাণঘাতী হামলার প্রতিক্রিয়া হিসেবেই এই অভিযান শুরু করা হয়েছে।
সরকারি সূত্র জানায়, আফগানিস্তানের পূর্বাঞ্চলের পাক্তিয়া, পাক্তিকা ও কুনার প্রদেশে নির্দিষ্ট লক্ষ্যবস্তুতে বিমান হামলা চালিয়ে সশস্ত্র গোষ্ঠীগুলোর আস্তানা ধ্বংস করা হয়েছে। তবে এ বিষয়ে আফগানিস্তানের অন্তর্বর্তীকালীন তালেবান সরকারের পক্ষ থেকে তাৎক্ষণিক কোনো প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি।
এর আগে করাচিতে পাকিস্তান রেঞ্জার্সের একটি আঞ্চলিক সদর দপ্তরে ভারী অস্ত্র ও বিস্ফোরক নিয়ে হামলা চালায় একদল যোদ্ধা। ওই ঘটনায় তিন সেনা সদস্য নিহত হন এবং পাল্টা অভিযানে তিন হামলাকারীও নিহত হয়।
পরে ঘটনাস্থল থেকে এক আফগান নাগরিককে গুরুতর আহত অবস্থায় আটক করা হয়। নিষিদ্ধ সংগঠন তেহরিক-ই-তালেবান পাকিস্তান (টিটিপি)-এর সহযোগী গোষ্ঠী জামাত-উল-আহরার ওই হামলার দায় স্বীকার করেছে।
পাকিস্তান সরকার জানিয়েছে, সীমান্তবর্তী এই অভিযান মূলত টিটিপি যোদ্ধাদের ঘাঁটি লক্ষ্য করেই পরিচালিত হয়েছে। যদিও পাকিস্তানের টিটিপি এবং আফগানিস্তানের তালেবান আলাদা সংগঠন, তবুও আদর্শগতভাবে তাদের মধ্যে ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক রয়েছে বলে মনে করা হয়।
বিশ্লেষকদের মতে, এই আন্তঃসীমান্ত সামরিক পদক্ষেপ ইসলামাবাদ ও কাবুলের মধ্যকার সম্পর্ককে আরও উত্তেজনাপূর্ণ করে তুলতে পারে। গত ফেব্রুয়ারি থেকে দুই দেশের মধ্যে একাধিক সংঘাতের ঘটনা ঘটেছে, যাতে শতাধিক মানুষের প্রাণহানি হয়েছে।
আন্তর্জাতিক মধ্যস্থতায় একাধিকবার শান্তি আলোচনার উদ্যোগ নেওয়া হলেও স্থায়ী সমাধান আসেনি। পাকিস্তান দীর্ঘদিন ধরে অভিযোগ করে আসছে যে আফগানিস্তান তাদের ভূখণ্ডে টিটিপি সদস্যদের আশ্রয় দিচ্ছে। তবে কাবুল প্রশাসন এই অভিযোগ অস্বীকার করে আসছে।
আরও পড়ুন
- কঙ্গোতে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে নিহত ২৯, বেশিরভাগই শিক্ষার্থী
- হরমুজে মার্কিন জাহাজ ও তেলবাহী ট্যাংকারে ইরানের হামলা
- মৃত ভেবে শোক, ১০ দিন পর নেপালের ধ্বংসস্তূপে জীবিত মিলল বৃদ্ধা
- হরমুজে জলযান প্রবেশে ইরানের নিষেধাজ্ঞা, দ্বিগুণ হচ্ছে পেট্রোলের দাম
- কেপ ভার্দে পাহাড়ি সড়ক থেকে বাস খাদে পড়ে নিহত ২৫
- মিয়ামি বিমানবন্দরে বিমান দুর্ঘটনা, নিহত ৫
- ‘আমি কাতারে বোমা মেরেছি’ : নেতানিয়াহু
- হোটেল বন্ধ, কলকাতায় ফুটপাতে রাত কাটাচ্ছেন চিকিৎসা নিতে যাওয়া বাংলাদেশিরা